কর্জে হাসানা ম্যানেজমেন্ট - মহাদান ইউনিয়ন

কর্জে হাসানা ম্যানেজমেন্ট - মহাদান ইউনিয়ন কর্জে হাসানা ম্যানেজমেন্ট - মহাদান ইউনিয়ন

03/05/2023
12/12/2022

✍️জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য✍️
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

কপি-পেস্ট মডেলটি অনেকটা নোবেল বিজয়ী ডক্টর  মুহম্মদ ইউনুস এর ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের মত। পার্থক্য হল এই মডেল সুদমুক্ত এবং জাক...
20/07/2022

কপি-পেস্ট
মডেলটি অনেকটা নোবেল বিজয়ী ডক্টর মুহম্মদ ইউনুস এর ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের মত। পার্থক্য হল এই মডেল সুদমুক্ত এবং জাকাতের সিস্টেম থেকে অনুপ্রেরণাপ্রাপ্ত।

ইসলামি শরীয়াহসম্মত ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মডেলটি অনেকটা নোবেল বিজয়ী ডক্টর মুহম্মদ ইউনুস এর ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের
ইসলামি শরীয়াহসম্মত ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা ডা. আমজাদ সাকিব নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। পাকিস্তানের এ জনহিতৈষী দেশটির বৃহত্তম সুদ-মুক্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রোগ্রাম, আখুয়াতের প্রতিষ্ঠাতা। দারিদ্র্য বিমোচনে মানবিক কাজের জন্য তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। ২০২২ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য পুরো বিশ্ব থেকে ২৫১ ব্যক্তি এবং ৯২ সংস্থাসহ মোট ৩৪৩ জন প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন।

ডা. আমজাদ কিং এডওয়ার্ড মেডিকেল ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকের পর ১৯৮৫ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। সাত বছর পাঞ্জাব রুরাল সাপোর্ট প্রোগ্রাম, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্রঋণ উদ্যোগসহ বিভিন্ন উচ্চ-স্তরের সরকারি পদে কাজ করেছেন তিনি। সামাজিক সংহতি, সম্প্রদায় সংগঠন এবং দরিদ্রদের আর্থিক সুবিধার ব্যবস্থা করাই ছিল এসব প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

এক সময় তিনি উপলব্ধি করেন দরিদ্রদের চাহিদা পূরণের জন্য একটি বিকল্প পদ্ধতি প্রয়োজন। তাই তিনি সিভিল সার্ভিস থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং আখুয়াত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তার জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত নেন।
২০০৩ সালে সিভিল সার্ভিস থেকে পদত্যাগ করেন এবং একই বছর Akhuwat প্রতিষ্ঠা করেন ডা. আমজাদ। প্রায় দুই দশক সফলতার সাথে কার্যক্রম পরিচালনা করা আখুয়াত এখন শরীয়াহসম্মত ক্ষুদ্রঋণের একটি কার্যকর মডেল উপস্থাপন করেছে, যা খুবই টেকসই বলে প্রমাণিত হয়েছে।

বর্তমানে আখুয়াত পাকিস্তানের বৃহত্তম ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানিটি এ পর্যন্ত ৯০ কোটি ডলারের সমতুল্য সুদমুক্ত ঋণ বিতরণ করেছে। ঋণ পরিশোধের হার প্রায় ১০০ শতাংশ।
আখুয়াত ছাড়াও স্বেচ্ছায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যংকিং ও ফিন্যান্সের ক্ষেত্রে অনেক সুশীল সামাজিক সংস্থাকে সেবা দিয়ে থাকেন ডা. আমজাদ। র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার, কমনওয়েলথ পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি।আমজাদ সাকিব নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। পাকিস্তানের এ জনহিতৈষী দেশটির বৃহত্তম সুদ-মুক্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রোগ্রাম, আখুয়াতের প্রতিষ্ঠাতা। দারিদ্র্য বিমোচনে মানবিক কাজের জন্য তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

20/06/2022

বিষয়: "বাবা দিবসের" এক্স-রে (X-Ray) রিপোর্ট।

# বাবা দিবসের এক্স-রে রিপোর্ট:
এ রকম যে, পশ্চিমা যে দেশগুলো "বাবা" দিবসের জন্ম দিয়েছে বা জমজমাটভাবে এ দিবস পালন করছে খোলাসা কথা হলো তাদের দেশের প্রায় ৫০% লোকের বাবা অজ্ঞাত বা অপরিচিত বা তাদের বাবার সামাজিক স্বীকৃতি নেই।

# বৃদ্ধাশ্রম যাদের ঠিকানা:
আবার যাদের স্বীকৃতি রয়েছে সে সব বাবা মায়ের অনেকের ঠিকানা বৃদ্ধাশ্রমে। কাজেই বছরে ১দিন বাবা/মা দিবস উপলক্ষ্যে তাদেরকে সঙ্গে দেখা করতে ১তোড়া ফুল নিয়ে গেলেই হলো। এ জন্যই তাদের ১টি বাবা/ মা দিবসের বড্ড প্রয়োজন।

# বাবার পরিচয় নেই:
এমন ২০১৬ সালের ১টি জরিপ লক্ষ্য করি:
ফ্রান্স ৫৯.৭%, বুলগেরিয়া ৫৮.৬%, সুইডেন ৫৪.৯%, পর্তুগাল ৫২.৮%, নেদারল্যান্ড ৫০.৪%, বেলজিয়াম ৪৯%, বৃটেন ৪৭.৯%, হাঙ্গেরী ৪৬.৭%, স্পেন ৪৫.৯%, ফিনল্যান্ড ৪৪.৯%, আয়ারল্যান্ড ৩৬.৬%, জার্মানী ৩৫.৫%, ইতালী ২৮%, পোল্যান্ড ২৫%, ক্রোয়েশিয়া ১৮.৯%, গ্রীস ৯.৪% ইত্যাদি।
আমেরিকা আর ব্রিটিশ এর অবস্থা বোধ হয় এ রকমই হবে। এসব জাতির কাছে থেকে আমাদের সভ্যতা ভিক্ষা করে চলতে দেখলে লজ্জা পেতে হয়!

