Niloy Agriculture & Housing Society

Niloy Agriculture & Housing Society (ফুড সাপ্লিমেন্ট )
সম্পুরক খাবার পথ্য নয়, আজীবন সুস্থ্য থাকার জন্য গ্রহণ করুন
সুস্থ্য থাকুন বিনিয়োগ করুন হালাল পন্থায়।

আমি মো মসিউল ইসলাম রুবেল (মাস্টার)

বিএ (ডিএলআইএস), এল. এল.বি (সম্মান) এমএ

সভাপতি বাংলাদেশ কৃষকলীগ গলাচিপা উপজেলা শাখা

সহকারী শিক্ষক, নলুয়াবাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়

ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নিলয় কসমেটিকস অ্যান্ড ভ্যারাইটিস স্টোর

নিলয় এন্টারপ্রাইজ, সদর রোড, গলাচিপা পৌরসভা, পটুয়াখালি

নির্বাহী পরিচালক, আমির হামজা ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস, মিরপুর -১, ঢাকা

জিলহজ মাস শুরুর আগেই নখ-চুল ইত্যাদি কেটে পরিচ্ছন্ন হই!জিলহজ মাস শুরু হওয়ার পর চুল-নখ ইত্যাদি না কাটার নির্দেশনা রয়েছে। এ...
16/05/2026

জিলহজ মাস শুরুর আগেই নখ-চুল ইত্যাদি কেটে পরিচ্ছন্ন হই!

জিলহজ মাস শুরু হওয়ার পর চুল-নখ ইত্যাদি না কাটার নির্দেশনা রয়েছে। এই সুন্নত আমলটির মাধ্যমে আমরা অজস্র সওয়াব হাসিল করতে পারি ইনশাআল্লাহ। তাই প্রত্যেকেই চেষ্টা করি জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার আগেই চুল-নখ ইত্যাদি কেটে পরিচ্ছন্ন হয়ে নিই। পরিবারের ছোট-বড় সবাইকে উক্ত আমলে অংশীদার করি।

বাংলাদেশে চুল-নখ কাটার শেষ সময়:
---------------

📅 সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ — সূর্যাস্তের আগে

এদিন জিলকদ মাসের ২৯ তারিখ। সোমবার সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সোমবার সূর্যাস্তের আগেই আমরা প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতার কাজগুলো সেরে ফেলব।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

কেউ যদি কুরবানি দিতে চায়, তাহলে জিলহজ মাস আসার পর যেন সে আর তার নখ-চুল না কাটে। [মুসলিম শরীফ, হাদীস ৫২৩৩]

আরেকটি হাদীসে আছে, একজন সাহাবী একবার হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জানতে চেয়েছেন:

‘আমার একটি মাত্র দুধের বকরি আছে। আমি কি তা কুরবানি করে দেব?’

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‘না, তুমি বরং তোমার নখ-চুল কাটো, গোফ ছোট করো আর লজ্জাস্থানের লোম পরিস্কার করো। আল্লাহ পাকের নিকট এটাই তোমার কুরবানির পূর্ণতা হিসেবে বিবেচিত হবে।’

[আবু দাউদ, হাদীস : ২৭৯১]

ঈদের দিন কখন চুল-নখ ইত্যাদি কাটা যাবে?
------------------

উপরের দুটি হাদীসের আলোকে যারা কুরবানি দেবে এবং যারা দেবে না, সকলের জন্যেই এক কথা। তারা জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেলে আর নখ-চুল কাটবে না। যারা কুরবানি দেবে তারা কুরবানি করার পর কাটবে, আর যারা কুরবানি দেবে না তারা ঈদের নামাজ শেষে যখন কুরবানি করার সময় হয় তখন কাটবে।

হজপালনরত ভাগ্যবানদের জন্যে ক্ষণে ক্ষণে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে যে রহমত নাজিল হতে থাকে, কুরবানি ও এর পূর্বে দশদিন নখ-চুল কাটা থেকে বিরত থেকে তাদের সঙ্গে সামান্য সাদৃশ্য অবলম্বন করে আশা করা যায় সে রহমত কিছুটা হলেও আমাদের ভাগ্যে জুটবে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন। লেখাটি আপনার পরিচিতদের মাঝে ছড়িয়ে দিন। যেন তাদের সওয়াবের অংশও আপনি পেয়ে যান!

13/05/2026

হাউজিং ও রিয়েল এস্টেট ব্যাবসার জন্য কয়েক জন পার্টনার আবশ্যক। আগ্রহীরা ম্যাসেনজারে বা কমেন্টে জানাতে পারেন।

আইয়ামে বীজের রোজাবাংলাদেশে চলতি জ্বিলকদ মাসের আইয়ামে বীজের রোজা রাখতে হবে নিচের দিনগুলোতে:তারিখ: ২, ৩ ও ৪ মে  ২০২৬ (শনি...
27/04/2026

আইয়ামে বীজের রোজা

বাংলাদেশে চলতি জ্বিলকদ মাসের আইয়ামে বীজের রোজা রাখতে হবে নিচের দিনগুলোতে:

তারিখ: ২, ৩ ও ৪ মে ২০২৬ (শনিববার,রবিবার ও সোমবার )

শেয়ার করুন।

✅ আসসালামু আলাইকুম আপনি কি ক্যা*ন্সা*রে*র মত ভয়াবহ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধে চিন্তিত !! 😳তাহলে করোসল পাতা হতে পারে আপনা...
03/04/2026

✅ আসসালামু আলাইকুম
আপনি কি ক্যা*ন্সা*রে*র মত ভয়াবহ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধে চিন্তিত !! 😳
তাহলে করোসল পাতা হতে পারে আপনার জন্য একটি বিশেষ প্রতিষেধক!!❤️
যদি কেউ অর্ডার করতে চান সরাসরি হটসআ্যপ,মেসেনজার কল দিতে হবে।
যেটা আপনারা পেয়ে যাবেন Niloy Agriculture &Housing Society এই পেইজে।করোসল পাতায় রয়েছে :- ক্যা*ন্সা*র কোষ দমনে ও প্রতিরোধী বিশেষ উপাদান যা গবেষণায় প্রমাণিত। এছাড়াও এই ফলে হাড়ের সমস্যা, ইউরিক অ্যাসিডের সমস্য, এনার্জি বাড়াতে,সর্দি কাশি সহ বহু রোগের প্রতিকার ।
🌳করোসল গাছের পাতা, অবিশ্বাস্যভাবে প্রাকৃতিক ক্যা*ন্সা*র কোষ প্রতিরোধী। অন্যদিকে, করোসল পাতাগ্রহণে কেমোথেরাপির মতো চুল পড়ে না, উপরন্তু ক্যান্সার কোষ দমনকারী। প্রচলিত মেডিক্যাল চিকিৎসা সেবার মতো ক্যা*ন্সা*র প্রতিরোধে এই পাতায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই নেই।প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে।
তাই করোসল পাতা অর্ডার করতে আজই যোগাযোগ করুন
📣যারা পাতা নিতে চান আপনাদেরও হোম ডেলিভারি অ্যাড্রেসে দিন সারা বাংলাদেশে দেওয়া সম্ভব |
Whatsapp Contact : ০১৭৪৩০৬৬৩৭২
🔸পাতা 🌿
☣ 15 দিনের জন্য পাতা 500 ৳
☣ 20 দিনের জন্য পাতা600 ৳
☣ 30 দিনের জন্য পাতা 800 ৳
☣ 45 দিনের জন্য পাতা 1100 ৳ (ডেলিভারি চার্জ ফ্রী)
☣ 60 দিনের জন্য পাতা 1200 ৳ (ডেলিভারি চার্জ ফ্রী)...............................................
কমপক্ষে ৫০০ টাকার পাতা অর্ডার দিলে কুরিয়ার চার্জ ফ্রি ।

29/03/2026

শাওয়ালের রোযার গুরুত্ব।

মহান রাব্বুল আলামীন পবিত্র কালামে মাজীদে বলেন,

إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِندَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِى كِتٰبِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالْأَرْضَ

-আল্লাহ যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিনের ঠিক করা নিয়মে আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারোটি। (সূরা তাওবা, আয়াত-৩৬)

এই বারোটি মাসের মধ্যে অন্যতম মাস হচ্ছে শাওয়াল মাস। এই মাসে মুমিনদের কিছু বিশেষ করণীয় রয়েছে। সংক্ষেপে সেগুলো আলোকপাত করব ইনশাআল্লাহ।

এই মাসের প্রথম যে রাত আমাদের নিকটে আসে তা ঈদুল ফিতরের রাত। দীর্ঘ এক মাস সংযমের পর আমরা এ রাতটি আনন্দ ফূর্তিতে কাটিয়ে দেই অনেকে। কিন্তু এই রাতটি অনেক ফযীলতপূর্ণ একটি রাত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: “مَنْ قَامَ لَيْلَتَيِ الْعِيدَيْنِ مُحْتَسِبًا لِلَّهِ لَمْ يَمُتْ قَلْبُهُ يَوْمَ تَمُوتُ الْقُلُوبُ “.

-যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে ইবাদাত করবে তার অন্তর ঐ দিন মরবে না, যে দিন অন্তরসমূহ মরে যাবে। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ১৭৮২)

তাই ঈদের রাতে আনন্দ ফূর্তিতে কাটিয়ে না দিয়ে আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকা আমাদের উচিত।

অতঃপর এই মাসে আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ করণীয় হচ্ছে; এই মাসে ছয়টি রোযা রাখা। সহীহ মুসলিম, তিরমিযীসহ নানা কিতাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি হাদীস বর্ণিত আছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: “مَنْ صَامَ رَمَضَانَ، ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ فَذَلِكَ صِيَامُ الدَّهْرِ “

-যে ব্যক্তি রামাদান মাসে রোযা পালন করল, তারপর শাওয়াল মাসের ছয় দিন রোযা পালন করল, সে লোক যেন সম্পূর্ণ বছরই রোযা পালন করল। (তিরমিযী, হাদীস নং ৭৫৯)

এই হাদীসের ব্যাখ্যায় দুটি বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই। ১. শাওয়ালের ছয়টি রোযার হুকুম কী? ২. ছয়টি রোযা কি রামাদানের সাথে মিলিয়ে রাখতে হবে? নাকি শাওয়ালের যেকোনো দিন রাখলেই চলবে?

১. শাওয়ালের ছয়টি রোযার হুকুম কী? এর জবাবে সহীহ মুসলিমের শরহে নববী থেকে কিছু বক্তব্য উদ্ধৃত করছি-

فيه دلالة صريحة لمذهب الشافعي وأحمد وداود وموافقيهم في استحباب صوم هذه الستة.

-ইমাম নববী (র.) বলেন, ইমাম শাফিঈ, আহমদ ও দাউদ জাহেরী (র.) এর মতে এই ছয়টি রোযা রাখা মুস্তাহাব। (শরহু সহীহ মুসলিম লিন নববী, ১১৬৪ নং হাদীসের ব্যাখ্যা)

শরহু সহীহ মুসলিম লিন নববী এবং তুহফাতুল আহওয়াযী গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইমাম আবূ হানীফা, ইমাম মালিক ও ইমাম আবূ ইউসুফ (র.) এর নিকট এ ছয়টি রোযা মাকরূহ। বস্তুত তা সঠিক নয়।

ইমাম কাসিম ইবনে কুতলুবুগা (র.) তাঁর تحرير الأقوال في صوم الست من شوال কিতাবের মধ্যে প্রমাণ করেছেন যে, ইমাম আবূ হানীফা ও ইমাম আবূ ইউসুফ (র.) এর মাযহাবও ইমাম শাফিঈ ও আহমদের মতো। তাদের নিকটেও এ রোযাগুলো রাখা মুস্তাহাব। ইলম পিপাসু বন্ধুগণ কাসিম ইবনে কুতলুবুগা (র.) এর কিতাবখানা দেখতে পারেন।

২. ছয়টি রোযা কি রামাদানের সাথে মিলিয়ে রাখতে হবে? নাকি শাওয়ালের যেকোনো দিন রাখলেই চলবে?

