30/11/2025
# # **রিভাইস রিটার্ন (Revised Return) এখন অ্যাকটিভ — যাদের রেগুলার রিটার্নে ভুল ছিল তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা**
এখন থেকে করদাতারা **ধারা ১৮০(২)** এর আওতায় **রিভাইজড রিটার্ন** (Revised Return) দাখিল করতে পারবেন। রেগুলার রিটার্ন জমা দেওয়ার পর যদি কোনো ভুল, তথ্যগত অসামঞ্জস্য, নথির ত্রুটি, বা আয়-ব্যয়ের ভুল হিসাব পাওয়া যায়—তাহলে আইন করদাতাকে সংশোধনের সুযোগ দেয়।
# # # ✅ **কারা রিভাইজড রিটার্ন দিতে পারবেন?**
যে কোনো করদাতা যারা—
* রেগুলার রিটার্নে **ভুল আয় দেখিয়েছেন**
* ছাড় (rebate) হিসাব ভুল হয়েছে
* ব্যয় বা ইনভেস্টমেন্ট ঠিকমতো যোগ হয়নি
* উৎসে কর (TDS/TCS) সঠিকভাবে সমন্বয় হয়নি
* নথির ভুলে অতিরিক্ত ট্যাক্স চাপছে
তারা **ধারা ১৮০(৩)** এর শর্ত সাপেক্ষে সংশোধন করে **ধারা ১৮০(২)** অনুযায়ী রিভাইস রিটার্ন দিতে পারবেন।
# # # ⚠️ **তবে মাথায় রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম—**
**যখনই আপনি রিভাইজড রিটার্ন সাবমিট করবেন, সেদিন অথবা পরদিনই আপনার ফাইল অডিটে যাবে।**
এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক প্রক্রিয়া—আইন অটোমেটিকভাবে রিভাইসড রিটার্নকে "Scrutiny/Audit Flag" দেয়।
কারণ—
রিভাইজড রিটার্ন মানেই আপনি পূর্বে ভুল করেছেন এবং এখন তা সংশোধন করছেন। তাই সিস্টেম করদাতার রিটার্নকে পুনরায় যাচাই করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
# # # 🔍 **অডিট হওয়া মানেই সমস্যা?**
সবসময় না।
যদি—
* আপনার ইনকাম ডকুমেন্ট
* ব্যাংক স্টেটমেন্ট
* বিনিয়োগ
* উৎসে কর
* সম্পদ-দায় বিবরণী
সব ঠিক থাকে—
তাহলে অডিট সাধারণত খুব সহজে ক্লিয়ার হয়ে যায়।
# # # 📌 **অডিট এড়াতে ভুল রিটার্ন কখনো জমা দেবেন না**
অনেক করদাতা তাড়াহুড়ো করে রিটার্ন সাবমিট করেন—যেটি সবচেয়ে বড় ভুল।
রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে অবশ্যই—
* ব্যালেন্স মিলিয়ে নিন
* ব্যাংক হিসাব ক্রসচেক করুন
* উৎসে কর সমন্বয় নিশ্চিত করুন
* ইনভেস্টমেন্ট প্রমাণ ঠিক আছে কিনা দেখুন
তারপর রিটার্ন দিন।
তা না হলে রিভাইজড রিটার্ন দিতে হবে—আর তাতে অডিটে পড়ার ঝুঁকি ১০০%।
📢 **উপদেশ**
যদি আপনার রিটার্নে ভুল থাকে—
তবে দেরি না করে এখনই একজন অভিজ্ঞ আয়কর আইনজীবী/কনসালট্যান্টের সহায়তায় সঠিকভাবে রিভাইজড রিটার্ন জমা দিন।
ধন্যবাদ
মোঃ আলী হায়দার
ইনকাম আইনজীবি,
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
সদস্য, ঢাকা ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশন