SHOWRAB Tax Advisory

SHOWRAB Tax Advisory "We are transitioning from Tax Return by SHOWRAB to SHOWRAB Tax Advisory to serve you with more professional tax solutions."

"SHOWRAB Tax Advisory" একটি আয়কর সম্পর্কিত তথ্য ও সেবা প্রদানের অনলাইন প্লাটফর্ম। এখানে ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর সংক্রান্ত সেবা প্রদান করা হয়। আপনার ডাটা মোতাবেক বর্তমান আইন অনুযায়ী নির্ভুলভাবে আপনার রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিলের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

সম্মানিত সুধী, আসসালামু আলাইকুম।সম্প্রতি লক্ষ্য করছি যে, আমার প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ট্যাক্স বিষয়ক পোস্ট, বিশ্লেষণ, চার্ট, ...
30/05/2026

সম্মানিত সুধী, আসসালামু আলাইকুম।

সম্প্রতি লক্ষ্য করছি যে, আমার প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন ট্যাক্স বিষয়ক পোস্ট, বিশ্লেষণ, চার্ট, টেবিল ও শিক্ষামূলক কনটেন্ট অনেকেই কপি করে আমার নাম ও লোগো মুছে নিজেদের নাম ও লোগো ব্যবহার করে ফেসবুক, লিংকডইনসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করছেন।

জ্ঞান ও তথ্য শেয়ার করার বিষয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই। বরং আমি সবসময় চাই, সঠিক কর-জ্ঞান আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে যাক। তবে অন্যের পরিশ্রম, গবেষণা ও সৃজনশীল কাজ নিজের নামে প্রকাশ করা পেশাগত নৈতিকতা ও বৌদ্ধিক সম্পত্তির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পরিপন্থী।

আপনারা চাইলে আমার পোস্ট শেয়ার করতে পারেন, রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কিংবা উৎস উল্লেখ করে পুনঃপ্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু মূল লেখকের নাম, পরিচিতি বা লোগো পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রচার করা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অনৈতিক।

আমরা সবাই যদি একে অপরের মেধা, শ্রম ও পেশাগত অবদানকে যথাযথ সম্মান করি, তাহলে একটি সুস্থ ও বিশ্বাসযোগ্য জ্ঞানভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সকলের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ, কনটেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে যথাযথ ক্রেডিট প্রদান করুন এবং পেশাগত সততা বজায় রাখুন।

ধন্যবাদান্তে,
SHOWRAB Tax Advisory
Tax Consultant | Tax Trainer | Content Creator

🌙✨ পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ✨🌙ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মহান শিক্ষা নিয়ে আমাদের মাঝে এসেছে পবিত্র ঈদুল...
27/05/2026

🌙✨ পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ✨🌙

ত্যাগ, তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মহান শিক্ষা নিয়ে আমাদের মাঝে এসেছে পবিত্র ঈদুল আজহা।

এই পবিত্র দিনে মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলের কুরবানী কবুল করুন, জীবনের গুনাহ মাফ করুন এবং পরিবারে শান্তি, রহমত ও বরকত দান করুন। 🤲

আসুন—
আমরা হিংসা, অহংকার ও অন্যায়ের পথ ত্যাগ করে মানবতা, সততা ও তাকওয়ার আলোয় নিজেদের জীবন আলোকিত করি। 🌸

🐐 ঈদ হোক ত্যাগের, ভালোবাসার ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অনন্য উপলক্ষ।

SHOWRAB TAX ADVISORY পরিবারের পক্ষ থেকে
আপনি ও আপনার পরিবারের সবাইকে জানাই
🌙 পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। 🌙

ঈদ মোবারক! 🤍

রাজস্ব বাড়াতে তামাকজাত দ্রব্যে সুনির্দিষ্ট করারোপের বিকল্প নেইজনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রাজস্ব বাড়াতে আসন্ন অর্থবছরে তামাকজা...
23/05/2026

রাজস্ব বাড়াতে তামাকজাত দ্রব্যে সুনির্দিষ্ট করারোপের বিকল্প নেই

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রাজস্ব বাড়াতে আসন্ন অর্থবছরে তামাকজাত দ্রব্যে অ্যাড ভ্যালোরেম (মূল্য অনুসারে) সম্পূরক শুল্কের পাশাপাশি অতিরিক্ত সুনির্দিষ্ট করারোপের কোনো বিকল্প নেই। যদিও বর্তমানে যে করহার রয়েছে সেটা যথেষ্ট এবং অত্যন্ত যৌক্তিক। কিন্তু করহার না বাড়িয়ে শুধু দাম বাড়ালে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রাজস্ব বাড়াতে অবদান রাখবে না। বরং কোম্পানির মুনাফা আরও বেড়ে যাবে। ফলে অ্যাড ভ্যালোরেমের পাশাপাশি যে হারেই হোক, সুনির্দিষ্ট করারোপ করা জরুরি বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ড. সাইমা হক বিদিশা।

শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিএমএ ভবনের ডা. মিলন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‌‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর তামাক কর কাঠামো’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনৈতিক গবেষণা ব্যুরো (বিইআর) ও বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি)।

অনুষ্ঠানে আসন্ন অর্থবছরের তামাক কর প্রস্তাব ও মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল্লাহ। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা এবং মধ্যম ও নিম্ন স্তরকে একীভূত করে তাতে ১০০ টাকা নির্ধারণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সব স্তরে ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রাখা এবং প্রতি ১০ শলাকায় অতিরিক্ত ৪ টাকা ‘সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক’ আরোপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রিমিয়াম স্তর ছাড়া অন্য স্তরসমূহের মূল্য থেকে ‘ও তদূর্ধ্ব’ শব্দদ্বয় বাদ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বিড়ির কর প্রস্তাবে ফিল্টারযুক্ত ও ফিল্টারবিহীন বিভাজন তুলে দিয়ে সুনির্দিষ্ট শুল্ক ব্যবস্থার প্রচলনসহ ২০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৩০ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া জর্দা ও গুলের ওপর সুনির্দিষ্ট কর ব্যবস্থার প্রচলনসহ প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৩০ টাকা নির্ধারণ করে উভয় ক্ষেত্রে ৬০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণ করার কথা বলা হয়েছে। উভয় পণ্যের ওপর আরোপিত সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্কের পরিমাণ এনবিআরকে নির্ধারণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রস্তাবিত অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের দাবি মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদেরমোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের ওপর প্রস্তাবিত অগ্রিম আয়কর (...
23/05/2026

প্রস্তাবিত অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের দাবি মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের

মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের ওপর প্রস্তাবিত অগ্রিম আয়কর (এআইটি) প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা। আজ শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের উল্টো পাশে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা এ মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তাঁরা কর দেওয়ার বিরোধিতা করছেন না; বরং কর আরোপের ক্ষেত্রে ন্যায়সংগত, বাস্তবসম্মত ও বৈষম্যহীন নীতি প্রণয়নের দাবি জানাচ্ছেন। তাঁদের মতে, মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা ইতিমধ্যে আমদানি শুল্ক, ভ্যাট, নিবন্ধন ফি, সড়ক কর, ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন খাতে সরকারের কোষাগারে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব দিচ্ছেন। এরপরও নতুন করে অগ্রিম আয়কর আরোপ সাধারণ বাইকারদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করবে।

