Ujjwal SIR Physics

Ujjwal SIR Physics This Page is only for knowledge only...

28/11/2025

দেবমাল্যর গান

28/11/2025
বিদায় লাল ডাকবাক্স – এক যুগের অবসানভারতের রাস্তাঘাটে, গ্রাম শহরের মোড়ে মোড়ে একসময় চোখে পড়ত লাল রঙের উঁচু দাঁড়ানো ল...
12/08/2025

বিদায় লাল ডাকবাক্স – এক যুগের অবসান

ভারতের রাস্তাঘাটে, গ্রাম শহরের মোড়ে মোড়ে একসময় চোখে পড়ত লাল রঙের উঁচু দাঁড়ানো লৌহ নির্মিত ডাকবাক্স। এই লাল বাক্স ছিল এক অসাধারণ প্রতীক—যোগাযোগ, আবেগ, এবং সামাজিক সংযোগের। সম্প্রতি প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই পরিষেবা ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর ১ থেকে বন্ধ হয়ে যাবে। ভারতীয় ডাক বিভাগ জানিয়েছে, এরপর থেকে কেবলমাত্র স্পিড পোস্ট পরিষেবা চালু থাকবে। ফলে ঐতিহ্যবাহী ডাকবাক্স আর দেখা যাবে না জনজীবনে।

১. ইতিহাস ও বিবর্তন

ভারতের ডাক ব্যবস্থার ইতিহাস অনেক পুরনো। ব্রিটিশ আমলে ১৮৫৪ সালে ভারতের প্রথম সরকারি ডাক বিভাগ গঠিত হয়। ডাকবাক্স প্রথম স্থাপন হয় ১৯ শতকের শেষের দিকে, আর তখন থেকেই এটি শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

লাল ডাকবাক্সের রং ছিল ইচ্ছাকৃত—দূর থেকে সহজে নজরে পড়ার জন্য। এগুলো সাধারণত ধাতব তৈরি হতো এবং ভিতরে চিঠি ফেলার জন্য উপরের দিকে একটি ঢাকনা থাকত। ডাকপিয়ন নির্দিষ্ট সময়ে এসে চিঠি সংগ্রহ করতেন এবং সেগুলো ডাকঘরে পাঠাতেন।

২. সামাজিক ভূমিকা

ডাকবাক্স ছিল শুধুমাত্র একটি বাক্স নয়, বরং কোটি কোটি মানুষের যোগাযোগের সেতুবন্ধন।

পারিবারিক চিঠি: দূরের আত্মীয়স্বজনকে খবর পাঠানো

প্রেমপত্র: ব্যক্তিগত অনুভূতি বিনিময়ের মাধ্যম

সরকারি নোটিস ও কাগজপত্র: আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ

ব্যবসায়িক চিঠি: লেনদেনের জন্য জরুরি বার্তা

১৯৮০-৯০-এর দশকে একটি মাঝারি শহরের ডাকবাক্স থেকে দৈনিক কয়েকশো চিঠি উঠত।

৩. প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের প্রভাব

২০০০ সালের পর থেকে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট যোগাযোগের পদ্ধতিকে পাল্টে দেয়। ইমেইল, এসএমএস, এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দ্রুত গতির যোগাযোগ হাতে লেখা চিঠিকে প্রায় অচল করে দেয়।

২০০৫ সালে গড়ে প্রতি ডাকবাক্সে দৈনিক ৫০–৭০টি চিঠি উঠত, যা ২০২২ সালে নেমে আসে দৈনিক ২–৫ টিতে।

অনেক ডাকবাক্সে সপ্তাহে একদিনও চিঠি পড়ত না।

ফলে ডাকবিভাগকে পরিষেবা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

৪. অর্থনৈতিক দিক

ডাকবাক্স রক্ষণাবেক্ষণ, কর্মী নিয়োগ, সংগ্রহের গাড়ি, পরিবহন খরচ—সব মিলিয়ে বড় ব্যয় হতো। যখন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমশ কমছে, তখন এই ব্যয় রাখা অযৌক্তিক হয়ে যায়। ডাক বিভাগ তাই স্পিড পোস্ট, কুরিয়ার এবং ডিজিটাল পরিষেবার দিকে বেশি জোর দিচ্ছে, যা এখন লাভজনক এবং গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত।

৫. সংস্কৃতি ও নস্টালজিয়া

ডাকবাক্স ভারতের সংস্কৃতিতে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। স্কুলের রচনা বা প্রবন্ধে “আমাদের ডাকবাক্স” ছিল একটি সাধারণ বিষয়। বাচ্চাদের নিয়ে বাবা-মা চিঠি ফেলে আসতেন, যা ছিল এক ধরনের শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা।
প্রেমপত্র, উৎসবের শুভেচ্ছা, বিদেশে থাকা আত্মীয়কে খাম পাঠানো—সব কিছুতেই ডাকবাক্স ছিল এক বিশ্বস্ত সঙ্গী।

৬. ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর অর্থ

ডাকবাক্স বন্ধ হওয়া মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আর এর ব্যবহার দেখবে না। এটি হয়তো জাদুঘরে বা পুরনো সিনেমায় দেখা যাবে, ঠিক যেমন আমরা আজ দেখি টেলিগ্রাফ মেশিন বা পুরনো ল্যান্ডলাইন ফোন।
এটি ইতিহাসের অংশ হয়ে যাবে, কিন্তু মানুষের মনে এর প্রতি আবেগ অটুট থাকবে।

