Tax Return

Tax Return ঘরে বসে "ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল" সহজেই রেডি করে জমা ও দিয়ে নিতে পারেন অনলাইনে বা নিদিষ্ট অফিসে।

Income Tax, Appeal, Tribunal, Accounts of Audit, VAT, Export & Import Registration, RJSC (Company Registration), Rajuk (Land Use Clearances, Plan Approved, Construction Permit, Occupancy Certificate)

📢 কোন রকমে আয়কর রিটার্ন জমা দিলেই কি দায়িত্ব শেষ? জানুন কেন আসতে পারে নোটিশ!তথ্যের অসামঞ্জস্যতা, উচ্চমূল্যের লেনদেন কিংব...
11/05/2026

📢 কোন রকমে আয়কর রিটার্ন জমা দিলেই কি দায়িত্ব শেষ?

জানুন কেন আসতে পারে নোটিশ!

তথ্যের অসামঞ্জস্যতা, উচ্চমূল্যের লেনদেন কিংবা অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে (NBR) থেকে নোটিশ আসতে পারে।

🔍 কেন নোটিশ আসতে পারে? সংক্ষেপে দেখুন—

✔️ নতুন করদাতা হয়েও বেশি সম্পদ দেখানো
✔️ রিটার্ন ও TDS তথ্যের অমিল
✔️ আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয়
✔️ জমি/বাড়ি/গাড়ি কেনায় আয়ের উৎস অস্পষ্ট
✔️ ব্যাংকে অস্বাভাবিক বড় লেনদেন
✔️ সম্পদ ও আয়ের মধ্যে বড় পার্থক্য
✔️ আয় গোপন বা ভুল তথ্য প্রদান
✔️ র‍্যান্ডম বা ঝুঁকিভিত্তিক অডিট
✔️ অতিরিক্ত TDS দাবি
✔️ ভুল ফরম ব্যবহার
✔️ ঋণ/উপহার/রেমিট্যান্সের তথ্য গোপন
✔️ ভুয়া বিনিয়োগ দেখিয়ে Tax Rebate দাবি
✔️ ধারাবাহিক লোকসান দেখানো
✔️ শেয়ার/বিনিয়োগ গোপন রাখা
✔️ পরিবারের নামে সম্পদ কিনে সঠিকভাবে না দেখানো
✔️ সময়মতো রিটার্ন দাখিল না করা

📌 মনে রাখবেন:

সঠিক, স্বচ্ছ ও প্রমাণযোগ্য তথ্যই আপনাকে নোটিশের ঝামেলা থেকে রক্ষা করতে পারে।

📂 সব লেনদেনের ডকুমেন্ট ঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন এবং রিটার্নে সঠিকভাবে উপস্থাপন করুন।

যে কোন সমস্যা সমাধানে যোগাযোগ করুণ:
✔️ এখনই আপনার রিটার্ন আপডেট করুন
✔️ সঠিক তথ্য দিন, ঝামেলা এড়ান
সচেতন করদাতা হোন ✔️
আইন মেনে চলুন 📜
Whatsapp: 01811-878760

🔰 ফার্ম বা ব্যক্তি-সংঘের আয়ের অংশ করদাতা কোনো  ফার্মের অংশীদার বা ব্যক্তি-সংঘের সদস্য হলে ফার্ম বা ব্যক্তি-সংঘ হতে প্রাপ...
11/05/2026

🔰 ফার্ম বা ব্যক্তি-সংঘের আয়ের অংশ করদাতা কোনো ফার্মের অংশীদার বা ব্যক্তি-সংঘের সদস্য হলে ফার্ম বা ব্যক্তি-সংঘ হতে প্রাপ্ত তার আয়ের অংশ মোট আয়ভুক্ত হবে। তবে আয়কর হার ও গড়হারের জন্য গণনার সময়ে কর রেয়াত পেতে পারেন। ব্যক্তি-সংঘের কোনো সদস্য বা ফার্মের কোনো অংশীদারের মোট আয় ব্যক্তি-সংঘ বা ফার্ম হতে প্রাপ্ত করযোগ্য শেয়ার আয় অন্তর্ভুক্ত হলে উক্ত শেয়ার আয়ের উপর গড় হারে আয়কর নির্ধারণ করতে হবে।