ন্যাশনাল বাইকার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা রায়হান উদ্দীন খান বলেন, একই হারে কর আরোপের ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের ওপর অযৌক্তিক চাপ পড়বে। একজন শিক্ষার্থী বা স্বল্প আয়ের ব্যক্তি বহু বছর সঞ্চয় করে একটি সাধারণ মোটরসাইকেল কিনলে তাঁকেও একই ধরনের করের আওতায় আনা হবে, যা বৈষম্যমূলক। তিনি মোটরসাইকেলের মূল্য, ইঞ্জিনক্ষমতা (সিসি) এবং ব্যবহারকারীর আর্থিক সক্ষমতার ভিত্তিতে করকাঠামো নির্ধারণের প্রস্তাব দেন।

রায়হান উদ্দীন আরও বলেন, পাঁচ লাখ টাকার বেশি মূল্যের বা বিলাসী ব্যবহারের আওতায় থাকা মোটরসাইকেলের ওপর কর আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। পাশাপাশি সরকার যদি অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করতে চায়, তাহলে সড়ক নিরাপত্তা, নিরাপদ অবকাঠামো এবং মোটরসাইকেলচালকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে।

ভেসপা কমিউনিটির প্রতিষ্ঠাতা দিদারুল ইসলাম সুজন বলেন, বাইকাররা কখনোই কর দিতে আপত্তি করেন না এবং দেশের রাজস্ব বৃদ্ধির অংশীদার হতে চান। তবে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের মতামত না নিয়েই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। তিনি বলেন, বৈধ মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা, জরিমানা ও বিধিনিষেধের মুখোমুখি হন। অথচ সড়কে চলাচলকারী অনেক অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনের বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ে না।

সরকারের উদ্দেশে দিদারুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সংঘাত চাই না, সমাধান চাই। দেশের লাখো বাইকারের প্রতিনিধি হিসেবে আমরা আলোচনার সুযোগ চাই। একটি উন্মুক্ত মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হলে আমরা আমাদের সমস্যা ও প্রস্তাব সরাসরি তুলে ধরতে পারব।’

দেশি বাইকার ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা দেওয়ান সোহান বলেন, বাংলাদেশে মোটরসাইকেল কিনতে ক্রেতাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি মূল্য পরিশোধ করতে হয়। আমদানি শুল্ক, উৎপাদন কর, ভ্যাট-ট্যাক্স, নিবন্ধন ফিসহ বিভিন্ন ধরনের কর ও চার্জ বিদ্যমান থাকার পরও নতুন করে অগ্রিম আয়কর আরোপের উদ্যোগকে তিনি অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন।

দেওয়ান সোহান আরও বলেন, দেশের অধিকাংশ বাইকার মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য। কর্মজীবন, ব্যবসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন যাতায়াতের প্রয়োজনেই তাঁরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন। তাই তাঁদের ওপর নতুন করে করের বোঝা না চাপিয়ে সরকারের উচিত বাইকারদের বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা প্রস্তাবিত অগ্রিম আয়কর পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে একটি গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত সমাধানে পৌঁছানো উচিত। বাইকারদের স্বার্থ, আর্থিক সক্ষমতা এবং দেশের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করেই যেকোনো নতুন করনীতি প্রণয়নের দাবি জানান তাঁরা।

📘 আয়কর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিমালা, ২০২৪ITP ও অন্যান্য পেশাগত পরীক্ষার্থীদের জন্য “আয়কর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিম...
22/05/2026

📘 আয়কর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিমালা, ২০২৪

ITP ও অন্যান্য পেশাগত পরীক্ষার্থীদের জন্য “আয়কর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিমালা, ২০২৪” এর উপর একটি পূর্ণাঙ্গ ও সাজানো স্টাডি শীট প্রস্তুত করেছি।

বিশেষভাবে ITP পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে শীটটি প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে অল্প সময়ে বিধি অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজে রিভিশন দেওয়া যায় ইনশাআল্লাহ।

📌 শীটটিতে রয়েছে—
✅ বিধি অনুযায়ী সহজ ব্যাখ্যা
✅ গুরুত্বপূর্ণ তফসিলসমূহ
✅ পরীক্ষায় আসার মতো প্রশ্ন
✅ সংক্ষিপ্ত নোট ও রিভিশন পয়েন্ট