৭. বিশ্বব্যাপী পরিবর্তনের প্রতিফলন

শুধু ভারত নয়, বিশ্বের অনেক দেশেই ডাকবাক্সের ব্যবহার কমে গেছে। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা—সব জায়গাতেই ডাক বিভাগের কাঠামো পরিবর্তিত হচ্ছে, ডিজিটাল যুগের সাথে তাল মিলিয়ে।
তবে কিছু দেশ ঐতিহ্য রক্ষার জন্য প্রতীকীভাবে কিছু ডাকবাক্স রেখে দিচ্ছে, পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে।

৮. চিঠির আবেগ বনাম ডিজিটাল বার্তা

চিঠি কেবল তথ্য নয়, তাতে থাকে হাতের লেখা, কাগজের গন্ধ, আর অনুভূতির উষ্ণতা—যা ডিজিটাল বার্তায় পাওয়া যায় না।
হয়তো প্রযুক্তি আমাদের দ্রুততার সুবিধা দিয়েছে, কিন্তু ডাকবাক্সের অবসান আমাদের এক প্রজন্মের সাংস্কৃতিক আবেগকেও হারিয়ে দিচ্ছে।

৯. উপসংহার

লাল ডাকবাক্সের বিদায় একটি যুগের অবসান। এটি শুধুমাত্র ডাক বিভাগের নীতিগত পরিবর্তন নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগের এক ঐতিহ্য হারানোর ঘটনা।
সময়ের সাথে পরিবর্তন অনিবার্য, তবে এই লাল বাক্স ভারতের ইতিহাস, সংস্কৃতি, ও মানুষের আবেগে চিরকাল বেঁচে থাকবে।

বিশ্বের সর্বোচ্চ আকাশচুম্বী ভবনের দৌড়ে নতুন সংযোজন – রাইজ টাওয়ারবিশ্বের স্থাপত্য ও প্রকৌশল জগৎ প্রতিনিয়ত নতুন উচ্চতার...
11/08/2025

বিশ্বের সর্বোচ্চ আকাশচুম্বী ভবনের দৌড়ে নতুন সংযোজন – রাইজ টাওয়ার

বিশ্বের স্থাপত্য ও প্রকৌশল জগৎ প্রতিনিয়ত নতুন উচ্চতার দিকে এগিয়ে চলেছে। আকাশচুম্বী ভবনগুলো শুধু মানুষের বাসস্থান বা কর্মস্থলের সীমাবদ্ধতা ভেঙে, আধুনিকতা, প্রযুক্তি এবং মানব সৃজনশীলতার এক অনন্য প্রতীক হয়ে উঠেছে। এই প্রতিযোগিতায় শীঘ্রই যুক্ত হতে চলেছে সৌদি আরবের ‘রাইজ টাওয়ার’, যা নির্মিত হলে হবে বিশ্বের প্রথম ২০০০ মিটার উঁচু ভবন।

বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবনের খেতাব রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিখ্যাত বুর্জ খলিফার দখলে, যার উচ্চতা ৮২৮ মিটার। এর পরের অবস্থানে রয়েছে সৌদি আরবের জেদ্দাহ টাওয়ার (প্রস্তাবিত উচ্চতা ১০০০ মিটার) এবং চীনের সুজহো ঝোংনান সেন্টার (৭২৯ মিটার)। তবে এগুলোর সবকটিকেই পেছনে ফেলতে চলেছে রাইজ টাওয়ার, যা উচ্চতায় দ্বিগুণেরও বেশি হতে চলেছে।

রাইজ টাওয়ার – এক নজরে

রাইজ টাওয়ারের প্রস্তাবিত উচ্চতা ২০০০ মিটার বা ২ কিলোমিটার, যা একে শুধু বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবনই নয়, বরং মানব ইতিহাসের সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী স্থাপত্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে একটি করে তুলছে। এই বিশাল আকারের ভবনটি সম্পূর্ণ হলে তা শুধুমাত্র একটি বাণিজ্যিক বা আবাসিক স্থাপনা নয়, বরং পর্যটন, ব্যবসা, গবেষণা এবং আধুনিক নগরজীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।

প্রকল্পটির নকশায় আধুনিক স্থাপত্যশৈলী, বায়ুগতিবিদ্যা এবং টেকসই প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। ভবনটির গঠন এমনভাবে পরিকল্পনা করা হচ্ছে যাতে প্রবল বাতাস, ভূমিকম্প এবং চরম তাপমাত্রার মতো প্রাকৃতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

বিশ্বের অন্যান্য আকাশচুম্বীর সঙ্গে তুলনা

বর্তমানে বুর্জ খলিফা বিশ্বের স্থাপত্য বিস্ময় হিসেবে পরিচিত। এর ৮২৮ মিটার উচ্চতা প্রায় এক দশক ধরে অপরাজেয় ছিল। তবে সৌদি আরবের জেদ্দাহ টাওয়ার প্রায় ১০০০ মিটার উচ্চতা নিয়ে সেটিকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিল। কিন্তু রাইজ টাওয়ার সেই সীমা ভেঙে সম্পূর্ণ নতুন এক অধ্যায় শুরু করবে।

উচ্চতার তুলনায় দেখা যায়—

রাইজ টাওয়ার: ২০০০ মিটার

জেদ্দাহ টাওয়ার: ১০০০ মিটার

বুর্জ খলিফা: ৮২৮ মিটার

সুজহো ঝোংনান: ৭২৯ মিটার

এ থেকে বোঝা যায়, রাইজ টাওয়ার অন্য সব আকাশচুম্বীকে আকারে এবং উচ্চতায় বহুগুণে ছাড়িয়ে যাবে।