ইমাম মুহিউস সুন্নাহ (র.) বলেন, قد استحب قوم صيام ستة أيام من شوال و المختار أن يصومها في أول الشهر متتابعة

-একদল আলিম শাওয়ালের যেকোনো দিন এই ছয়টি রোযা রাখা মুস্তাহাব মনে করেন। কিন্তু পছন্দনীয় মত হচ্ছে রামাদানের সাথে মিলিয়ে শাওয়ালের প্রথম দিকে রাখা। তবে মাঝে ঈদের দিন ব্যতীত। (মিরকাতুল মাফাতিহ ৪/১৪১৬)

ইমাম ইবনুল মুবারক (র.)ও এই মতের পক্ষে। তিনিও শাওয়ালের প্রথম দিকে রামাদানের সাথে মিলিয়ে রাখাকে মুস্তাহাব মনে করেন। তবে কেউ যদি শাওয়াল মাসে বিক্ষিপ্তভাবে এই ছয়টি রোযা রাখেন তাহলে তিনি তা জায়িয মনে করেন। ইমাম তিরমিযী তাঁর বক্তব্য উল্লেখ করেন,

وَاخْتَارَ ابْنُ الْمُبَارَكِ أَنْ تَكُونَ سِتَّةَ أَيَّامٍ فِي أَوَّلِ الشَّهْرِ. وَقَدْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ أَنَّهُ قَالَ: إِنْ صَامَ سِتَّةَ أَيَّامٍ مِنْ شَوَّالٍ مُتَفَرِّقًا فَهُوَ جَائِزٌ. (سنن الترمذي، ٨٥٩

ইমাম নববী (র.) বলেন,

قال أصحابنا: والأفضل أن تصام الستة متوالية عقب يوم الفطر، فإن فرقها أو أخرها عن أوائل شوال إلى أواخره حصلت فضيلة المتابعة؛

-আমাদের মনীষীদের মতে, উত্তম হচ্ছে ঈদুল ফিতরের পরের ছয় দিন পরপর রোযাগুলো রাখা। তবে যদি বিরতি দিয়ে দিয়ে রাখে বা মাসের শেষে রাখে তাহলেও ‘রামাদানের পরে’ রোযা রাখার ফযীলত পাওয়া যাবে। কারণ সব অবস্থায়ই বলা যায়, রামাদানের পরে শাওয়ালের ছয় রোযা রেখেছে। (শরহুল মুসলিম লিন-নববী)

ফকীহুল আহনাফ মুল্লা আলী কারী (র.) রামাদানের সাথে না মিলিয়ে বিক্ষিপ্তভাবে রাখাকে মুস্তাহাব বলেছেন। এমনই ইমাম আবূ ইউসুফ (র.)ও বিচ্ছিন্নভাবে রাখাকে প্রাধান্য দেন। (মাআরিফুস সুনান)

সুতরাং বুঝা গেল শাওয়ালের যেকোনো দিন এই ছয়টি রোযা রাখলে তা মুস্তাহাব হবে। সে রামাদানের সাথে মিলিয়ে রাখুক বা বিক্ষিপ্তভাবে রাখুক। কিন্তু অধিকাংশ আহনাফের মতে, বিক্ষিপ্তভাবে রাখা উত্তম। আল্লাহু আ’লাম।

রামাদানের সাথে শাওয়ালের ছয়টি রোযা রাখলে সম্পূর্ণ বছর রোযা রাখার সাওয়াব পাওয়ার কথা হাদীসে বলা হয়েছে। তো রামাদানের সাথে এই ছয়টি রোযা রাখলে সম্পূর্ণ বছর রোযা রাখার সাওয়াব কীভাবে পাওয়া যায়? এর ব্যাখ্যা ইমাম মুল্লা আলী কারী (র.), ইমাম নববী (র.)সহ অনেক ইমামই তাদের কিতাবে উল্লেখ করেছেন। তারা বলেন প্রতিটি আমলের জন্য উম্মতে মুহাম্মদীকে ১০ গুণ সাওয়াব দেওয়া হয়। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন, مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا -যে একটি সৎকর্ম করবে, সে তার দশগুণ পাবে। (সূরা আনআম, আয়াত-১৬০)

এখন রামাদানের ৩০টি রোযার সাথে শাওয়ালের ছয়টি যোগ করলে হয় ৩৬টি। এখন ৩৬টি রোযাকে ১০ গুণ সাওয়াব দ্বারা গুণ দিলে হবে ৩৬০। সুতরাং এই ৩৬টি রোযা রাখলে চন্দ্র মাস অনুযায়ী সারা বছরের সাওয়াব পাওয়া যাবে।

এছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও হাদীসের মধ্যে এই ৩৬টি রোযা রাখলে কিভাবে সারা বছরের সাওয়াব পাওয়া যায় এর একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

عَنْ ثَوْبَانَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: “صِيَامُ شَهْرٍ بِعَشَرَةِ أَشْهُرٍ، وَسِتَّةِ أَيَّامٍ بَعْدَهُنَّ بِشَهْرَيْنِ، فَذَلِكَ تَمَامُ سَنَةٍ “.

-রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, রামাদানের এক মাসের রোযা দশ মাসের রোযার সমান। এবং পরের (শাওয়ালের) ছয়টি রোযা দুই মাসের রোযার সমান। সুতরাং এই হলো পূর্ণ এক বছরের রোযা। (সুনানে দারামী, হাদীস নং ১৭৯৬)

সুতরাং রামাদানের সাথে শাওয়ালের ছয়টি রোযা রাখলে সম্পূর্ণ বছর রোযা রাখার সাওয়াব পাওয়া যাবে।

হযরত হাসান বসরী (র.) এর নিকটে যখন শাওয়ালের ছয় দিনের রোযার কথা আলোচনা করা হতো, তখন তিনি বলতেন,

وَاللهِ لَقَدْ رَضِيَ اللهُ بِصِيَامِ هَذَا الشَّهْرِ عَنِ السَّنَةِ كُلِّهَا.

-আল্লাহর কসম! নিশ্চিত আল্লাহ এই মাসের রোযার ওসীলায় সারা বছরের জন্য সন্তুষ্ট হয়ে গেছেন। (তিরমিযী, হাদীস নং ৭৫৯)

শাওয়াল মাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ করণীয় হচ্ছে, যারা হজ্জে যাওয়ার ইরাদা করেছেন তারা এই মাস থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন। কেননা শাওয়াল থেকেই হজ্জের মওসুম শুরু হয়ে যায়। ইবনে উমর (রা.) বর্ণনা করেন,

وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا: أَشْهُرُ الْحَجِّ: شَوَّالٌ وَذُو الْقَعْدَةِ وَعَشْرٌ مِنْ ذِي الْحَجَّةِ، (صحيح البخاري، كِتَابُ الْحَجِّ، بَابُ قَوْلِ اللهِ تَعَالَى: الْحَجُّ أَشْهُرٌ مَعْلُومَاتٌ

-হজ্জের মাস হচ্ছে, শাওয়াল, যুলকায়দাহ ও যুলহাজ্জাহ মাসের প্রথম দশক। সুতরাং শাওয়াল থেকেই হজ্জের প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।

শাওয়াল মাসের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ করণীয় হচ্ছে, যাদের রামাদানে রোযা কাযা হয়েছে; বিশেষত মহিলাদের হায়িযের কারণে যেসব রোযা কাযা হয়েছে তাদের সেসব রোযা শাওয়াল মাসেই আদায় করে নেওয়া। কেননা ফরয রোযা যা কাযা হয়েছে তা ঝুলিয়ে রাখা উচিত নয়। যদি আপনি তা আদায় করতে দেরি করেন আর মৃত্যু চলে আসে তবে অবশ্যই আপনি সেই সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবেন। তবে চাইলে পরবর্তী রামাদান আসার পূর্ব পর্যন্ত আপনি কাযা আদায় করতে পারবেন। তবে তা শাওয়ালে আদায় করে নেওয়াই উত্তম। আল্লাহ তাআলা বলেন, فَمَن كَانَ مِنكُم مَّرِيضًا أَوْ عَلٰى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ أَيَّامٍ أُخَرَ

-তোমাদের মধ্যে যদি কেউ অসুস্থ হয় কিংবা সফরে থাকে (এবং এ কারণে তাকে নির্ধারিত দিনের রোযা ছাড়তে হয়) তাহলে সে অন্য (সময়ের) দিনগুলোতে রোযা রেখে (রোযার) সংখ্যা পূরণ করবে। (সূরা বাকারা, আয়াত-১৮৪)

আল্লাহ আমাদের সবাইকে শাওয়াল মাসের যাবতীয় করণীয় পালন করার তাওফীক দান করুন। আমীন।
✍️

চিচিঙ্গা কেন নিয়মিত খাবেন? প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় চিচিঙ্গা যোগ করলে শরীরের নানা উপকার পাওয়া যায়। কেন এটি নিয়মিত খাওয়া উ...
24/03/2026

চিচিঙ্গা কেন নিয়মিত খাবেন?