📌 নির্ধারিত সূত্র অনুসারে গড় হারে কর হিসাব করতে হবে, যথা—
👉 ট = ক × (খ/গ), যেখানে—
🔹 ট = গড় হারে কর
🔹 ক = ফার্ম বা ব্যক্তি-সংঘের শেয়ার আয়সহ মোট আয়ের উপর কর রেয়াত পূর্ব হিসাবকৃত কর
🔹 খ = ফার্ম বা ব্যক্তি-সংঘের কর পরবর্তি মুনাফা হতে প্রাপ্ত শেয়ার আয়
🔹 গ = ফার্ম বা ব্যক্তি-সংঘের কর পরবর্তি মুনাফা হতে প্রাপ্ত শেয়ার আয়সহ মোট আয়

২০২৬-২৭ কর বর্ষের স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার কর হার।
11/05/2026

২০২৬-২৭ কর বর্ষের স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার কর হার।

আপনার আয়কর ফাইল যদি অডিট তালিকায় থাকে তাহলে আপনার জন্য আইনি পরামর্শ:​ # অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে উপ-কর কমিশনার (DCT) আ...
08/05/2026

আপনার আয়কর ফাইল যদি অডিট তালিকায় থাকে তাহলে আপনার জন্য আইনি পরামর্শ:

​ # অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে উপ-কর কমিশনার (DCT) আপনার কাছে ব্যাখ্যা বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়ে নোটিশ পাঠাবেন।

যদি ডাকযোগে নোটিশ না পান, তবে এনবিআর-এর ওয়েবসাইটে আপনার টিআইএন (TIN) দিয়ে যাচাই করুন এবং দ্রুত সার্কেল অফিসের সাথে যোগাযোগ করে নোটিশটি সংগ্রহ করুন [ধারা ১৮২ ও ১৮৩]।

# অডিট মূলত নির্দিষ্ট তথ্যের অসংগতি (যেমন: সম্পদের গরমিল, আয়ের উৎসের অপ্রতুলতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্টের সাথে রিটার্নের পার্থক্য) থাকলেই অডিট হয়।

নোটিশে ঠিক কোন বিষয়ের ওপর ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে তা ভালোভাবে বুঝে নিন।

# শুনানির আগে ​সারা বছরের সব ব্যাংক লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ,​জমি, ফ্ল্যাট বা সঞ্চয়পত্রের সঠিক তথ্য ও সার্টিফিকেট, জীবনযাত্রার ব্যয় বা ব্যবসার খরচের প্রমাণাদি,​রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে পিআরসি (PRC) এবং করছাড় বা টিডিএস (TDS) ক্লেইম করলে তার সপক্ষে চালান বা সার্টিফিকেট এসব ডকুমেন্টগুলো গুছিয়ে রাখুন।

#​ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্যাক্স অফিসে লিখিত জবাব দাখিল করুন,শুনানির সময় আপনি বা প্রতিনিধির মাধ্যমে যৌক্তিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করুন।

# ​আপনার দেওয়া তথ্য ও ব্যাখ্যা যদি কর কর্মকর্তার কাছে সন্তোষজনক হয়, তবে অতিরিক্ত কর আরোপ ছাড়াই অডিট সম্পন্ন হতে পারে। অন্যথায়, কর্মকর্তা আপনার আয়ের ওপর অতিরিক্ত কর ও জরিমানা আরোপ করতে পারে।

# ​অডিট থেকে বাঁচতে বা অডিট পরবর্তী ঝামেলা এড়াতে পূর্ববর্তী অন্তত ৬ বছরের আয়কর সংক্রান্ত সব নথি (ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ইউটিলিটি বিল, খরচের রসিদ) নিজ হেফাজতে রাখুন।

#​যেহেতু অডিট প্রক্রিয়াটি এখন সম্পূর্ণ ডাটা ও রিস্ক-বেসড তাই,তথ্য গোপন করা বা ভুল তথ্য দেওয়ার চেয়ে ​সঠিক তথ্য ও সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নিলে অডিট আপনার জন্য সহজ ও ভীতিমুক্ত হবে।

07/05/2026

📢 আয় নেই, তাই ব্যয়ও নেই? জিরো রিটার্ন (০) শূন্য রিটার্ন দাখিলে যে ভুলটি আমরা অনেকেই করছি!