প্রযুক্তি ও প্রকৌশলের চ্যালেঞ্জ

এমন একটি উচ্চতার ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ অনেক।

1. গঠনগত স্থায়িত্ব: ২ কিমি উঁচু কাঠামোতে প্রচণ্ড বাতাসের চাপ ও কম্পন সামলানোর জন্য উন্নত উপকরণ এবং বায়ুগতিবিদ্যার নকশা প্রয়োজন।

2. ভিত্তি নির্মাণ: মাটির নিচের ভিত্তি এমনভাবে ডিজাইন করতে হবে যাতে এত বিশাল ওজন সুরক্ষিতভাবে বহন করতে পারে।

3. লিফট সিস্টেম: ভবনের ভেতরে এমন দ্রুতগতির ও নিরাপদ লিফট ব্যবস্থা থাকতে হবে যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে শত শত তলা অতিক্রম করতে সক্ষম।

4. জ্বালানি ও টেকসই প্রযুক্তি: এতো বড় কাঠামোতে বিদ্যুৎ, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যকরভাবে পরিচালনা করা বড় চ্যালেঞ্জ।

অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব

রাইজ টাওয়ার নির্মাণ সৌদি আরবের জন্য শুধু একটি স্থাপত্য অর্জন নয়, বরং অর্থনৈতিক দিক থেকেও বিশাল প্রভাব ফেলবে। এটি পর্যটনশিল্পে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আনতে সক্ষম হবে, বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের আকর্ষণ করবে। তাছাড়া নির্মাণকালে হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং ভবিষ্যতে ভবনটি সম্পূর্ণ হলে বিভিন্ন খাতে অসংখ্য চাকরির সুযোগ তৈরি হবে।

স্থাপত্য প্রতিযোগিতা ও সৌদি আরবের ভিশন

সৌদি আরব সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নিজেকে তেলের ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতি থেকে বহুমুখী অর্থনৈতিক কাঠামোর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। রাইজ টাওয়ার এই পরিকল্পনার একটি বড় প্রতীক, যা দেশটির আধুনিকতা, প্রযুক্তি ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবে।

সম্ভাব্য প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে, তবে রাইজ টাওয়ার শুধু সৌদি আরবের নয়, বরং বিশ্বের জন্যও একটি অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে। এটি ভবিষ্যতের নগর পরিকল্পনা, উচ্চ ভবন নির্মাণ এবং টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক স্থাপন করবে।

তবে, এমন বৃহৎ প্রকল্পের ক্ষেত্রে ব্যয়, সময়সীমা এবং পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা থাকবেই। প্রকল্প কর্তৃপক্ষের উচিত হবে এই দিকগুলো বিবেচনায় রেখে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

শেষকথা

রাইজ টাওয়ার শুধুমাত্র কংক্রিট ও ইস্পাতের একটি কাঠামো নয়, এটি মানবজাতির স্বপ্ন, উদ্ভাবন এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। ২০০০ মিটার উচ্চতায় দাঁড়িয়ে এটি একদিন মানব ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায় হয়ে উঠবে। বিশ্ববাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে সেই দিনের জন্য, যেদিন রাইজ টাওয়ার বাস্তবে রূপ নেবে এবং আকাশের সীমানা নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করবে।

09/08/2025

ট্রাম্পের শুল্ক নীতি: বিশ্বজুড়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও এর ব্যাপক প্রভাব

২০২৫ সালের বৈশ্বিক বাণিজ্য অঙ্গন এক অদ্ভুত মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় ফিরে এসে তাঁর আগ্রাসী শুল্ক নীতি পুনরায় চালু করেছেন, যা কেবল আমেরিকার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে নয়, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনেও গভীর প্রভাব ফেলছে। এই নীতি একদিকে মার্কিন বাজারকে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে, অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে নানা দেশের সাথে দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ভেঙে দিচ্ছে।

ভারতের সিদ্ধান্ত: ৩.৬ বিলিয়ন ডলারের বোয়িং চুক্তি স্থগিত

ভারত, যা দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান কৌশলগত ও প্রতিরক্ষা অংশীদার, হঠাৎ করে ৩.৬ বিলিয়ন ডলারের বোয়িং বিমান ক্রয় চুক্তি স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্ত এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের জবাবে, যা ভারতীয় ইস্পাত, টেক্সটাইল ও প্রযুক্তি রপ্তানিতে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্রের মতে, এই পদক্ষেপ শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং মার্কিন প্রশাসনকে কড়া বার্তা দেওয়ার একটি কৌশল — যদি পারস্পরিক স্বার্থে ভারসাম্য না থাকে, তাহলে সহযোগিতা পুনর্বিবেচনা হবে।

কানাডার প্রতিক্রিয়া: স্টারলিংক চুক্তি বাতিল

কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম নিকটতম মিত্র হলেও, সাম্প্রতিক পদক্ষেপে তারা প্রকাশ্যে অসন্তোষ দেখিয়েছে। দেশটি মার্কিন কোম্পানি স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট প্রকল্প ‘স্টারলিংক’-এর একাধিক চুক্তি বাতিল করেছে। শুল্কবৃদ্ধির কারণে কানাডার কৃষিপণ্য, কাঠ ও অটোমোবাইল খাত সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা দেশটির নীতি নির্ধারকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়িয়েছে। এই চুক্তি বাতিল কার্যত প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় ফাটল ধরার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