📌 শীটটি পেতে পোস্টে এ লাইক দিয়ে শুধু কমেন্টে আপনার E-mail Address লিখুন।
❌ অনুগ্রহ করে এ বিষয়ে ইনবক্সে মেসেজ করবেন না।

সবার জন্য দোয়া ও শুভকামনা রইলো।
আল্লাহ আমাদের ইলমকে উপকারী করুন।

আয়কর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিমালা, ২০২৪পূর্ণাঙ্গ: খুব দ্রুত আসবে ইনশাআল্লাহ।
22/05/2026

আয়কর বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিমালা, ২০২৪
পূর্ণাঙ্গ: খুব দ্রুত আসবে ইনশাআল্লাহ।

যে নিয়মে আয়কর দিলে মিলবে ছাড়, জানাল এনবিআরআগামী অর্থবছর থেকে বিশেষ সুবিধায় সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হ...
20/05/2026

যে নিয়মে আয়কর দিলে মিলবে ছাড়, জানাল এনবিআর

আগামী অর্থবছর থেকে বিশেষ সুবিধায় সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। প্রথম প্রান্তিকে আয়কর রিটার্ন জমা দিলে কর প্রণোদনাও মিলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনার প্রথমদিনে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন 'নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ' (নোয়াব) নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনায় এই তথ্য দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

আগামী অর্থবছর থেকে বিশেষ সুবিধায় সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। প্রথম প্রান্তিকে আয়কর রিটার্ন জমা দিলে কর প্রণোদনাও মিলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনার প্রথমদিনে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন 'নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ' (নোয়াব) নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনায় এই তথ্য দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

এসময় এনবিআর চেয়ারম্যান আরও জানান, কর অব্যাহতি বেশি হওয়ায় রাজস্ব আয় কমছে। আসছে বাজেটে কর হার না বাড়িয়ে করের আওতা বাড়াবে এনবিআর। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই সম্পদ কর এবং উত্তরাধিকার সম্পদ হস্তান্তরের ওপরও কর আরোপ করার ভাবা হচ্ছে বলে জানান আবদুর রহমান খান।

সারা বছর আয়কর দেওয়ার সুযোগ রাখা প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, আগামী অর্থবছর থেকে আয়কর দেওয়ার প্রচলিত ৩০ নভেম্বরের সময়সীমা আর থাকবে না। সারা বছরই আয়কর প্রদান করা যাবে। ফলে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানোর আর প্রয়োজন পড়বে না।

আগামী অর্থবছর থেকে বিশেষ সুবিধায় সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। প্রথম প্রান্তিকে আয়কর রিটার্ন জমা দিলে কর প্রণোদনাও মিলবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনার প্রথমদিনে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন 'নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ' (নোয়াব) নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনায় এই তথ্য দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

এসময় এনবিআর চেয়ারম্যান আরও জানান, কর অব্যাহতি বেশি হওয়ায় রাজস্ব আয় কমছে। আসছে বাজেটে কর হার না বাড়িয়ে করের আওতা বাড়াবে এনবিআর। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই সম্পদ কর এবং উত্তরাধিকার সম্পদ হস্তান্তরের ওপরও কর আরোপ করার ভাবা হচ্ছে বলে জানান আবদুর রহমান খান।

সারা বছর আয়কর দেওয়ার সুযোগ রাখা প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, আগামী অর্থবছর থেকে আয়কর দেওয়ার প্রচলিত ৩০ নভেম্বরের সময়সীমা আর থাকবে না। সারা বছরই আয়কর প্রদান করা যাবে। ফলে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ানোর আর প্রয়োজন পড়বে না।

এনবিআরের আয়কর বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, যেসব করদাতারা আগেভাগে রিটার্ন জমা দেবেন তাঁরা কর ছাড়ের সুবিধা পাবেন। আর যারা আয়কর দেরিতে পরিশোধ করবেন তাদের ক্ষেত্রে খরচ বেড়ে যাবে।