বর্তমানে অনেক টিআইএন (TIN) সার্টিফিকেটধারী মনে করেন, যেহেতু তার করযোগ্য আয় নেই, তাই রিটার্ন ফর্মে আয় এবং ব্যয়—উভয় কলামেই '০' (Zero) লিখে জমা দিলেই কাজ শেষ।

কিন্তু আইনত এবং বাস্তবসম্মতভাবে এটি একটি বড় ভুল।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্বেই ঘোষণা করেছে যে, জিরো রিটার্ন বলে আইনে কিছু নেই এবং জিরো রিটার্ন দিলে সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা হবে।

⚠️ কেন "০" আয়-ব্যয় দেখানো যৌক্তিক নয়?

১. জীবনযাত্রার খরচ (Cost of Living) : একজন মানুষ বেঁচে থাকলে তার ন্যূনতম কিছু খরচ থাকেই। খাওয়া-দাওয়া, যাতায়াত বা মোবাইল রিচার্জ—কিছু না কিছু ব্যয় সবারই হয়।

ফর্মে '০' ব্যয় দেখানোর অর্থ হলো আপনি অলৌকিকভাবে কোনো খরচ ছাড়াই বেঁচে আছেন, যা আয়কর কর্মকর্তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

যেমন- আপনার হাতে অবশ্যই একটি মোবাইল ফোন আছে বা আপনি তো জামা-কাপড় পরিধান করেন, সুতরাং এগুলো কিনতে তো টাকা খরচ করতে হয়েছে, তাহলে আপনার ব্যয় "০" শূন্য কিভাবে হলো??

২. আয়ের উৎস ও সঞ্চয় : যদি আপনার আয় না থাকে, তবে সেই খরচের টাকাটা কোথা থেকে আসছে (যেমন: পরিবারের সহায়তা বা পূর্বের সঞ্চয় বা পিতা-মাতা দিয়েছে) তা উল্লেখ করতে হবে।

কিন্তু মজার বিষয়টি হচ্ছে, অনেকেই এই রিটার্ন ইউটিউবে অনভিজ্ঞদের ভিডিও দেখে নিজে করেছে অথবা এলাকার কোনো কম্পিউটার অপারেটর থেকে করেছে, আসল বিষয়টা হচ্ছে উভয়েই আইন সম্পর্কে কিছুই জানে না।

৩. ভবিষ্যৎ জটিলতা : আপনি যদি টানা কয়েক বছর কোনো ব্যয় না দেখিয়ে রিটার্ন জমা দেন, তবে ভবিষ্যতে যখন আপনি কোনো সম্পদ (জমি বা গাড়ি বা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ ভ্রমণ বা ওয়ারিশ হিসেবে জমির মালিকানা পাবেন) অথবা ক্রয় করবেন বা বড় অংকের লেনদেন করবেন, তখন আপনার পূর্বের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

তখনই আপনি পড়বেন মহাবিপদে, আপনার ফাইল যাবে অডিটে অথবা আপনার নামে আসবে আইনি নোটিশ।

আমরা অনেকেই আছি, মনে করি আরে যা হবে দেখা যাবে কিন্তু আগে থেকে সাবধান থাকবো না।

✅ সঠিক নিয়ম কী?

☑️ প্রকৃত তথ্য দিন : আপনার আয় যদি করসীমার নিচে হয় বা কোন আয় না থাকে, তবে আপনি 'শূন্য ট্যাক্স রিটার্ন' (Zero Tax Return) জমা দেবেন, কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনি 'শূন্য তথ্য' দেবেন।

☑️ ব্যয় উল্লেখ করুন : আপনার বাৎসরিক জীবনযাত্রার একটি আনুমানিক খরচ (যেমন : আপনার হাত খরচ, জামা-কাপড়ের খরচ, মোবাইল খরচ ও অন্যান্য খরচ) ফর্মে অবশ্যই দেখাতে হবে।

☑️ অর্থের উৎস : এই ব্যয়ের টাকাটা যদি আপনার নিজের আয় না হয়, তবে সেটি "কোন উৎস" বা "উপহার/পারিবারিক সহায়তা" কোথা থেকে পেয়েছেন তা উল্লেখ করতে হবে।

⚠️ মনে রাখবেন, আয়কর রিটার্ন কেবল একটি কাগজ নয়, এটি আপনার আর্থিক স্বচ্ছতার ও সম্পূর্ণ জীবন-যাপন সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রমাণ।

ইতিমধ্যেই ৭২,৩৪১ জনের ফাইল অডিটের জন্য সিলেক্ট করেছে NBR, এবং যারা রিটার্ন জমা করেননি তাদের মোট সংখ্যা ৮০ লাখ।

সবার নামে আইনি নোটিশ ইস্যু করতে চলেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং ধাপে ধাপে সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে।

যদি করযোগ্য আয় থাকে তাহলে নিয়মিত কর প্রদান করুন। আয় না থাকলে ভবিষ্যত ঝুঁকির কথা চিন্তা করে সঠিক তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা করুন।

✅ রিটার্নে ভুল তথ্য দিয়ে নিজেকে আইনি ঝুঁকিতে ফেলবেন না। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।

🙏 সচেতন থাকুন, সঠিকভাবে রিটার্ন জমা দিন। 🇧🇩

✆01811-878760 কল/ Whatsapp

🔰জিরো রিটার্ন (Zero Tax) নিয়ে কিছু কথা। 🔰যারা ইচ্ছে করে জিরো রিটার্ন দিয়েছি দয়া করে নিচের তথ্য গুলো মিলিয়ে দেখবেন যেন এগ...
06/05/2026

🔰জিরো রিটার্ন (Zero Tax) নিয়ে কিছু কথা।

🔰যারা ইচ্ছে করে জিরো রিটার্ন দিয়েছি দয়া করে নিচের তথ্য গুলো মিলিয়ে দেখবেন যেন এগুলো সঠিক ভাবে রিটার্নে দিয়েছেন কিনা, যদি না দিয়ে থাকেন তাহলে রিটার্ন সংশোধন করে নিবেন, এতে আপনার জন্য অনেক ভাল হবে।

Income Tax Act 2023, অনুসারে একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার প্রথম ট্যাক্স রিটার্ন (First Tax Return) অথবা শূন্য ট্যাক্স রিটার্ন (Zero Tax Return) দাখিল করার সময় নিম্নের কিছু বিষয় গুলোর তথ্য বিবেচনায় নিয়ে করদাতাকে প্রথম কর রিটার্ন দাখিল করিতে হইবে এবং আইন অনুযায়ী যদি রিটার্ন দাখিল করার সময় সকল হিসাব নিকাশ করার পর যদি Tax আসে তাহলে সরকারকে Tax দিতে হয়। আর যদি আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল করার সময় Tax না আসে তাহলে সরকারকে ট্যাক্স দিতে হবে না! আর এটাকেই আমরা শূন্য কর রিটার্ন (Zero Tax Return) বলি।

🔰এখানে চিন্তার বিষয় হলো (Zero Tax Return) দিতে গিয়ে নিচের উল্লেখিত বিষয় গুলোর যদি কোনোটা একজন করদাতার থাকে তাহলে এই তথ্য গুলো সঠিক ভাবে রিটার্নে দেখাতে হবে, এই তথ্য গুলো দেখাতে কখনো ভুল করা যাবেনা।

যদিও আমরা জমি, ফ্লাট, ব্যাংক হিসাব, ব্যাংক লোন, আরো অনেক সম্পদ ও দায় গোপন করে এবং আয় - ব্যয় গোপন করে রিটার্ন দাখিল করি, এটা কখনো করা যাবে না, সকল তথ্য সঠিক ভাবে উপস্থাপন করে আমাদের Tax Return দাখিল করতে হবে।

আপনার ফাইল যদি অডিটে পরে তখন কিন্তু তথ্য গোপন এর কারণে মহা বিপদে পড়বেন!

🔰করদাতার নামে যদি কোনো জমি থাকে (কৃষি ও অকৃষি জমি) অথবা বাড়ি, ফ্লাট ইত্যাদি থাকে তা অবশ্যই আয়কর রিটার্ন এ দেখাতে হবে। (অনেকেই বলবে জমি / ফ্লাট দেখালে, Tax দিতে হবে, তাই না দেখানো ভালো হবে, তাদের কথাশুনা যাবেনা, আপনারা অবশ্যই জমি / ফ্লাট রিটার্ন এ দেখাবেন)।

🔰 করদাতার নামে যদি কোনো মোটর গাড়ি থাকে তাহলে দেখাতে হবে। মোটর যান (রেজিস্ট্রেশন খরচসহ ক্রয়মূল্য) মোটর যানের প্রকৃতি ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করতে হবে)।

🔰করদাতার নামে যদি কোনো ব্যাংক একাউন্ট থাকে, (যতগুলো ব্যাংক একাউন্ট থাকবে সব ব্যাংক একাউন্ট দেখাতে হবে)।

