30/08/2025
আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী বাংলাদেশে করদাতাদের করযোগ্য আয় কমানোর (Tax Savings / Tax Planning) কয়েকটি বৈধ উপায় রয়েছে। এগুলো ব্যবহার করলে বৈধভাবে করের বোঝা হালকা করা যায়।
কর কমানোর বৈধ উপায়সমূহ (আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী)
1. Rebate (Tax Rebate) সুবিধা গ্রহণ
আয়কর আইনে নির্দিষ্ট কিছু খাতে বিনিয়োগ করলে কর ছাড় (rebate) পাওয়া যায়। যেমন:
জীবন বিমা প্রিমিয়াম
পেনশন স্কিম (Benevolent Fund, Provident Fund, DPS ইত্যাদি)
সরকার অনুমোদিত মিউচুয়াল ফান্ড / শেয়ার বিনিয়োগ
সুদবিহীন সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বা দান হিসেবে নির্দিষ্ট দান
➡️ মোট যোগ্য বিনিয়োগের ওপর নির্দিষ্ট হারে কর ছাড় (rebate) পাওয়া যায় (সাধারণত ১৫%)।
2. করমুক্ত আয় ব্যবহার
আইনে কিছু আয় করমুক্ত রাখা হয়েছে। যেমন:
কৃষিজ আয় (নির্দিষ্ট শর্তে)
বৈধ উপায়ে প্রবাস আয় (Remittance)
নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ভাতা (House rent allowance, Conveyance allowance, Medical allowance – নির্দিষ্ট সীমার বেশি হলে ট্যাক্সযোগ্য হয়)
3. ছাড়যোগ্য খরচ (Allowable Expenses)
ব্যবসা বা পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে কিছু খরচ করযোগ্য আয়ের আগে বাদ দেওয়া যায়। যেমন:
বেতন ও ভাতা
ভাড়া, বিদ্যুৎ, অফিস খরচ
মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ
ব্যবসার ঋণের সুদ
4. করমুক্ত সীমা ব্যবহার
২০২৩-২৪ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা হলো:
সাধারণ করদাতার জন্য: ৳৩,৫০,০০০
নারী ও প্রবীণ (৬৫ বছরের বেশি): ৳৪,০০,০০০
প্রতিবন্ধী করদাতা: ৳৪,৭৫,০০০
শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান: ৳৪,৭৫,০০০
এই সীমা পর্যন্ত কোনো কর দিতে হয় না।
5. দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (DTAA)
যদি বিদেশে আয় করেন এবং বাংলাদেশে আবার কর দিতে হয়, তবে দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি (Double Tax Avoidance Agreement) অনুযায়ী ছাড় পাওয়া যায়।
6. সময়মতো রিটার্ন জমা
সময়মতো রিটার্ন জমা দিলে সারচার্জ / বিলম্ব ফি / জরিমানা থেকে বাঁচা যায়।
Advocate MD HUMAYUN KABIR
01717402293