উদাহরণস্বরুপ, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর সময়ে) আয়কর দিলে কর ছাড় পাবেন করদাতারা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর–ডিসেম্বর সময়ে) কর পরিশোধ করলে কোনো ছাড় পাওয়া যাবে না। তবে তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি–মার্চ সময়ে) রিটার্ন জমা দিলে নির্দিষ্ট করের অতিরিক্ত কিছু অর্থ দিতে হবে করদাতাদের। আর চতুর্থ প্রান্তিকে (এপ্রিল–জুন সময়ে) আয়কর দেওয়ার ক্ষেত্রে করের অতিরিক্ত অর্থের পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে।

এই প্রক্রিয়াতেই সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করছে এনবিআর।

এদিকে, আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টায় এ বছরের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় শেষ হতে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছর আয়কর জমার দেওয়ার সময় তিনবার বাড়িয়েছে এনবিআর। সোমবার পর্যন্ত ৪২ লাখ করদাতা এবছর অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন বলে জানিয়েছে এনবিআর।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যেই ২০ হাজার করদাতা আয়কর দেওয়ার সময় বাড়ানোর আবেদন করেছেন বলেও জানা গেছে।

আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে এ বছর আয়কর প্রদানের সময়সীমা। তবে রাত ১২টার মধ্যে সময় বৃদ্ধির আবেদন করা যাবে এবং সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য করদাতাকে অতিরিক্ত ৯০ দিন পর্যন্ত সময় অনুমোদন করতে পারবেন।

বছরজুড়ে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে, প্রথম প্রান্তিকে দিলে প্রণোদনাআগামী (২০২৬-২৭) অর্থবছর থেকে বছরজুড়ে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়...
20/05/2026

বছরজুড়ে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে, প্রথম প্রান্তিকে দিলে প্রণোদনা

আগামী (২০২৬-২৭) অর্থবছর থেকে বছরজুড়ে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার বিধান চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান। তবে করদাতাদের উৎসাহিত করতে বছরের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে রিটার্ন দাখিলকারীদের জন্য বিশেষ কর প্রণোদনার ব্যবস্থাও রাখা হবে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক বাজেট আলোচনায় এ পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রাক বাজেট আলোচনায় নোয়াবের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন নোয়াব সভাপতি দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমান।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমরা কর সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনতে চাই। এখন থেকে করদাতাদের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে না; তারা বছরজুড়েই রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তবে যারা বছরের শুরুতেই অর্থাৎ প্রথম তিন মাসের মধ্যে দায়িত্ব পালন করবেন (যারা রিটার্ন দাখিল করবেন), তাদের জন্য রেয়াত বা প্রণোদনার সুযোগ থাকবে।

মো. আবদুর রহমান খান বলেন, আমরা আবার ওয়েলথ ট্যাক্স অ্যাক্ট (সম্পদ কর) টাকে নিয়ে আসতে পারি কি না? যদি ওয়েলথ ট্যাক্স অ্যাক্ট নিয়ে আসতে পারি, তাহলে ওয়েলদি পিপলদের (সম্পদশালী ব্যক্তিদের) থেকে আমরা ইনকাম ট্যাক্সের বাইরে আরও কিছু ওয়েলথ ট্যাক্স (সম্পদ কর) পাবো সারচার্জের পরিবর্তে। দ্যাট উইল বি হেল্পফুল।

উত্তরাধিকার কর আদায়ের পরিকল্পনা জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আরেকটা আইডিয়া এসেছে আমাদের। আমাদের অনেক লাকি চিলড্রেনরা তাদের পূর্বপুরুষদের থেকে অনেক প্রপার্টি ইনহেরিট (উত্তরাধিকার) করে। বিভিন্ন দেশে ইনহেরিটেন্স ট্যাক্স আছে। আমরাও কি ইনহেরিটেন্স ট্যাক্সটা (উত্তরাধিকার কর) বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারি কি না? আমরা হয়তো শুরু করবো, ধরুন যে অত্যন্ত দামি প্রপার্টি অথবা আমাদের সিটি করপোরেশন এলাকাতে যেসব প্রপার্টি আছে, এগুলো যখন ট্রান্সফার হবে- নেক্সট জেনারেশনের কাছে মিউটেশন হবে, তার আগে ওদেরকে এই ইনহেরিটেন্স ট্যাক্সটা বসাতে হবে।

সারা বছরই আয়কর দেওয়া যাবে, মিলবে প্রণোদনাকর অব্যাহতি বেশি হওয়ায় রাজস্ব আয় কমছে। তাই আগামী বাজেটে কর হার না বাড়িয়ে করদাতা...
20/05/2026

সারা বছরই আয়কর দেওয়া যাবে, মিলবে প্রণোদনা

কর অব্যাহতি বেশি হওয়ায় রাজস্ব আয় কমছে। তাই আগামী বাজেটে কর হার না বাড়িয়ে করদাতার সংখ্যা বাড়াতে চায় এনবিআর। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বিশেষ সুবিধায় সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ, আয়কর দেওয়ার প্রচলিত ৩০ নভেম্বরের সময়সীমা আর থাকবে না। সারা বছরই আয়কর দেওয়া যাবে। এতে করদাতারা সময়মতো রিটার্ন দাখিল করবেন এবং রিটার্ন দাখিল সংখ্যা বাড়বে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

নির্ধারিত সময়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিলে করদাতাকে ‘প্রণোদনা’ দেওয়া হবে– আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। মূলত নিয়মিত ও সৎ করদাতাকে উৎসাহিত করতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে রিটার্ন দাখিলের সময়কে কয়েক ভাগে ভাগ করা হবে। সেই ভাগ অনুযায়ী প্রণোদনা পাবেন করদাতারা। বিশেষ করে প্রথম প্রান্তিকে যারা আয়কর রিটার্ন জমা দেবেন, তাদের কর প্রণোদনা অর্থাৎ করদাতার রিটার্নের ওপর করছাড় দেওয়া হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে যারা রিটার্ন দেবেন, তারা কম প্রণোদনা পাবেন। তৃতীয় পর্যায়ে যারা দেবেন, তারা প্রণোদনা পাবেন না। তবে তাদের জরিমানা গুনতে হবে না। চতুর্থ ধাপে হয়তো জরিমানা আরোপ হতে পারে। এই প্রক্রিয়াতেই সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করছে এনবিআর। তবে কত শতাংশ ছাড় বা প্রণোদনা দেওয়া হবে, তা চূড়ান্ত করা হয়নি।

বর্তমানে সময়মতো রিটার্ন দাখিল করলে সরাসরি কোনো নগদ টাকা বা আর্থিক প্রণোদনা পাওয়া যায় না। তবে সময়মতো এবং নিয়মিত রিটার্ন জমা দিলে আইনগতভাবে অনেক বড় সুবিধা, ছাড় এবং জরিমানা থেকে রেহাই পাওয়া যায়, যা প্রকারান্তরে একটি বড় আর্থিক সাশ্রয় বা প্রণোদনা হিসেবেই কাজ করে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, করদাতাদের রিটার্ন দাখিলে উৎসাহ দেওয়ার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, একজন করদাতার ওপর প্রযোজ্য কর হলো পাঁচ হাজার টাকা এবং তিনি প্রথম ধাপে ই-রিটার্ন দাখিল করলেন। এতে তাকে হয়তো ২০০ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ, ওই করদাতাকে পরিশোধ করতে হবে চার হাজার ৮০০ টাকা। এভাবে দ্বিতীয়-তৃতীয় ধাপেও প্রণোদনা থাকতে পারে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরই আয়কর রিটার্ন দাখিলের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর একাধিক দফায় সময় বাড়ানো হয়। চলতি ২০২৫-২৬ করবর্ষেও স্বাভাবিক নিয়মে রিটার্ন জমার শেষ সময় ছিল ৩০ নভেম্বর। কয়েক দফায় সময় বাড়িয়ে শেষে তা ৩১ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। এমনকি কোম্পানি করদাতাদের জন্যও সময় বাড়িয়ে মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত নেওয়া হয়েছিল। সময় বাড়ানোর পরও করদাতারা সময়মতো রিটার্ন দাখিল করেনি।