# বাবা দিবস কি?
বাবাকে কেন্দ্র করে বা বাবার উদ্দেশ্যে নিবেদিত অথবা বাবাকে শ্রদ্ধা জানানোর বিশেষ ১টি দিনকে বলা যায় "বাবা দিবস"।

# বাবা দিবস কবে পালিত হয়?
প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার "বাবা" দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সে হিসেবে গতকাল ১৯.০৬.২০২২ তারিখ ছিল বাবা দিবস।
সে কারণে অনেকে বাবা কে নিয়ে ফেস বুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

# বাবা দিবসের জন্ম কাহিনী?
১৯০৭ সাল থেকে "মা দিবস" পালিত হচ্ছে।
বাবা দিবস যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম চালু হয়েছে এবং এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি গল্প আছে:
সবচে' গ্রহণযোগ্য গল্পটি হলো, ওয়াশিংটনের "সোনোরা লুইস স্মার্ট" নামের ১জন ভদ্র মহিলা এ দিবসের জন্ম দেন।
"সোনোরা লুইস স্মার্ট" এর মা ৬নং সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে তার মা মারা যায়। ফলে তার বাবা একাই বাবার ভালোবাসা আর মায়ের স্নেহ দিয়ে তার গোটা পরিবারের সবাইকে বড় করেন।
সম্ভবত: ১৯০৯ সালে "সোনোরা" গির্জায় গিয়ে মা দিবসের কথা জানতে পারেন। তখন থেকে তার আইডিয়া জন্মালো, "বাবার" জন্যেও একটি বিশেষ দিবস থাকা দরকার।
স্থানীয় কিছু "ধর্মযাজক" তার এ আইডিয়াটির সাথে সহমত পোষণ করে।
সে হিসেবে ১৯১০ সালের ১৯শে জুন ১মবার বাবা দিবসটি পালন করা হয়, যা ছিল অনানুষ্ঠানিক।
এরপর ১৯৬৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট "লিন্ডন বি. জনসন" সিদ্ধান্ত নেন যে, প্রতি বছর "জুন মাসের ৩য় রোববার" "বাবা দিবস" হিসাবে পালন করা হবে।
এর ঠিক ০৬ বছর এর মাথায় প্রেসিডেন্ট "রিচার্ড নিক্সন" বাবা দিবসের আইনী স্বীকৃতি প্রদান করেন।

# ইসলামের বিধান:
শুধু জুন মাসের ৩য় রোববার নয় ইসলামে ৩৬৫ দিন বাবা, মা দিবস। ২৪ ঘণ্টা তাঁদের খেদমত করতে হবে।
মাতা পিতার হক্ক সংক্রান্ত আল কুরআনের আয়াত:
১. আল্লাহ তাআলা নিজের হক্বের সাথে সাথেই পিতা-মাতার হক্বের বিধান জারি করেছেন।
وَ قَضٰی رَبُّکَ اَلَّا تَعۡبُدُوۡۤا اِلَّاۤ اِیَّاہُ وَ بِالۡوَالِدَیۡنِ اِحۡسَانًا ؕ اِمَّا یَبۡلُغَنَّ عِنۡدَکَ الۡکِبَرَ اَحَدُہُمَاۤ اَوۡ کِلٰہُمَا فَلَا تَقُلۡ لَّہُمَاۤ اُفٍّ وَّ لَا تَنۡہَرۡہُمَا وَ قُلۡ لَّہُمَا قَوۡلًا کَرِیۡمًا ﴿۲۳﴾
তোমার রাব্ব নির্দেশ দিয়েছেন যে, তোমরা তিনি ছাড়া অন্য কারও ইবাদাত করবেনা এবং মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার করবে; তাদের একজন অথবা উভয়ে তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদেরকে বিরক্তিসূচক কিছু বলনা এবং তাদেরকে ভৎর্সনা করনা; তাদের সাথে কথা বল সম্মানসূচক নম্রভাবে।(বনী ইসরাইল ২৩)।
وَ اخۡفِضۡ لَہُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحۡمَۃِ وَ قُلۡ رَّبِّ ارۡحَمۡہُمَا کَمَا رَبَّیٰنِیۡ صَغِیۡرًا ﴿ؕ۲۴﴾
অনুকম্পায় তাদের প্রতি বিনয়াবনত থাক এবং বলঃ হে আমার রাব্ব! তাঁদের প্রতি দয়া করুন যেভাবে শৈশবে তাঁরা আমাকে লালন পালন করেছিলেন। (বণী ইসরাইল ২৪)।
সূরা আন নিসার ৩৬ নং আয়াত:
وَ اعۡبُدُوا اللّٰہَ وَ لَا تُشۡرِکُوۡا بِہٖ شَیۡئًا وَّ بِالۡوَالِدَیۡنِ اِحۡسَانًا
তোমরা আল্লাহরই ইবাদাত কর এবং তাঁর সাথে কোন বিষয়ে অংশী স্থাপন করোনা এবং মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার কর।
সূরা আল আনকাবুত এর ৮ নং আয়াত:
وَ وَصَّیۡنَا الۡاِنۡسَانَ بِوَالِدَیۡہِ حُسۡنًا ؕ وَ اِنۡ جَاہَدٰکَ لِتُشۡرِکَ بِیۡ مَا لَیۡسَ لَکَ بِہٖ عِلۡمٌ فَلَا تُطِعۡہُمَا ؕ اِلَیَّ مَرۡجِعُکُمۡ فَاُنَبِّئُکُمۡ بِمَا کُنۡتُمۡ تَعۡمَلُوۡنَ ﴿۸﴾
আমি মানুষকে নির্দেশ দিয়েছি তার মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার করতে; কিন্তু তারা যদি তোমার উপর বল প্রয়োগ করে, আমার সাথে এমন কিছু শরীক করতে যে সম্পর্কে তোমার কোন জ্ঞান নেই তাহলে তুমি তাদেরকে মান্য করনা। আমারই নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন। অতঃপর আমি তোমাদেরকে জানিয়ে দিব যা তোমরা করতে।
সূরা লুকমান এর ১৪, ১৫ নং আয়াত:
وَ وَصَّیۡنَا الۡاِنۡسَانَ بِوَالِدَیۡہِ ۚ حَمَلَتۡہُ اُمُّہٗ وَہۡنًا عَلٰی وَہۡنٍ وَّ فِصٰلُہٗ فِیۡ عَامَیۡنِ اَنِ اشۡکُرۡ لِیۡ وَ لِوَالِدَیۡکَ ؕ اِلَیَّ الۡمَصِیۡرُ ﴿۱۴﴾
আমিতো মানুষকে তার মাতাপিতার প্রতি সদাচরণের নির্দেশ দিয়েছি। মা সন্তানকে কষ্টের পর কষ্ট বরণ করে গর্ভে ধারণ করে এবং তার দুধ ছাড়ানো হয় দুই বছরে। সুতরাং আমার প্রতি ও তোমার মাতাপিতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। প্রত্যাবর্তনতো আমারই নিকট।
وَ اِنۡ جَاہَدٰکَ عَلٰۤی اَنۡ تُشۡرِکَ بِیۡ مَا لَیۡسَ لَکَ بِہٖ عِلۡمٌ ۙ فَلَا تُطِعۡہُمَا وَ صَاحِبۡہُمَا فِی الدُّنۡیَا مَعۡرُوۡفًا ۫ وَّ اتَّبِعۡ سَبِیۡلَ مَنۡ اَنَابَ اِلَیَّ ۚ ثُمَّ اِلَیَّ مَرۡجِعُکُمۡ فَاُنَبِّئُکُمۡ بِمَا کُنۡتُمۡ تَعۡمَلُوۡنَ ﴿۱۵﴾
তোমার মাতা-পিতা যদি তোমাকে পীড়াপীড়ি করে আমার সাথে শরীক করতে যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই তাহলে তুমি তাদের কথা মানবেনা। তবে পৃথিবীতে তাদের সাথে বসবাস করবে সদ্ভাবে এবং যে বিশুদ্ধ চিত্তে আমার অভিমুখি হয়েছে তার পথ অবলম্বন কর, অতঃপর তোমাদের প্রত্যাবর্তন আমারই নিকট এবং তোমরা যা করতে সে বিষয়ে আমি তোমাদেরকে অবহিত করব।