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় চিচিঙ্গা যোগ করলে শরীরের নানা উপকার পাওয়া যায়। কেন এটি নিয়মিত খাওয়া উচিত? দেখুন এর বিস্ময়কর গুণাবলি:

পেট ও হজমের জন্য:
চিচিঙ্গা হজম শক্তি বাড়ায়, পেটে গ্যাস, খিচুনি ও বদহজম কমাতে সাহায্য করে।

রক্ত ও হাড়ের জন্য উপকারী:
চিচিঙ্গায় থাকা ভিটামিন C, ক্যালসিয়াম ও লৌহ উপাদান রক্তস্বল্পতা দূর করে এবং হাড় শক্ত রাখে।

ইমিউনিটি বৃদ্ধি:
চিচিঙ্গা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ঠান্ডা-কাশি, ফ্লু ও সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

মানসিক ও শারীরিক সতেজতা:
চিচিঙ্গা খেলে ক্লান্তি কমে, মন সতেজ থাকে এবং শরীরের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

চর্ম ও চোখের স্বাস্থ্যে সহায়ক:
চিচিঙ্গার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে উজ্জ্বল রাখে এবং চোখের স্বাস্থ্যে সহায়তা করে।

অন্যান্য উপকারিতা:
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, হৃদরোগ প্রতিরোধে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

12/03/2026

বৃহস্পতিবার রাতে একাধারে ৭ বার দোয়াটি পড়ুন.!🤍🤲

"আর রাফিয়্যু" ইয়া রাফিয়্যু"।

👉 রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের ত'লায় তেল মালিশ করার জাদুকরী উপকারিতা! 🌿​আমাদের পায়ের পাতায় লুকিয়ে আছে পুরো শরীরের সুস্থতার চাব...
12/03/2026

👉 রাতে ঘুমানোর আগে পায়ের ত'লায় তেল মালিশ করার জাদুকরী উপকারিতা! 🌿
​আমাদের পায়ের পাতায় লুকিয়ে আছে পুরো শরীরের সুস্থতার চাবিকাঠি! রিফ্লেক্সোলজি অনুযায়ী, পায়ের তা'লুর বিভিন্ন পয়েন্টের সাথে আমাদের শরীরের ভেতরের অ'ঙ্গ-প্রত্যঙ্গে:র সরাসরি যো'গসূত্র রয়েছে। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে মাত্র ৫ মিনিট পায়ের তলা'য় হালকা গর'ম তেল মা'লিশ করলে শরীরের কোন অ'ঙ্গের কী উপকার হয়, চলুন ছবির সাথে মিলিয়ে জেনে নিই:

​🧠 মস্তিষ্ক (পায়ের বুড়ো আঙুলের ডগায়): সারাদিনের মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমে যায়। এটি স্নায়ুকে শান্ত করে, ফলে রাতে খুব গ'ভীর ও প্রশান্তির ঘুম হয়।

​👁️ 👂 চোখ এবং কান (আঙুলের নিচের অংশে): যারা সারাদিন মোবাইল বা কম্পিউটারে কাজ করেন, তাদের চোখের ক্লান্তি দূর করতে এটি দারুণ কাজ করে। পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণের সুস্থতা বজায় রাখে।

​🫁 🫀 ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ড (পায়ের পাতার উপরের অংশে): বু'কে র'ক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে। এটি শ্বাস-প্রশ্বাসের উন্নতি ঘটায় এবং হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

​🍲 পাকস্থলী ও অন্ত্র (পায়ের মাঝখানের ও নিচের অংশে): হজমশক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। যাদের গ্যাস, ব'দহজম বা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এই পয়েন্টে মালিশ করা খুবই উপকারী।

​🩸 কিডনি বা বৃ'ক্ক (পায়ের ঠিক মাঝখানে): কিডনির পয়েন্টে মালিশ করলে শরীরের ক্ষ"তিকর ট"ক্সিন বা ব'র্জ্য পদা'র্থ সহজে বের হয়ে যেতে সাহায্য করে।

​🦋 থাইর'য়েড ও অ'গ্ন্যাশয়: হরমো'নের সঠিক ভারসাম্য রক্ষায় এবং শরীরের এনার্জি লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