🔰 ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে যদি কোন কিছু করা হয় তাহলে ব্যাংক ঋণ দেখাতে হবে। আমরা অনেক সময় রিটার্ন এ কোনো জমি দেখাইনা কিন্তুু ঐ জমির উপর বিল্ডিং করার জন্য ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে থাকি আর আমাদের তখনই মনে হয় রিটার্ন এ জমি না প্রদর্শন করে ভুল করেছি তাই প্রথম রিটার্ন এ সকল সঠিক তথ্য প্রদর্শন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

➡️ শেয়ার/ডিবেঞ্চার/বন্ড/সিকিউরিজ /ইউনিট সার্টিফিকেট।
➡️সঞ্চয়পত্র/ডিপোজিট পেনশন স্কিম।
➡️ঋণ প্রদান ( অন্যকে ঋন দিলে, ঋণ গ্রহণকারীর নাম ও NID এনআইডি উল্লেখ করুন)
➡️প্রভিডেন্ট ফান্ড বা অন্যান্য ফান্ড (যদি থাকে)
➡️অলংকারাদি (পরিমাণ উল্লেখ করুন),
➡️আসবাবপত্র ও ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী।
➡️ অন্যান্য পরিসম্পদ ( অনেকের কিছু গরু, মহিষ ইত্যাদি থাকে এগুলো ও রিটার্ন এ অন্যান্য পরিসম্পদ এ দেখতে হয়।

সঞ্চয়পত্রের উৎস কর সনদ ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করার ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে চলেছে NBR.সঞ্চয়পত্রের সার্ভার এবং ই-রিটা...
06/05/2026

সঞ্চয়পত্রের উৎস কর সনদ ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করার ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে চলেছে NBR.

সঞ্চয়পত্রের সার্ভার এবং ই-রিটার্ন সফটওয়ারের মধ্যে আন্তঃসংযোগ সম্পন্ন হয়েছে।

অর্থাৎ এখন থেকে আপনাকে আর কষ্ট করে ব্যাংক অথবা সঞ্চয় ব্যুরো থেকে সঞ্চয়পত্রের উৎস কর সনদ সংগ্রহ করতে হবে না।

একইসাথে আপনার আয়কর রিটার্ন ফাইল তৈরির সময় সঞ্চয়পত্র আয় গোপন করার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

কেউ যদি তার সঞ্চয়পত্র আয় অথবা সম্পদ গোপন করেন তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মুহূর্তের মধ্যে তা ধরে ফেলবে।

এভাবেই আগামী অর্থ বছর শুরু হবার আগে হয়তো আপনার ব্যাংক হিসাবের সাথে ই-রিটার্ন ওয়েবসাইট কানেক্টেড হয়ে যাবে। অতএব, দায়সারা রিটার্ন করার দিন শেষ।

আপনি যখন ভুল আয়কর রিটার্ন জমা দিবেন অথবা আয় গোপন করে কর ফাঁকি দিবেন, তখনই আপনার কাছে NBR থেকে জরিমানার নোটিশ আসার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

** মনে রাখবেন, সম্পদ ও আয়ের তথ্য গোপন করে আয়কর ফাঁকি দেওয়া কোনো সঠিক সমাধান না।

বরং সঠিক সময়ে সুনির্দিষ্ট বিনিয়োগের মাধ্যমে আয়কর হ্রাস করে 100% নির্ভুল ভাবে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলেই একমাত্র এসব ভোগান্তি ও জরিমানা এড়িয়ে চলা সম্ভব।

ঘরে বসে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন সংক্রান্ত সম্পর্কিত তথ্য ও সেবার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

01811-878760

03/05/2026

একটি সুখবর!
অকার্যকর টিন (TIN) বাতিলে শীঘ্রই ‘ক্লিনজিং অপারেশন’ শুরু করবে NBR। যেসব ব্যক্তি করযোগ্য আয় না থাকা সত্ত্বেও TIN নিয়েছেন কিম্বা দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় রয়েছেন তাদের TIN বাতিল/ডিরেজিস্ট্রেশন করবে NBR।

🔰ট্যাক্স প্ল্যানিং করবর্ষ  ২০২৬–২০২৭ | 🔰নতুন আয়কর আইন অনুযায়ী আপডেট🔰বাংলাদেশের **Income Tax Act, 2023 (সংশোধিত ২০২৫)** অ...
01/05/2026

🔰ট্যাক্স প্ল্যানিং করবর্ষ ২০২৬–২০২৭ |
🔰নতুন আয়কর আইন অনুযায়ী আপডেট
🔰বাংলাদেশের **Income Tax Act, 2023 (সংশোধিত ২০২৫)** অনুযায়ী AY 2026–2027 এর জন্য এখনই ট্যাক্স প্ল্যানিং শুরু করুন। সঠিক পরিকল্পনা করলে আপনি বৈধভাবে অনেক কর সেভ করতে পারবেন

🔰 স্বাভাবিক ব্যক্তির করমুক্ত আয়: **৳৩,৭৫,০০০**
🔰 নারী ও সিনিয়র সিটিজেন: ৳৪,২৫,০০০
🔰 প্রতিবন্ধী: ৳৫,০০,০০০
🔰 মুক্তিযোদ্ধা: ৳৫,২৫,০০০

📊 নতুন কর স্ল্যাব:
⏩ ৩.৭৫ লাখ পর্যন্ত – ০%
⏩ পরের ৩ লাখ – ১০%
⏩পরের ৪ লাখ – ১৫%
⏩পরের ৫ লাখ – ২০%
⏩পরের ২০ লাখ – ২৫%
⏩অবশিষ্ট – ৩০%

🔰 নতুন আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
⏩ পুরনো ১৯৮৪ আইনের পরিবর্তে **Income Tax Act 2023** চালু হয়েছে
⏩ট্যাক্স সিস্টেম আরও সহজ ও স্বচ্ছ করা হয়েছে
⏩ e-Return জমা এখন বাধ্যতামূলক (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে)
⏩ ফাইন্যান্স অর্ডিন্যান্স ২০২৫ অনুযায়ী নতুন সীমা ও রেট কার্যকর

🔰কীভাবে ট্যাক্স কমাবেন?
✅ DPS / Insurance / PF / Bond-এ ইনভেস্ট করুন
✅ ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করুন
✅ সময়মতো রিটার্ন জমা দিন

⭕মনে রাখবেন:
Tax planning না করলে আপনি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কর দিচ্ছেন!

তাই করদায় কমাতে ৩০ জুন ২০২৬ এর আগে বিনিয়োগ করুন।

29/04/2026

৭২,৩৪১ জনের TIN অডিটের জন্য সিলেক্ট হয়েছে ।

আপনারটা সেই লিস্টে আছে কিনা, ৫ চেক করুন আপনার টি আই এন নাম্বার দিয়ে ।

আয়বর্ষ  ২০২৫-২০২৬ যার করবর্ষ ২০২৬-২০২৭ এর জন্য Tax planning নেওয়ার সময় ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত অর্থাৎ আর মাত্র ২ মাস বাকি!!!...
27/04/2026

আয়বর্ষ ২০২৫-২০২৬ যার করবর্ষ ২০২৬-২০২৭ এর জন্য Tax planning নেওয়ার সময় ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত অর্থাৎ আর মাত্র ২ মাস বাকি!!!!!

এখন কথা হচ্ছে Tax planning কি?
Tax planning মানে হলো—আইনের মধ্যে থেকে (legal way) নিজের বা কোম্পানির ট্যাক্স কমানো, সঠিকভাবে ম্যানেজ করা, এবং future liability control করা।

সহজভাবে বললে:
👉 “যতটুকু ট্যাক্স দেওয়া লাগে, ঠিক ততটুকুই দেব—এক টাকাও বেশি না, আবার কমও না (illegal না করে)”—এইটাই tax planning।

🔎 Tax Planning কেন দরকার?

১. Tax liability কমানো
২. Cash flow ঠিক রাখা
৩. Penalty ও fine এড়ানো
৪. Financial decision smart করা
৫. Business growth support করা

🧠 Tax Planning vs Tax Evasion (এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ)
Tax Planning ✅ (Legal)
আইন মেনে ট্যাক্স কমানো
Tax Evasion ❌ (Illegal)
আয় লুকানো বা ভুয়া খরচ দেখানো

👉 উদাহরণ:

Investment করে rebate নেওয়া = ✔️ Planning
আয় লুকানো = ❌ Evasion

Address

Gulshan
Dhaka
1212

Telephone

+8801811878760

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tax Return posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tax Return:

Share