উপরের আয়াত গুলোতে ৮টি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
১. পিতা-মাতার সাথে সদা সদ্ব্যবহার করতে হবে। কোনভাবেই দূর্ব্যবহার করা যাবে না।
২. তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না। কষ্ট দিয়োনা।
৩. তাদেরকে ধমক দিও না।
৪. তাদের সাথে শিষ্টাচারপূর্ণ কথা বলো। তাদের সাথে নম্র আচরণ করো। তাদের সামনে কখনো কঠোর হয়োনা।
৫. তাদের সামনে ভালোবাসার সাথে, নম্রভাবে মাথা নত করে দাও।
৬. তাঁরা মারা গেলে দুআ করো এভাবে ,বলো, হে পালনকর্তা, তাদের উভয়ের প্রতি রহম করো, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন।
৭. সর্বোচ্চ সম্মান বজায় রেখে তাঁদের সাথে কথা বলতে হবে।
৮. তাঁরা যদি অন্যায়, আর শরীয়ত বিরোধী নির্দেশ দেন তাহলে তা মানা যাবেনা।

# পিতামাতার সাথে সদাচরণ সর্বোত্তম আমল।
قَالَ سَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَىُّ الْعَمَلِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ قَالَ ‏"‏ الصَّلاَةُ عَلَى وَقْتِهَا ‏"‏‏.‏ قَالَ ثُمَّ أَىُّ قَالَ ‏"‏ ثُمَّ بِرُّ الْوَالِدَيْنِ ‏"‏‏.‏ قَالَ ثُمَّ أَىّ قَالَ ‏"‏ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ‏"‏‏.‏ قَالَ حَدَّثَنِي بِهِنَّ وَلَوِ اسْتَزَدْتُهُ لَزَادَنِي‏.‏
আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, আমি নবী (সা:) কে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ্‌র নিকট কোন্‌ কাজ সব থেকে অধিক পছন্দনীয়? তিনি বললেনঃসময় মত সালাত আদায় করা। (‘আবদুল্লাহ) জিজ্ঞেস করলেন: তারপর কোন্‌টি? তিনি বললেনঃপিতা-মাতার সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করা। ‘আবদুল্লাহ জিজ্ঞেস করলেন: তারপর কোন্‌টি? তিনি বললেনঃআল্লাহ্‌র রাস্তায় জিহাদ করা। ‘আবদুল্লাহ বললেনঃনবী (সা:) এগুলো সম্পর্কে আমাকে বলেছেন। আমি তাঁকে আরও অধিক প্রশ্ন করলে, তিনি আমাকে আরও জানাতেন।(বুখারী ৫৯৭০, আপ্র ৫৫৩৭, ইফা ৫৪৩২)।

# শিরকের পরে পিতা মাতার অবাধ্যতা হলো সবচে বড় কবীরা গুনাহ:
َ "‏ إِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ عَلَيْكُمْ عُقُوقَ الأُمَّهَاتِ، وَمَنْعَ وَهَاتِ، وَوَأْدَ الْبَنَاتِ، وَكَرِهَ لَكُمْ قِيلَ وَقَالَ، وَكَثْرَةَ السُّؤَالِ، وَإِضَاعَةَ الْمَالِ ‏"‏‏.‏

সা’দ ইবনু হাফ্‌স (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, নবী (সা:) বলেছেন: আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর হারাম করেছেন, মা-বাপের নাফরমানী করা, প্রাপকের প্রাপ্য আটক রাখা, যে জিনিস গ্রহণ করা তোমাদের জন্য ঠিক নয় তা তলব করা এবং কন্যা সন্তানকে জীবিত ক্ববর দেয়া। আর তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেছেন গল্প-গুজব করা, অতিরিক্ত প্রশ্ন করা ও সম্পদ অপচয় করা।(বুখারী ৫৯৭৫ আপ্র ৫৫৪২ ইফা ৫৪৩৭)।