স্পেনের পদক্ষেপ: এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ক্রয় বাতিল

স্পেন দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বড় ক্রেতা। কিন্তু এবার তারা মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ক্রয়ের পরিকল্পনা বাতিল করেছে। এর ফলে কয়েকশ কোটি ডলারের চুক্তি নষ্ট হয়েছে। স্পেনীয় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা শুল্ক নীতি ইউরোপীয় মিত্রদের জন্য “অবিশ্বস্ত” সংকেত দিচ্ছে। ফলে, ন্যাটো জোটের ভেতরেও অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে।

দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকার অসন্তোষ

দক্ষিণ কোরিয়া, যা প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে গভীরভাবে জড়িত, নতুন শুল্কের কারণে তাদের চিপ ও ইলেকট্রনিক রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে।
ব্রাজিল কৃষি ও জ্বালানি রপ্তানিতে বড় আকারে ক্ষতির শিকার হচ্ছে, আর দক্ষিণ আফ্রিকা খনিজ ও ধাতু রপ্তানিতে মার্কিন বাজার হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।

বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে ধাক্কা

শুল্কবৃদ্ধি শুধু দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমস্যা নয় — এটি আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে বড় আকারে অস্থির করছে। যুক্তরাষ্ট্রে কাঁচামালের খরচ বেড়ে যাচ্ছে, উৎপাদন বিলম্বিত হচ্ছে এবং বিশ্বব্যাপী পণ্যের দাম অস্থিতিশীল হয়ে পড়ছে।
বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর, গাড়ি, বিমান, ফার্মাসিউটিক্যাল ও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, তাইওয়ানের চিপ শিল্প যদি শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি সীমিত করে, তবে প্রযুক্তি খাতে বড় আকারের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া: যুক্তরাষ্ট্র ক্রমশ একঘরে

এই শুল্ক নীতি কার্যত মার্কিন অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদকে সামনে এনে দিয়েছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমেরিকাকে ক্রমশ একা করে দিচ্ছে। একের পর এক দেশ প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে — চুক্তি বাতিল, বিকল্প বাজার খোঁজা, নতুন বাণিজ্য জোট গঠন ইত্যাদির মাধ্যমে। ফলে, ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য যদিও ছিল ‘আমেরিকা ফার্স্ট’, বাস্তবে এর ফলাফল হয়ে দাঁড়াচ্ছে ‘আমেরিকা আইসোলেটেড’।

কারা হবে পরবর্তী?

বিশ্ব বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রবণতা চলতে থাকলে জাপান, অস্ট্রেলিয়া, এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তাদের বড় অর্থনৈতিক বা প্রতিরক্ষা প্রকল্প পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পরবর্তী ধাপে যুক্তরাষ্ট্র হয়তো এশিয়ার বড় প্রযুক্তি সহযোগীদেরও হারাতে পারে, যার প্রভাব আমেরিকার ভোক্তা বাজার থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা সক্ষমতায়ও পড়বে।

🤞🤞🤞

ট্রাম্পের আগ্রাসী শুল্ক নীতি আপাতদৃষ্টিতে আমেরিকার স্বার্থ রক্ষার কৌশল মনে হলেও, এর তাৎক্ষণিক ফলাফল হচ্ছে বিশ্বব্যাপী অবিশ্বাস, বাণিজ্য অংশীদারদের অসন্তোষ এবং কোটি কোটি ডলারের চুক্তি বাতিল। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে এই ধাক্কা শুধু পরিসংখ্যানে নয়, রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কেও গভীর প্রভাব ফেলছে।
ভারত, কানাডা, স্পেন, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা — সবাই ইতিমধ্যেই স্পষ্ট সংকেত দিয়েছে যে তারা বিকল্প পথে হাঁটতে প্রস্তুত। প্রশ্ন হলো, এই তালিকায় পরবর্তী নাম কোন দেশের হবে?





08/08/2025

💥 অবশেষে শিয়ালদহ-রানাঘাট AC লোকাল ট্রেন চালু! 💥

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। বহু যাত্রীর চাওয়া ছিল—এই রুটে কবে চালু হবে AC লোকাল ট্রেন। অবশেষে সেই অপেক্ষার পালা শেষ।

✅ ট্রেন চলাচল শুরু হবে ১১ আগস্ট থেকে।
✅ রুট: শিয়ালদহ ↔ রানাঘাট
✅ ট্রেনে আসন সংখ্যা: ১১২৬টি

🚆 রানাঘাট থেকে ছাড়ার সময়: সকাল ৮টা ২৯ মিনিট
➡️ শিয়ালদহ পৌঁছাবে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে
🕒 মোট সময় লাগবে প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট

🚆 শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে: সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট
➡️ রানাঘাট পৌঁছাবে রাত ৮টা ৩২ মিনিটে

📌 ভাড়ার তালিকা (শিয়ালদহ থেকে):

দমদম – ₹৩৫

বারাকপুর – ₹৬০

নৈহাটি – ₹৯০

রানাঘাট – ₹১২০

📍 যেসব স্টেশনে ট্রেনটি থামবে:

চাকদহ

কল্যাণী

কাঁচরাপাড়া

নৈহাটি

ব্যারাকপুর

খড়দহ

সোদপুর

দমদম

বিধাননগর

📢 আপনার মতামত দিন:
এই ট্রেনটি যদি আরও কিছু স্টেশনে থামতো বা না থামতো—তাহলে আপনি বেশি খুশি হতেন? মতামত জানাতে ভুলবেন না কমেন্টে।

❗ টিকিট ছাড়া ভ্রমণের ক্ষেত্রে জরিমানা সংক্রান্ত তথ্য এখনো প্রকাশ হয়নি।
এছাড়াও ট্রেনের ভেতরে টিকিট পরীক্ষক (TC) থাকবেন নাকি স্টেশনে চেক করবেন—এই বিষয়েও এখনো অফিসিয়াল ঘোষণা আসেনি।

আপনাদের যদি এই তথ্যটি ভালো লাগে এবং কাজে লাগে, তাহলে শেয়ার করে অন্যদের উপকার করুন।
অনেকেই এই ট্রেনের বিষয়ে জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, সেই কারণেই এই পোস্টটি তৈরি। ❤️

নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ একটি তথ্য—প্রতিদিন মাত্র ৭,০০০ ধাপ হাঁটার অভ্যাস মানুষের মৃত্যুর ঝুঁকি ও একাধিক জটিল রোগে...
06/08/2025

নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ একটি তথ্য—প্রতিদিন মাত্র ৭,০০০ ধাপ হাঁটার অভ্যাস মানুষের মৃত্যুর ঝুঁকি ও একাধিক জটিল রোগের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়। বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষের উপরে চালানো একটি বিশ্লেষণধর্মী গবেষণা (meta-analysis) থেকে জানা গেছে, নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস শরীরকে এমনভাবে রক্ষা করে, যা ব্যয়বহুল ওষুধ বা চিকিৎসার চেয়েও অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।

---

✅ গবেষণার মূল বিষয়বস্তু

গবেষণাটির লক্ষ্য ছিল শারীরিক সচলতা, বিশেষ করে হাঁটা, আমাদের স্বাস্থ্যের উপর কী প্রভাব ফেলে তা বিশ্লেষণ করা। এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের দৈনিক হাঁটার ধাপ (steps) এবং তাদের শারীরিক অবস্থা, মৃত্যুর হার ও বিভিন্ন অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা হয়।

দুইটি গ্রুপকে প্রধানভাবে তুলনা করা হয়:

যাঁরা দিনে মাত্র ২,০০০ ধাপ হাঁটেন

যাঁরা দিনে প্রায় ৭,০০০ ধাপ হাঁটেন

---

📉 ঝুঁকি হ্রাসের তুলনামূলক চিত্র

দেখা গেছে, প্রতিদিন ৭,০০০ ধাপ হাঁটা ব্যক্তিরা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি স্বাস্থ্যবান এবং তারা নিচের অসুখগুলোর ঝুঁকি থেকে অনেকটা সুরক্ষিত থাকেন:

স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাসের হার

✅ সর্বমোট মৃত্যুঝুঁকি ৪৭% পর্যন্ত কমে যায়
❤️ হৃদরোগ ২৫% কম ঝুঁকি
🧠 স্মৃতিভ্রংশ (ডিমেনশিয়া) ৩৮% হ্রাস
🎗️ ক্যানসারজনিত মৃত্যু ৩৭% কম
🙁 বিষণ্নতা (ডিপ্রেশন) ২২% পর্যন্ত হ্রাস
🩸 ডায়াবেটিস ১৪% হ্রাস

এই তথ্যগুলো থেকেই স্পষ্ট হয়, প্রতিদিনের সামান্য হাঁটাচলা আমাদের জীবনযাত্রাকে কতটা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে।

---

🧬 কেন হাঁটা এত উপকারী?

হাঁটা একটি সহজ, স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক ব্যায়াম। এর জন্য আলাদা করে কোনও যন্ত্রপাতি বা জিমে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। নিয়মিত হাঁটার ফলে যেসব উপকার হয়:

1. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে

2. হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে ও রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়

3. রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে

4. মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাড়ে, স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়

5. হরমোন ব্যালান্স ঠিক থাকে, ফলে মানসিক চাপ ও বিষণ্নতা হ্রাস পায়

6. ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে ও স্থূলতা কমে

---

💬 বিশেষজ্ঞদের মতামত

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁটা এমন একটি ব্যায়াম যা যে কোনও বয়সের মানুষ করতে পারেন, এমনকি যাঁরা শরীরচর্চার অভ্যাসে অভ্যস্ত নন, তারাও হাঁটার মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যকর জীবনের পথে এগিয়ে যেতে পারেন। তাঁদের মতে, “হাঁটা হলো সবচেয়ে সহজলভ্য ‘ওষুধ’, যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, বরং উপকারিতা অসংখ্য।”

---

📍 কাদের জন্য এই অভ্যাস সবচেয়ে বেশি জরুরি?

অফিসে দীর্ঘসময় বসে কাজ করা ব্যক্তিরা

উচ্চ রক্তচাপ বা প্রিডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষ

যাঁরা মানসিক চাপ বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন

প্রবীণ নাগরিক, যাঁদের জিম বা ভারী ব্যায়াম সম্ভব নয়

অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা যাঁদের আছে

---

📏 কীভাবে ৭,০০০ ধাপ হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলবেন?