করদাতাদের বড় অংশের মধ্যে শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এর ফলে শেষদিকে এনবিআরের সার্ভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এতে ভোগান্তি কমাতে বারবার সময় বাড়ানো হয়। এ ছাড়া ব্যবসায়ী সংগঠন, আয়কর আইনজীবী সমিতিসহ পেশাজীবী সংগঠনগুলোর অনুরোধে সময় বাড়াতে হয়। করদাতাদের আইনি জটিলতা ও জরিমানা থেকে বাঁচাতে এনবিআর সাধারণত এই অনুরোধগুলো বিবেচনা করে। আয়কর আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের পরও করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সময় দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বারবার সময় বাড়ানোর প্রক্রিয়াটি করদাতাদের সাময়িক স্বস্তি দিলেও কর খাতের কাঠামোগত শৃঙ্খলা এবং যথাসময়ে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
এর আগে এক প্রাক-বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছিলেন, যারা নিয়মিত, সৎভাবে এবং কোনো জটিলতা ছাড়া অনলাইনে রিটার্ন জমা দেবেন, তাদের জন্য বিশেষ পুরস্কার বা প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকবে। এর আওতায় করদাতারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বিশেষ মর্যাদা বা সুবিধা পাবেন।

এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেসের পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেন, ছোট করদাতাদের রিটার্ন নেটে আনা ভালো উদ্যোগ হলেও মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রকৃত সম্পদ ও করযোগ্যদের করজালে আনা।
তিনি বলেন, মোট ৪৪ লাখ রিটার্নের প্রায় অনেকেই শূন্য ও প্রান্তিক হওয়ায় এদের থেকে রাজস্ব আদায় নগণ্য, অথচ ডেটাবেজ ও প্রশাসনিক ব্যয় রয়েছে। তবে ছোট এই করদাতারাই ভবিষ্যতের বড় করদাতা হয়ে উঠবে। তাই দীর্ঘমেয়াদে উদ্যোগটি ইতিবাচক হলেও প্রকৃত বড় করদাতাদের চিহ্নিত করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।

এই উদ্যোগে খুব বেশি লাভ হবে বলে মনে করেন না এনবিআরের সাবেক সদস্য মো. ফরিদ উদ্দিন। সমকালকে তিনি বলেন, এর আগে করমেলা করা হয়েছে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে। তাতে খুব বেশি আয়কর আদায় হয়নি। মূলত লক্ষ্য হওয়া উচিত করযোগ্যদের খুঁজে বের করা।

এনবিআরের তথ্যমতে, বর্তমানে ই-টিআইএনধারী করদাতার সংখ্যা এক কোটি ১২ লাখ। ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য ২০২৫-২৬ করবর্ষের রিটার্ন জমার সর্বশেষ সময়সীমা ছিল চলতি বছরের ৩১ মার্চ। ৩১ মার্চ পর্যন্ত ই-রিটার্ন সিস্টেমে ৫০ লাখ করদাতা রিটার্ন দাখিল করতে নিবন্ধন করেছেন। ৪২ লাখ ৫০ হাজার করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন।

Address

Dhaka

Website

https://www.linkedin.com/company/taxreturnservicebyshowrab/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SHOWRAB Tax Advisory posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share