# পিতা মাতার সাথে ভালো ব্যবহার করলে জিহাদের সোয়াব:
عَنْ أَبِي الْعَبَّاسِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَجُلٌ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أُجَاهِدُ‏.‏ قَالَ ‏"‏ لَكَ أَبَوَانِ ‏"‏‏.‏ قَالَ نَعَمْ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَفِيهِمَا فَجَاهِدْ ‏"‏‏.‏
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সা:) কে জিজ্ঞেস করল: আমি কি জিহাদে যাব? তিনি বললেনঃ তোমার কি পিতা-মাতা আছে? সে বললোঃ হাঁ। তিনি বললেনঃতা হলে তাদের (সেবা করার মাধ্যমে) জিহাদ কর।(বুখারী ৫৯৭২ আপ্র ৫৫৩৯ ইফা ৫৪৩৪)।

# পিতা মাতা বিধর্মী হলেও ভালো ব্যবহার করতে হবে, স্বাভাবিক সম্পর্ক রক্ষা করতে হবে:
أَخْبَرَتْنِي أَسْمَاءُ ابْنَةُ أَبِي بَكْرٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَتْ أَتَتْنِي أُمِّي رَاغِبَةً فِي عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم آصِلُهَا قَالَ ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏‏.‏ قَالَ ابْنُ عُيَيْنَةَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى فِيهَا ‏{‏لاَ يَنْهَاكُمُ اللَّهُ عَنِ الَّذِينَ لَمْ يُقَاتِلُوكُمْ فِي الدِّينِ‏}‏
আবূ বাক্‌র (রাঃ) -এর কন্যা আসমা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, নবী (সা:) -এর যুগে আমার অমুসলিম মা আমার কাছে এলেন। আমি নবী (সা:) এর নিকট জিজ্ঞেস করলামঃ তার সঙ্গে ভাল ব্যবহার করবো কি না? তিনি বললেন, হাঁ।
(বুখারী ২৬২০,৩১৮৩, ৫৯৭৮,৭৯, মুসলিম ২২১৪,১৫ আবু দাঊদ ১৬৬৮)।

