03/02/2026
বেশীর ভাগ সময় ই আয়কর নিয়ে অজান্তে যে ভুলগুলো আমরা করে থাকি:
• আয় কম হলে আয়কর রিটার্ন দেওয়ার প্রয়োজন নেই এমন ধারণা অনেকে মনে করেন ।
আয় করমুক্ত সীমার নিচে হলে রিটার্ন দিতে হয় না। বাস্তবে টিআইএন থাকলে, চাকরিজীবী হলে বা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকলে করযোগ্য আয় না থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।
• টিআইএন খুললেই দায়িত্ব শেষ মনে করা।
টিআইএন নেওয়া মানেই শুধু একটি নম্বর পাওয়া নয়। টিআইএন নেওয়ার পর থেকেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করা একজন করদাতার আইনগত দায়িত্ব।
• শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে রিটার্ন দাখিল করা।
শেষ তারিখের আগে হুড়োহুড়ি করে রিটার্ন দিতে গিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া, হিসাবের গরমিল বা কাগজপত্র অসম্পূর্ণ থাকার ঝুঁকি থাকে। এসব ভুল ভবিষ্যতে কর নোটিস বা অতিরিক্ত জটিলতার কারণ হতে পারে।
• চাকরির বেতনের বাইরে অন্যান্য আয়ের হিসাব না দেখানো।
ভাড়া থেকে আয়, কৃষি থেকে, ব্যবসা থেকে আয় কিংবা ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন কাজ, ইউটিউব বা ফেসবুক থেকে অর্জিত আয় অনেকেই আলাদা করে দেখান না। অথচ আইন অনুযায়ী সব ধরনের বৈধ আয় হিসাবের আওতায় আনতে হয়, করযোগ্য হোক বা না হোক।
• কর বাঁচাতে আয় গোপন করা।
কর কম দেওয়ার আশায় আয় লুকানো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভুল। আয়কর আইনে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিলে অতিরিক্ত কর, জরিমানা এমনকি আইনি জটিলতার মুখে পড়তে হতে পারে। আইনসম্মত কর ছাড়ই নিরাপদ পথ।
• বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ছাড় পাওয়ার সুযোগ না জানা।
সঞ্চয়পত্র, জীবনবিমা, ডিপিএস ও নির্দিষ্ট খাতে বিনিয়োগ করলে কর ছাড় পাওয়া যায়। এ বিষয়টি না জানার কারণে অনেক করদাতা অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি কর দিয়ে ফেলেন।
✅ কর দেওয়া কোনো শাস্তি নয়—এটি একজন নাগরিকের দায়িত্ব।
নিয়ম মেনে, সময়মতো ও সঠিকভাবে রিটার্ন দাখিল করলে ভবিষ্যতের বড় ঝামেলা সহজেই এড়ানো সম্ভব।
আয়কর বিষয়ক যেকোনো সহযোগিতা পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করতে পারেন।