১. লিফট না নিয়ে সিঁড়ি ব্যবহার করুন
২. পার্ক বা মাঠে দিনে অন্তত ৩০–৪৫ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করুন
3. বাজার বা কাছাকাছি জায়গায় গেলে গাড়ির বদলে হাঁটা বেছে নিন
৪. মোবাইলে স্টেপ কাউন্টার অ্যাপ ব্যবহার করুন, যাতে আপনি বুঝতে পারেন দিনে কত হাঁটলেন
৫. বন্ধু বা পরিবারের কাউকে সঙ্গী করে হাঁটলে অভ্যাস তৈরি হয় দ্রুত

---

🔚 উপসংহার

এই গবেষণা আবারও স্মরণ করিয়ে দেয় যে, সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজন শুধু সচেতনতা ও অভ্যাস গড়ে তোলা। প্রতিদিনের হালকা হাঁটা—যা খুব সহজ, ব্যয়বিহীন ও ঝুঁকিহীন—আমাদের হৃদয়, মস্তিষ্ক, মন এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে অসামান্য ভূমিকা রাখতে পারে।

তাই যাঁরা এখনো হাঁটাকে গুরুত্ব দেন না, তাদের জন্য এখনই সময় নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হওয়ার। ৭,০০০ ধাপ হাঁটা মানেই সুস্থ জীবনের দিকে এক বড় পদক্ষেপ।

---

তথ্যসূত্র:
গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে The Focal Points ওয়েবসাইটে। বিস্তারিত জানতে পড়ুন:
🔗

Landmark meta‑analysis of nearly 1 million people finds walking reduces death risk by almost half and protects against many major diseases.

05/08/2025

বিচিত্র বিচার

কপিল সিব্বল, অভিষেক মনু সিংভি, রাম জেঠমালানি, ফলি এস নরিম্যান, হরিশ সালভে কিংবা মুকুল রোহতগির মতো বিশিষ্ট আইনজীবীরা যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তারা নিঃসন্দেহে বিচারপতি পদে অধিষ্ঠিত হতে পারতেন। কিন্তু তারা বিচারপতি হতে চাননি, কারণ আইনজীবী হিসেবে তারা এতটাই সফল এবং প্রভাবশালী যে বিচারপতির পদ তাদের কাছে হয়তো সীমাবদ্ধতা মনে হয়েছে। একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তারা যে সম্মান, স্বাধীনতা এবং আর্থিক সাফল্য অর্জন করেন, তা বিচারপতি হিসেবে পাওয়া কঠিন।

এখন প্রশ্ন হলো, আপনি সুপ্রিম কোর্টের কতজন বিচারপতির নাম জানেন? হয়তো প্রধান বিচারপতির নাম জানেন, কিন্তু ৩৪ জন বিচারপতির মধ্যে হয়তো তিনজনের নামও আপনি ওয়েবসাইট না দেখে বলতে পারবেন না। অথচ কপিল সিব্বল বা রাম জেঠমালানির নাম সবাই জানে—সাধারণ মানুষ থেকে মিডিয়া পর্যন্ত। এর কারণ স্পষ্ট—এই সব প্রখ্যাত আইনজীবীরা শুধু আইনি দক্ষতায় নয়, জনপ্রিয়তাতেও বিচারপতিদের ছাপিয়ে গেছেন।

আমরা যদি হাইকোর্টের দিকে তাকাই, দেখা যায়, যখন কোনো অভিজ্ঞ আইনজীবী—যেমন বিকাশ ভট্টাচার্য—আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন, তখন বিচারপতিরাও ভেবে নেন যে তিনি যখন কিছু বলছেন, তাতে নিশ্চয়ই যুক্তি ও আইনের শক্ত ভিত্তি আছে। বিচারপতিরা অনেক সময় সেই যুক্তির ওজন বুঝে রায় দেন। এইভাবেই অভিজ্ঞতা ও খ্যাতি অনেক সময় রায়কে প্রভাবিত করে।

এই পরিস্থিতি থেকে পরিষ্কার বোঝা যায়, ন্যায়বিচার অনেক সময় ক্ষমতাবানদের জন্য এক ধরনের সুবিধায় পরিণত হয়। যাদের পক্ষে টাকার জোর আছে, তারা উচ্চমানের আইনজীবী নিয়োগ করে আইনি লড়াইকে নিজেদের অনুকূলে নিয়ে আসতে পারেন। অন্যদিকে সাধারণ মানুষ বারবার স্থগিত আদেশ, অতিরিক্ত মামলা খরচ এবং বিচারব্যবস্থার উদাসীনতার জালে জড়িয়ে পড়ে।

ফলে ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা নষ্ট হয়। গণতন্ত্রের ভিত্তি যেখানে আইন ও ন্যায়বিচার, সেই ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়ে এই বৈষম্যের কারণে। আইনের চোখে সবাই সমান—এই নীতির বাস্তব প্রয়োগ না হলে গণতান্ত্রিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

04/08/2025

🏥 AIIMS KALYANI-তে (কল্যাণী এমস) রোগী দেখানোর নিয়মে পরিবর্তন – এখন সরাসরি গিয়েই চিকিৎসা করানো যাবে!