# পিতা মাতার সাথে ভালো ব্যবহার করলে তার দুআ অবশ্য কবূল যোগ্য:
ابْنِ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ خَرَجَ ثَلاَثَةٌ يَمْشُونَ فَأَصَابَهُمُ الْمَطَرُ، فَدَخَلُوا فِي غَارٍ فِي جَبَلٍ، فَانْحَطَّتْ عَلَيْهِمْ صَخْرَةٌ‏.‏ قَالَ فَقَالَ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ ادْعُوا اللَّهَ بِأَفْضَلِ عَمَلٍ عَمِلْتُمُوهُ‏.‏ فَقَالَ أَحَدُهُمُ اللَّهُمَّ، إِنِّي كَانَ لِي أَبَوَانِ شَيْخَانِ كَبِيرَانِ، فَكُنْتُ أَخْرُجُ فَأَرْعَى، ثُمَّ أَجِيءُ فَأَحْلُبُ، فَأَجِيءُ بِالْحِلاَبِ فَآتِي بِهِ أَبَوَىَّ فَيَشْرَبَانِ، ثُمَّ أَسْقِي الصِّبْيَةَ وَأَهْلِي وَامْرَأَتِي، فَاحْتَبَسْتُ لَيْلَةً‏.‏ فَجِئْتُ فَإِذَا هُمَا نَائِمَانِ ـ قَالَ ـ فَكَرِهْتُ أَنْ أُوقِظَهُمَا، وَالصِّبِيْةُ يَتَضَاغَوْنَ عِنْدَ رِجْلَىَّ، فَلَمْ يَزَلْ ذَلِكَ دَأْبِي وَدَأْبَهُمَا، حَتَّى طَلَعَ الْفَجْرُ اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنِّي فَعَلْتُ ذَلِكَ ابْتِغَاءَ وَجْهِكَ فَافْرُجْ عَنَّا فُرْجَةً نَرَى مِنْهَا السَّمَاءَ‏.‏ قَالَ فَفُرِجَ عَنْهُمْ‏.‏ وَقَالَ الآخَرُ اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنِّي كُنْتُ أُحِبُّ امْرَأَةً مِنْ بَنَاتِ عَمِّي كَأَشَدِّ مَا يُحِبُّ الرَّجُلُ النِّسَاءَ، فَقَالَتْ لاَ تَنَالُ ذَلِكَ مِنْهَا حَتَّى تُعْطِيَهَا مِائَةَ دِينَارٍ‏.‏ فَسَعَيْتُ فِيهَا حَتَّى جَمَعْتُهَا، فَلَمَّا قَعَدْتُ بَيْنَ رِجْلَيْهَا قَالَتِ اتَّقِ اللَّهَ، وَلاَ تَفُضَّ الْخَاتَمَ إِلاَّ بِحَقِّهِ‏.‏ فَقُمْتُ وَتَرَكْتُهَا، فَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنِّي فَعَلْتُ ذَلِكَ ابْتِغَاءَ وَجْهِكَ فَافْرُجْ عَنَّا فُرْجَةً، قَالَ فَفَرَجَ عَنْهُمُ الثُّلُثَيْنِ‏.‏ وَقَالَ الآخَرُ اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنِّي اسْتَأْجَرْتُ أَجِيرًا بِفَرَقٍ مِنْ ذُرَةٍ فَأَعْطَيْتُهُ، وَأَبَى ذَاكَ أَنْ يَأْخُذَ، فَعَمَدْتُ إِلَى ذَلِكَ الْفَرَقِ، فَزَرَعْتُهُ حَتَّى اشْتَرَيْتُ مِنْهُ بَقَرًا وَرَاعِيَهَا، ثُمَّ جَاءَ فَقَالَ يَا عَبْدَ اللَّهِ أَعْطِنِي حَقِّي‏.‏ فَقُلْتُ انْطَلِقْ إِلَى تِلْكَ الْبَقَرِ وَرَاعِيهَا، فَإِنَّهَا لَكَ‏.‏ فَقَالَ أَتَسْتَهْزِئُ بِي‏.‏ قَالَ فَقُلْتُ مَا أَسْتَهْزِئُ بِكَ وَلَكِنَّهَا لَكَ‏.‏ اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنِّي فَعَلْتُ ذَلِكَ ابْتِغَاءَ وَجْهِكَ فَافْرُجْ عَنَّا‏.‏ فَكُشِفَ عَنْهُمْ ‏"‏‏.‏
ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) সূত্রে নবী (সা:) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, একদা তিন ব্যক্তি হেঁটে চলছিল। এমন সময় প্রবল বৃষ্টি শুরু হলে তারা এক পাহাড়ের গুহায় প্রবেশ করে। হঠাৎ একটি পাথর গড়িয়ে তাদের গুহার মুখ বন্ধ করে দেয়। তাদের একজন আরেকজনকে বলল; তোমরা যে সব আমল করেছ, তার মধ্যে উত্তম আমলের ওয়াসীলা করে আল্লাহ্‌র কাছে দু’আ কর। তাদের যে একজন বলল আল্লাহ্‌! আমার অতিবৃদ্ধ পিতামাতা ছিলেন, আমি (প্রত্যহ সকালে) মেষ চরাতে বের হতাম। তারপর ফিরে এসে দুধ দোহন করতাম এবং এ দুধ নিয়ে আমার পিতা-মাতার নিকট উপস্থিত হতাম ও তারা তা পান করতেন। তারপরে আমি শিশুদের, পরিজনদের এবং স্ত্রীকে পান করতে দিতাম। একরাত্রে আমি আটকা পরে যাই। তারপর আমি যখন এলাম তখন তারা দুজনে ঘুমিয়ে পড়েছেন। সে বলল, আমি তাদের জাগানো পছন্দ করলাম না। আর তখন শিশুরা আমার পায়ের কাছে (ক্ষুধায়) চীৎকার করছিল। এ অবস্থায়ই আমার এবং পিতা-মাতার ফজর হয়ে গেল। ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি যদি জান তা আমি শুধুমাত্র তোমার সন্তুষ্ট লাভের আশায় করেছিলাম তা হলে তুমি আমাদের গুহার মুখ এতটুকু ফাঁক করে দাও, যাতে আমরা আকাশ দেখতে পারি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন একটু ফাঁকা হয়ে গেল। আরেকজন বলল, ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি জান যে, আমি আমার এক চাচাতো বোনকে এত ভালবাসতাম, যা একজন পুরুষ নারীকে ভালবেসে থাকে। সে বলল, তুমি আমার হতে সে মনস্কামনা সিদ্ধ করতে পারবে না, যতক্ষণ আমাকে একশত দীনার না দেবে। আমি চেষ্টা করে তা সংগ্রহ করি। তারপর আমি যখন তার পদদ্বয়ের মাঝে উপবেশন করি, তখন সে বলে “আল্লাহ্‌কে ভয় কর”। বৈধ অধিকার ছাড়া মাহ্‌রকৃত বস্তুর সীল ভাঙবে না। এতে আমি তাকে ছেড়ে উঠে পড়ি। (হে আল্লাহ্‌) তুমি যদি জান আমি তা তোমারই সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে করেছি, তবে আমাদের হতে আরো একটু ফাঁক করে দাও। তখন তাদের হতে (গুহার মুখের) দুই-তৃতীয়াংশ ফাঁক হয়ে গেল। অপরজন বলল, হে আল্লাহ্‌! তুমি জান যে, এক ফারাক (পরিমাণ) শস্য দানার বিনিময়ে আমি একজন মজুর রেখেছিলাম। আমি তাকে তা দিতে গেলে সে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করল। তারপর আমি সে এর ফারাক শস্য দানা দিয়ে চাষ করে ফসল উৎপন্ন করি এবং তা দিয়ে গরু ক্রয় করি এবং রাখাল নিযুক্ত করি। কিছুকাল পরে সে মজুর এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র বান্দা! আমাকে আমার পাওনা দাও। আমি বললাম এই গরুগুলো ও রাখাল নিয়ে যাও। সে বলল, তুমি কি আমার সাথে উপহাস করছ? আমি বললাম, আমি তোমার সাথে উপহাস করছি না বরং এসব তোমার। হে আল্লাহ্‌! তুমি যদি জান আমি তা তোমারই সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে করেছি, তবে আমাদের হতে (গুহার মুখ) উন্মুক্ত করে দাও। তখন তাদের হতে গুহার মুখ উন্মুক্ত হয়ে গেল। (বুখারী ২২১৫)।