​🦴 হাড় ও জয়েন্ট: পায়ের বাইরের দিকের অংশে মালিশ করলে মেরুদণ্ড ও জয়েন্টের ব্যথা উপশম হয়।

​💡 কোন তেল মালিশ করবেন?
​সরিষার তেল: সবচেয়ে বেশি উপকারী! ২-৩ চামচ সরিষার তেলের সাথে এক বা দুই কোয়া রসুন ও সামান্য মেথি দিয়ে হালকা গরম করে নিন। এই তেল পায়ের তলায় মালিশ করলে শরীরের যেকোনো ব্যথা ও ক্লান্তি দ্রুত দূর হয়।
​নারকেল তেল বা তিলের তেল: গরমকালে বা ত্বক বেশি শুষ্ক থাকলে খাঁটি নারকেল তেল বা তিলের তেলও ব্যবহার করতে পারেন।
​✅ নিয়ম: রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে পা ভালো করে ধুয়ে মুছে শুকিয়ে নিন। এরপর তেল নিয়ে প্রতি পায়ে ২-৩ মিনিট হালকা হাতে আঙুলের ড'গা দিয়ে চা'প দিয়ে দিয়ে মালি'শ করুন।
​আজকের রাত থেকেই শুরু করুন আর সকালে উঠে ফ্রেশ অনুভব করুন! পোস্টটি শেয়ার করে আপনার কাছের মানুষদেরও এই সহজ স্বাস্থ্য টিপসটি জানার সুযোগ করে দিন। 👇

10/03/2026

কেও যদি লাইলাতুল "কদরের রাতে" আমল করতে চান এই নিয়মে করতে পারেন....

১. সন্ধ্যার পর টিভি বা মোবাইল দেখা থেকে বিরত থাকুন।
২. বেশি গরম অনুভব করলে গোসল করুন ও পরিস্কার পোষাক পরিধান করুন।
৩. কোরআন পড়তে পারলে ১২ টার আগ পর্যন্ত কোরআন পড়ুন।
৪. বেশি বেশি নফল ও হাজতের নামাজ পড়ুন এবং চেষ্টা করবেন সালাতুত তাসবীহ আদায় করে নিতে।
৪. বেশি বেশি দুরুদ পড়বেন। দরুদে ইব্রাহিম (কমপক্ষে ১০০ বার)
৫. সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি ( লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হাওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়িন কদির" ( কমপক্ষে ১০০ বার )
১০. সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।
১১. স্যায়েদুল ইস্তগফার পাঠ করবেন। (সেজদারত অবস্থায় ও পাঠ করবেন)
৯. "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।

আপনার প্রয়োজনের সব কিছু খুলে বলুন,

একটু চোখের পানি ফেলে বলুন, "মালিক, আমি আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছেই হাত পেতেছি.. খালি হাতে ফিরিয়ে দিবেন না... ইত্যাদি...

(চেষ্টা করবেন পুরো রাত ইবাদতের মধ্য দিয়ে কাটানোর)
৯. কাযা নাসায আদায় করার চেষ্টা করবেন (একদিনের হলেও)
১০. সাহরী করুন।
১১. ফজরের নামাজ আদায় করুন।
১২. চেষ্টা করুন আপনার সাধ্যমত দান করার।

উপরের কথা গুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার কথা শুনে এ আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমান সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ.!'🤍🤲

10/03/2026

মেহমান যদি মন ভরে খুশি মনে আপনার ঘর থেকে যায় আপনাকে একটা হজ্জ আর ওমরার সওয়াব দিবে আল্লাহ তাআলা।
সকলে বলি আলহামদুলিল্লাহ!!!

07/03/2026

দুইশো বার সূরা ইখলাস পড়তে কতো ঘন্টা লাগে জানেন? মাত্র দশ মিনিট! সর্বোচ্চ পনেরো মিনিট।
আজকে রাতে অবশ্যই পড়বেন। প্রতি রাতে পড়ার নিয়ত করলে তো আলহামদুলিল্লাহ্।

(সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত)
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন। (সুবহানআল্লাহ)

( সহীহুল বুখারীঃ ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ ১৪৬১ আহমাদঃ ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সাগীরঃ৬৪৭২)

Address

Galachipa
Patuakhali
8640

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Niloy Agriculture & Housing Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share