তারিখ: ২২ জুলাই ২০২৫
স্থান: AIIMS, Kalyani

কল্যাণীর এই বিশ্বমানের হাসপাতালে রোগীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। এখন আর নির্দিষ্ট কিছু বিভাগের জন্য অনলাইনে বুকিং করার প্রয়োজন নেই — সরাসরি গিয়ে লাইনে দাঁড়ালেই সেইদিনই চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়া যাবে।

---

✅ যেসব বিভাগে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই সরাসরি দেখানো যাবে:

1. চক্ষু (Ophthalmology)

2. হৃদরোগ (Cardiology)

3. মানসিক স্বাস্থ্য (Psychiatry)

4. শিশু বিভাগ (Pediatrics)

5. হাড়-সংক্রান্ত চিকিৎসা (Orthopedics)

6. স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি (Obstetrics and Gynecology)

7. সাধারণ সার্জারি (General Surgery)

8. নাক-কান-গলা (ENT)

9. দন্ত চিকিৎসা (Dentistry)

10. পোড়া ও প্লাস্টিক সার্জারি (Burns and Plastic Surgery)

⏰ সময়: সোমবার থেকে শুক্রবার, সকাল ৬টা থেকে ৭টা-র মধ্যে গিয়ে টিকিট সংগ্রহ করলে একই দিনে চিকিৎসা করানো যাবে।
📄 সঙ্গে কী কী লাগবে:

রোগীর আধার কার্ড (অরিজিনাল)

একটি ফোন নম্বর

📝 অফিসিয়াল কাগজে সকাল ১০টা বলা থাকলেও, এত দেরিতে গেলে সাধারণত টিকিট পাওয়া সম্ভব হয় না। তাই সকালেই পৌঁছানো শ্রেয়।

---

🔁 অন্য যেসব বিভাগে এখনো অনলাইন বুকিং প্রয়োজন:

যেসব বিভাগে সরাসরি দেখা যাচ্ছে না, সেখানে চিকিৎসা করাতে হলে ফোনে বুকিং করতে হবে।

📞 নতুন হেল্পলাইন নম্বর: 033-2951-6005
এই নম্বরে ফোন করে নাম নথিভুক্ত করে নির্ধারিত দিনে চিকিৎসা করাতে যেতে হবে।

---

💸 চিকিৎসা খরচ ও সুবিধাসমূহ:

OPD ফি: মাত্র ১০ টাকা
(একবার নাম নথিভুক্ত করলে পুরো এক বছরের জন্য তা প্রযোজ্য)

বেড চার্জ: প্রতিদিন মাত্র ৩৫ টাকা

খাবার: বিনামূল্যে

রক্ত, ECG, EEG সহ বিভিন্ন পরীক্ষাও বিনামূল্যে বা অত্যন্ত কম খরচে করানো যায়।

---

📢 আপনার পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের এই তথ্য জানান। এটি সম্পূর্ণভাবে জনসেবামূলক প্রচার। সাধারণ মানুষ যাতে সহজে এবং সাশ্রয়ে চিকিৎসা পায়, এটাই এর উদ্দেশ্য।

🙏 মানবিক দিক থেকে সকলকে এই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ রইল।

04/08/2025

🔐 শপিং মলে মোবাইল নম্বর শেয়ার করা বাধ্যতামূলক নয় – জানুন আপনার অধিকার

শপিং করার পর যখন আপনি বিলিং কাউন্টারে যান, অনেক সময় সেখানে কর্মীরা আপনাকে মোবাইল নম্বর জানানোর জন্য অনুরোধ করেন। তাঁদের ভঙ্গিমা দেখে অনেকেই মনে করেন, বিল পেতে হলে নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবটা তা নয়।

মোবাইল নম্বর শেয়ার করা আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ, আইনত আপনাকে কেউই বাধ্য করতে পারে না এটি জানাতে। সচেতন গ্রাহক হিসেবে আপনি স্পষ্ট জানিয়ে দিতে পারেন যে আপনি আপনার মোবাইল নম্বর দিতে ইচ্ছুক নন।

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক শপিং মল বা বড় দোকান মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে পরে সেই তথ্য বড় অঙ্কের বিনিময়ে তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রি করে দেয়। এর ফলেই আপনি প্রায়শই অজস্র অবাঞ্ছিত কল, এসএমএস বা প্রতারণামূলক প্রস্তাব পেতে শুরু করেন।

আজকের দিনে মোবাইল নম্বর শুধু কথোপকথনের মাধ্যম নয় — সেটি আপনার আধার নম্বর, প্যান কার্ড এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সঙ্গেও সংযুক্ত। তাই এই নম্বরটি যখন তৃতীয় কারও হাতে পৌঁছায়, তখন আপনার ব্যক্তিগত সুরক্ষা ঝুঁকিতে পড়ে।

শুধু তাই নয়, শপিং মলের পক্ষ থেকে যে কোনও ছাড় বা অফার আপনার বিল নম্বরের ভিত্তিতেও প্রদান করা যায়। সেজন্য মোবাইল নম্বর আদান-প্রদান অপরিহার্য নয়। কিন্তু অনেক সময় ‘সদিচ্ছা’র বদলে ব্যবসায়িক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়, যার ফলভোগী হন আপনি।

তাই সচেতন থাকুন, নিজের তথ্যের সুরক্ষার দায়িত্ব নিজেই নিন।
এই তথ্য অন্যদের সঙ্গেও ভাগ করুন – জনস্বার্থে প্রচারিত।

02/07/2025

♦️ উচ্চ মাধ্যমিক রেজাল্ট বেরিয়েছে 2 মাস, সেন্ট্রালাইজড অ্যাডমিশন পোর্টাল নিয়ে কি চলছে সবাই জানেন, মূলত ওবিসি নিয়ে! কাল হঠাৎ করে আবার পোর্টাল এর কাজকর্ম ( ফেজ - ওয়ান ) দেখলাম 15 দিন বাড়িয়েছে! ডেপুটি সেক্রেটারি অর্ডার বের করে দিলেই হলো! কবে অ্যাডমিশন শেষ হবে, কবে ক্লাস, কবে সেমিস্টার সে হিসাব কেউ রাখে না! মেরে দিলাম অর্ডার!