# নফল সালাত পড়ার সময় পিতা মাতা ডাকলে নফল সালাত ছেড়ে দিয়ে তাঁদের ডাকে সাড়া দিতে হবে। (নফল পড়ে কাযা করতে হবে, ইমাম বুখারী সে দিকেই ইঙ্গিত করেছেন) قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ نَادَتِ امْرَأَةٌ ابْنَهَا، وَهْوَ فِي صَوْمَعَةٍ قَالَتْ يَا جُرَيْجُ‏.‏ قَالَ اللَّهُمَّ أُمِّي وَصَلاَتِي‏.‏ قَالَتْ يَا جُرَيْجُ‏.‏ قَالَ اللَّهُمَّ أُمِّي وَصَلاَتِي‏.‏ قَالَتْ يَا جُرَيْجُ‏.‏ قَالَ اللَّهُمَّ أُمِّي وَصَلاَتِي‏.‏ قَالَتِ اللَّهُمَّ لاَ يَمُوتُ جُرَيْجٌ حَتَّى يَنْظُرَ فِي وَجْهِ الْمَيَامِيسِ‏.‏ وَكَانَتْ تَأْوِي إِلَى صَوْمَعَتِهِ رَاعِيَةٌ تَرْعَى الْغَنَمَ فَوَلَدَتْ فَقِيلَ لَهَا مِمَّنْ هَذَا الْوَلَدُ قَالَتْ مِنْ جُرَيْجٍ نَزَلَ مِنْ صَوْمَعَتِهِ‏.‏ قَالَ جُرَيْجٌ أَيْنَ هَذِهِ الَّتِي تَزْعُمُ أَنَّ وَلَدَهَا لِي قَالَ يَا بَابُوسُ مَنْ أَبُوكَ قَالَ رَاعِي الْغَنَمِ ‏"‏‏.‏
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সা:) বলেছেনঃ এক মহিলা তার ছেলেকে ডাকল। তখন তার ছেলে গীর্জায় ছিল। বলল, হে জুরায়জ! ছেলে মনে মনে বলল, হে আল্লাহ্‌! (এক দিকে) আমার মা (এর ডাক) আর (অন্য দিকে) আমার সালাত! মা আবার ডাকলেন, হে জুরাইজ! ছেলে বলল, হে আল্লাহ্‌! আমার মা আর আমার সালাত! মা আবার ডাকলেন, হে জুরায়জ! ছেলে বলল, হে আল্লাহ্‌! আমার মা ও আমার সালাত! মা বললেন, হে আল্লাহ্‌! পতিতাদের সামনে দেখা না যাওয়া পর্যন্ত যেন জুরায়জের মৃত্যু না হয়। এক রাখালিনী যে বক্‌রী চরাতো, সে জুরায়জের গীর্জায় আসা যাওয়া করত। সে একটি সন্তান প্রসব করল। তাকে জিজ্ঞেস করা হল- এ সন্তান কার ঔরসজাত? সে জবাব দিল, জুরায়জের ঔরসের। জুরায়জ তাঁর গীর্জা হতে নেমে এসে জিজ্ঞেস করলো, কোথায় সে মেয়েটি, যে বলে যে, তার সন্তানটি আমার? (সন্তানসহ মেয়েটিকে উপস্থিত করা হলে) জুরায়জ বলেন, হে বাবূস! তোমার পিতা কে? সে বলল, বক্‌রীর অমুক রাখাল। (বুখারী ১২০৬)।

# পিতা মাতা জান্নাত, তাঁরাই জাহান্নাম:
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ رَجُلاً، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا حَقُّ الْوَالِدَيْنِ عَلَى وَلَدِهِمَا قَالَ ‏ "‏ هُمَا جَنَّتُكَ وَنَارُكَ ‏"‏ ‏.‏
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! সন্তানের উপর মাতা-পিতার কী অধিকার আছে? তিনি বলেনঃ তারা তোমার জান্নাত এবং তোমার জাহান্নাম। (ইবনে মাজা ৩৬৬২ মিশকাত ৪৯৪১, আর রাদ্দু আলাল বালীক ১২২, দঈফ আল-জামি‘ ৬০৯৮)।
তাহক্বীক: দূর্বল হাদীস।

# অবাধ্য সন্তান জান্নাতে যাবে না:
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ عَاقٌّ وَلاَ قَمَّارٌ وَلاَمَنَّانٌ وَلاَ مُدْمِنُ خَمْرٍ.

আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

রাসূল (সা:) বলেছেন, ‘পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, জুয়া ও লটারীতে অংশগ্রহণকারী, খোঁটাদানকারী এবং সর্বদা মদপানকারী জান্নাতে যাবে না’ (দারেমী, মিশকাত হা/৩৬৫৩; বাংলা মিশকাত ৭ম খণ্ড, হা/৩৪৮৬ ‘শাস্তি’ অধ্যায়)।
ঊপদেশ, হাদিস নং ৭৫
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

# উপরের হাদীস গুলো থেকে পিতামাতার ১৪টি হক্ক প্রমাণিত:
পিতা - মাতার হক মোটামুটি ১৪ টি।
ক. ৭টি জীবিত অবস্থায়
খ. আর ৭ টি মৃত্যুর পর।

# জীবিত অবস্থায় ৭ টি হক:
১.সর্বোচ্চ আজমত অর্থাৎ পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। আল্লাহ তাআলা এবং রাসূল (সা:) এর পরে সবচে সম্মানিত ব্যক্তি হলেন, বাবা, আর মা।
২. মনে-প্রাণে ভালোবাসা। সন্তান সন্ততি এর চেয়ে অধিক ভালোবাসতে হবে তাঁদেরকে।
৩. সর্বদা তাদেরকে মেনে চলা। শুধু পাপ এবং শিরকের আদেশ মানা যাবেনা।
৪. তাদের খেদমত করা।
৫. তাদের প্রয়োজন পূর্ণ করা।
৬.তাদেরকে সবসময় সুখে শান্তিতে রাখার চেষ্টা করা।
৭.নিয়মিত তাদের সাথে সাক্ষাত ও দেখাশোনা করা।

# মৃত্যুর পর ৭ টি হক।
১. তাদের মাগফেরাত এর জন্য দুআ করা।
২. দান সদকা এর মাধ্যমে সোয়াব পৌঁছানো।
৩. তাদের সাথী সঙ্গী ও আত্মীয় স্বজনদের সম্মান করা।
৪. সাথী-সঙ্গী ও আত্মীয় স্বজনদের সাহায্য করা।
৫. ঋণ পরিশোধ ও আমানত আদায় করা।
৬.শরীয়ত সম্মত ওসিয়ত পূর্ণ করা।
৭. সাধ্যমত তাদের কবর জিয়ারত করা।

©️

বাংলাদেশে ড. মুহাম্মদ ইউনূস সুদ নিয়ে কাজ করেন আর পাকিস্তানে ডা. আমজাদ সাকিব কর্জে হাসানা নিয়ে কাজ করেন।ডা. আমজাদ সাকিব ন...
25/04/2022

বাংলাদেশে ড. মুহাম্মদ ইউনূস সুদ নিয়ে কাজ করেন আর পাকিস্তানে ডা. আমজাদ সাকিব কর্জে হাসানা নিয়ে কাজ করেন।

ডা. আমজাদ সাকিব নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। পাকিস্তানের এ জনহিতৈষী দেশটির বৃহত্তম সুদ-মুক্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রোগ্রাম, আখুয়াতের প্রতিষ্ঠাতা। বিস্তারিত নিউজে দেখুন।
“সুদ হারাম, কর্জে হাসানা সমাধান“ বইতে আখুয়াত সম্পর্কে বিস্তারিত পাবেন।

যারা বলেন “কর্জে হাসানা“ কোন কার্যকরী টুল নয় বরং খুব ছোট পরিসরে এর কাজ, তাদের জন্য বলি পাকিস্তানের আখুয়াত এ পর্যন্ত ৯০ কোটি ডলারের সমতুল্য সুদমুক্ত ঋণ বিতরণ করেছে। ঋণ পরিশোধের হার প্রায় ১০০ শতাংশ।

ইসলামের দারুন এই টুলকে কিছু মানুষ ভুলে গেছে আর কিছু মানুষ ধরে নিয়েছে এটা কার্যকরী কিছু দিতে পারবেনা।

(সংগ্রহীত)

02/03/2022

#অসুবিধাগ্রস্তদের_জন্য_ইসলামের_অর্থনৈতিক_বিধান

#শাহ্আবদুলহান্নান

কিছুদিন আগে নয়া দিগন্তে করজে হাসানা সম্পর্কে লিখেছি। তার মূল কথাগুলো নিম্নে উল্লেখ করছি। পবিত্র কুরআনের কয়েকটি আয়াতে করজে হাসানার কথা বলা হয়েছে। ‘করজে হাসানা’র অর্থ হচ্ছে এমন ঋণ বা করজ দেয়া, যেটা সময়মতো পরিশোধ করা হবে; কিন্তু দাতা কোনো অতিরিক্ত অর্থ বা বেনিফিট নিতে পারবেন না। এটার উদ্দেশ্য ছিল সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন পূর্ণ করা। সেটি হচ্ছে, ব্যবসাবাণিজ্যের বাইরেও নানা কারণে মানুষের বা প্রতিষ্ঠানের করজে হাসানার প্রয়োজন হতে পারে। সব সময় ব্যক্তির কাছে প্রয়োজনীয় অর্থ থাকে না, কিন্তু সম্ভাবনা থাকে যে পরে তা থাকবে এবং সেই অর্থ দিয়ে করজ বা ঋণ পরিশোধ করা যাবে। সুদকে ইসলাম হারাম করেছে। ফলে কোনো ব্যক্তির পক্ষে সুদে অর্থ নেয়া সম্ভব নয় বা উচিত হবে না।

এ জন্যই আল্লাহ তায়ালা করজে হাসানার বিধান দিয়েছেন, যেন মানুষ সাময়িকভাবে করজে হাসানা নিতে পারে সুদ ছাড়া এবং পরে তা শোধ করে দিতে পারে। এ প্রসঙ্গে করজে হাসানার ওপর কুরআনের দু’টি আয়াত উল্লেখ করছি : ‘তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে, যে আল্লাহকে করজে হাসানা দিতে প্রস্তুত। তাহলে আল্লাহ তাকে কয়েক গুণ বেশি ফিরিয়ে দেবেন। হ্রাস-বৃদ্ধি উভয়ই আল্লাহর হাতে নিহিত। আর তাদের নিকট তোমাদের ফিরে যেতে হবে। (বাকারা-২৪৫)।
আল্লাহ তায়ালা বনি ইসরাইলের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলেন ‘এবং আমি তাদের মধ্য থেকে ১২ জন সরদার নিযুক্ত করেছিলাম।’ আল্লাহ বলেন, ‘আমি তোমাদের সাথে আছি। যদি তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো, জাকাত দিতে থাকো, আমার নবীদের প্রতি বিশ্বাস রাখো, তাঁদের সাহায্য করো এবং আল্লাহকে উত্তম পন্থায় করজে হাসানা দিতে থাকো; তবে আমি অবশ্যই তোমাদের গুনাহ দূর করে দেবো এবং অবশ্যই তোমাদেরকে উদ্যানসমূহে প্রবিষ্ট করব, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে নির্ঝরিনীসমূহ প্রবাহিত হয়। অতঃপর, তোমাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি এরপরও কাফের হয়, সে নিশ্চিতভাবেই সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে।’ (আল মায়েদাহ-১২)।

ওপরের কুরআনের আয়াতগুলো থেকে আপনারা করজে হাসানার ব্যাপারে জানতে পারলেন। প্রতিটিতে করজে হাসানা দেয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। আল্লাহ এত আয়াতে কেন করজে হাসানার বিষয়টি বললেন, এটা আমাদের চিন্তা করা দরকার। ‘আল্লাহকে ঋণ দেয়া’র অর্থ হচ্ছে গরিব-দুঃখীদের, অভাবীদের, যাদের প্রয়োজন তাদের ঋণ দেয়া। এটা ইসলামী অর্থনীতির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা কমে গেছে। করজে হাসানা না থাকলে সুদের প্রচলন বাড়ে, বাংলাদেশে এটাই হয়েছে। এখানে মহাজনী সুদ ব্যবসায় বা ব্যক্তিপর্যায়ে সুদের ব্যবসা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের সুদের হার মাসিক ১০ শতাংশ।
অর্থাৎ বছরে ১২০ শতাংশ, যা খুবই ভয়াবহ। এই ব্যবসায় বাংলাদেশের কিছু মুসলিম নামধারী ব্যক্তি করছে। পত্রিকায় বিভিন্ন সময় রিপোর্টে দেখা যায়, এসব সুদখোরের তাড়নায় মানুষ পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কেউ কেউ আত্মহত্যা পর্যন্ত করছে। তাই করজে হাসানার ব্যাপক প্রচলন করতে হবে ব্যক্তিপর্যায়ে ও প্রতিষ্ঠানপর্যায়ে। প্রত্যেক ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে একটি আলাদা ‘করজে হাসানা ফান্ড’ থাকা দরকার। আশা করি, এ ব্যাপারে আপনারা জনমত সৃষ্টি করবেন।