♦️ কলেজ ইউনিভার্সিটি গুলোর ( বিশেষ করে কলেজ ) অ্যাডমিশন এর খোঁজ খবর নিয়ে দেখেছেন কি অবস্থা? 60 টা সিট কোনো সাবজেক্ট এর অনার্স এ আবেদন করেছে মেরেকেটে 10 জন! সোশ্যাল সায়েন্স সাবজেক্ট গুলোর অবস্থা ভয়াবহ! ইভেন ফিজিক্স কেমিস্ট্রি ম্যাথ অনার্স লোকজন ভর্তি হচ্ছে না! অদ্ভুত এক পরিস্থিতি!

♦️ এদিকে WBJEE এর রেজাল্ট সরকার বের করছে না, হাজার ছেলেমেয়ে বসে আছে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বে বলে! নাহলে সে অনার্স পড়বে! কিন্তু সেটাও ঝুলিয়ে রাখা আছে! সেই ওবিসি নিয়ে! কেউ জানে না, এই শিক্ষা দপ্তর চলছে কিভাবে! মন্ত্রী তো অফিস এই যান না, বহুদিন হলো, সূত্রের খবর! গিয়েই বা কি করবেন!

♦️ আগামী 4 তারিখ থেকে ডি এল এড এর অ্যাডমিশন শুরু, প্রাইমারি বোর্ড জানিয়েছে! ওদিকে প্রাইমারি 32 হাজার এর চাকরি ঝুলছে, নতুন কারো চাকরি দিতে পারবে বলে আমার মনে হয়না! তাই এই ডি এল এড করে লাভ কি? বছরের পর বছর? ঠিকভাবে নিয়োগ নাহলে? যারা করতে যাবেন ভাবছেন ভেবে যান!

♦️ জেনারেল ডিগ্রি কলেজ গুলোর এই অবস্থা হলে সরকার এরপর কলেজ সার্ভিস কমিশন এর নিয়োগ করবে কেনো? একটা কলেজে হিস্ট্রি অনার্স এর স্টুডেন্ট 10 জন, টিচার 5 জন! দরকার কি! লাইন আপ ঠিক ই আছে! পুরো কলেজ সিস্টেম শেষ, কেউ ভর্তি হবে না আরও 2 -3 বছর পর! যে সব টিচার কলেজ স্টুডেন্ট দের টিউশন পড়াতেন তাদের খবর নিয়ে দেখবেন!

♦️ মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল গুলোর অবস্থা সবাই জানেন! আমি এর আগেও লিখেছিলাম, আগামী 5 বছরে এই স্কুল গুলোর টিচার নিয়োগ পিপিপি মডেলে যাবে. এটাই ভবিষ্যৎ, এবার আপনি আন্দোলন করে আটকাতে পারলে আটকান. নাহলে একের পর এক স্কুল বন্ধ হবে. স্কুল গুলোতে কোম্পানি মারফত ( পিপিপি মডেল ) টিচার নিয়োগ করে ভোকেশনাল গুলো চলছে তো, আসতে আসতে ওদিকেই যাবে. আগামীদিনে একটা এসএসসি ফ্রেশ ভাবে হয়ে নিয়োগ দেওয়া দুষ্কর হয়ে উঠবে, যেখানে গিয়ে দাঁড়িয়েছে সব!

♦️ তাহলে এতজন মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক দিয়ে করছে কি! দেখুন স্কিল এর যুগ এটা, সেই প্যারা মেডিকেল আর স্কিল কোর্স এর রমরমা. স্কিল ইন্ডিয়া স্কিম চলছে! যারা মধ্য মেধার বা আরও কম, তাদের কে আমি বলব, এগুলোই করতে, যদিও করছেও তাই. যাদের মেধা বেশি বা কম কিন্তু বাড়ির অর্থনৈতিক সাপোর্ট আছে, তারা রাজ্যে/ দেশে বা বিদেশে এমবিবিএস পড়তে যাচ্ছে! সেটাও কতদিন কে জানে! ডাক্তার দের নিয়োগ ও বন্ধ বেশ কয়েক বছর!

♦️ এই কারণে প্রাইভেট প্যারা মেডিকেল কলেজ গুলোতে বা আইটিআই গুলোতে ভর্তির বাজার বেশ বাড়ছে, লোকজন বুঝতে পারছে, আরও দ্রুত বুঝতে পারলে আরও ভালো. জেনারেল ডিগ্রি করে চাকরি নেই, কি করবে সে! নাহলে মধ্য বা নিম্ন মেধার স্টুডেন্ট রা আরও সমস্যায় পড়বে! আমি খুব শর্ট এ পুরো শিক্ষার অবস্থা নিয়ে লিখলাম,এইসব নিয়ে লোকজন কম লেখে! এগুলো নিয়ে কখনও প্রাইম টাইম নিউজে বিতর্ক সভা হয়না! হবেও না, মিডিয়া জানে মানুষ কোনটা খায়!

সাগির হুসেন

Address

Chakdaha And Bongaon
Bangaon
741235

Telephone

+919432541854

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ujjwal SIR Physics posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ujjwal SIR Physics:

Share