এখন আজকের বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করব। ইসলামে যাদের আর্থিক সহায়তা দরকার, তাদের জন্য তিনটি ব্যবস্থা রয়েছে। একটি হচ্ছে জাকাত, যার মাধ্যমে দরিদ্রের সমস্যার সমাধান করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জাকাতের খাতের মধ্যে ‘ফির রিকাব’ রয়েছে। অর্থাৎ যারা কোনোভাবে বন্দী তাদেরকে মুক্ত করা। এ থেকে জেলের অসহায় বন্দীদের মুক্তির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এ ছাড়া রয়েছে ‘ফিল গারেমিন’ (ঋণগ্রস্তদের মুক্ত করা), এ থেকে সব ঋণগ্রস্তকে ঋণ থেকে মুক্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা যায়। জাকাতের আরেকটি খাত হচ্ছে ‘ইবনুস সাবিল’ (পথের লোকদের জন্য), অর্থাৎ পথিকদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করা; যার মধ্যে রাস্তায় আশ্রয়কেন্দ্র বা সরাইখানা বানানো অন্তর্ভুক্ত। এসব স্থানে পথিকদের খাবারের ও ঘুমানোর ব্যবস্থা থাকতে হবে।

ইসলামের আর্থিক সহায়তার দ্বিতীয় দিক হচ্ছে সাদকা বা দান, যা ফেরত নেয়া হয় না। এ থেকে যারা ফেরত দিতে সক্ষম নয়, তাদের সহায়তার ব্যবস্থা করা যায়। এর ব্যাপক প্রচলন প্রয়োজন।

আর্থিক সহায়তার তৃতীয় দিক হচ্ছে কারজুল হাসানা। তার ওপর আলোচনা আগেই করা হয়েছে। অনেকে বলেন, কারজুল হাসানা দিলে ফেরত পাওয়া যায় না। এ বিষয়ে উত্তর হচ্ছে- কারজুল হাসানা শুধু তাদেরকেই দেবেন, যাদের অসুবিধা সাময়িক এবং পরবর্তীকালে তা ফেরত দিতে সক্ষম। তাদেরকে ফেরত দেয়ার জন্য উপযুক্ত সময় বেঁধে দিতে হবে এবং কিস্তির মাধ্যমে ফেরতের ব্যবস্থাও থাকতে হবে। যারা ফেরত দিতে পারে না, তাদের জন্য করজে হাসানা নয়। তাদের জন্য ইসলামের বিধান হচ্ছে সাদকা বা জাকাত, যা ফেরত দিতে হয় না।

ইসলামী অর্থনীতির অন্যান্য দিক হচ্ছে উন্নয়নের অর্থনীতি, ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ইসলামী বীমা বা ইন্স্যুরেন্স, কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা-যাতে রাষ্ট্র সব অসহায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করে। ইসলামী অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য হলো- উন্নয়ন, একই সাথে দারিদ্র্য বিমোচন ও অর্থনীতিতে সমতা সৃষ্টি করা, অতি ধনী যাতে তৈরি না হয় সে দিকে খেয়াল রাখা, বেকার সমস্যার সমাধান ইত্যাদি।
আশা করি, পাঠকেরা ইসলামের সামগ্রিক অর্থনীতি, একই সাথে সহায়তার অর্থনীতির বিষয়ে বুঝতে পেরেছেন। এ জন্য সম্ভব হলে ড. উমর চাপরার লিখিত অর্থনীতির ওপর চারটি বই আছে, এগুলো পড়তে পারেন।

লেখক : সাবেক সচিব, বাংলাদেশ সরকার

29/11/2021

২৯ নভেম্বর'১৬ সালে শাহ আব্দুল হান্নান চাচার নিজের আইডি থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ টি নেয়া ..….................................আমি ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে করার গভীর চিন্তা করার পর এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে ভবিষ্যত সমস্যার সমাধান করার জন্য মুসলিম উম্মাহর নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহন করা উচিৎ-
১. ইসলামিক আন্দোলন / দলগুলোর / গ্রুপ / সংগঠন নিজেদের অধিক বিচক্ষন জ্ঞানী-বিচক্ষন, ব্যবহারিক (practical) মধপন্থী (wasatiyyah) হতে হবে।
২. সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা ও সাম্প্রদাযিকতার বিরুদ্ধে জনমত গঠন করতে হবে।
৩. আরো উপযুক্ত (জ্ঞানী-বিচক্ষন) মানুষ / পণ্ডিত / নেতা / লেখক তৈরি করতে হবে। প্রতিটি ইসলাম প্রিয় ব্যক্তিকে আরো সক্রিয় হতে হবে যেন প্রত্যেকে একজন চিন্তাশীল (থিঙ্ক ট্যাঙ্ক), পরিকল্পনাকারী এবং বাস্তবায়নকারী হতে হবে।
৪. মানসম্পন্ন লেখনী, বই/সিডি ছড়িয়ে দিয়ে ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতা দূর করতে হবে। ( ফেসবুক সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে ইসলামের প্রচার করতে হবে)
৫. সম্পূর্ণরূপে অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
৬. ইসলামের সাথে সঙ্গতি রেখে সম্পূর্ণরূপে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। ইসলাম তাদের যে ন্যায়সঙ্গত অধিকার দিয়েছে তা বাস্তবায়ন করা। নারিদের সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত হলে তারা ইসলামের জন্য অনেক ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় অধিক কাজ করতে পারবে।
৭. আরো অধিক ইসলামী আদর্শের বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল, অন্যান্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে হবে। মাদ্রাসার পাঠ্যসূচী আপগ্রেড করতে হবে।
৮. ইসলামী ব্যাংকিং আরো ছড়িয়ে দিতে হবে এবং সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
-- শাহ্‌ আব্দুল হান্নান

Address

Sarishabari
Jamalpur Sadar Upazila
2052

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কর্জে হাসানা ম্যানেজমেন্ট - মহাদান ইউনিয়ন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share