01/05/2026
আপনার আয়কর ফাইল যদি অডিট তালিকায় থাকে তাহলে আপনার জন্য আইনি পরামর্শ:
# অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে উপ-কর কমিশনার (DCT) আপনার কাছে ব্যাখ্যা বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়ে নোটিশ পাঠাবেন। যদি ডাকযোগে নোটিশ না পান, তবে এনবিআর-এর ওয়েবসাইটে আপনার টিআইএন (TIN) দিয়ে যাচাই করুন এবং দ্রুত সার্কেল অফিসের সাথে যোগাযোগ করে নোটিশটি সংগ্রহ করুন [ধারা ১৮২ ও ১৮৩]।
# অডিট মূলত নির্দিষ্ট তথ্যের অসংগতি (যেমন: সম্পদের গরমিল, আয়ের উৎসের অপ্রতুলতা বা ব্যাংক স্টেটমেন্টের সাথে রিটার্নের পার্থক্য) থাকলেই অডিট হয়। নোটিশে ঠিক কোন বিষয়ের ওপর ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে তা ভালোভাবে বুঝে নিন।
# শুনানির আগে সারা বছরের সব ব্যাংক লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ,জমি, ফ্ল্যাট বা সঞ্চয়পত্রের সঠিক তথ্য ও সার্টিফিকেট, জীবনযাত্রার ব্যয় বা ব্যবসার খরচের প্রমাণাদি,রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে পিআরসি (PRC) এবং করছাড় বা টিডিএস (TDS) ক্লেইম করলে তার সপক্ষে চালান বা সার্টিফিকেট এসব ডকুমেন্টগুলো গুছিয়ে রাখুন।
# নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্যাক্স অফিসে লিখিত জবাব দাখিল করুন,শুনানির সময় আপনি বা আপনার ট্যাক্স কনসালটেন্ট বা প্রতিনিধির মাধ্যমে যৌক্তিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করুন।
# আপনার দেওয়া তথ্য ও ব্যাখ্যা যদি কর কর্মকর্তার কাছে সন্তোষজনক হয়, তবে অতিরিক্ত কর আরোপ ছাড়াই অডিট সম্পন্ন হতে পারে। অন্যথায়, কর্মকর্তা আপনার আয়ের ওপর অতিরিক্ত কর ও জরিমানা আরোপ করতে পারে।
# অডিট থেকে বাঁচতে বা অডিট পরবর্তী ঝামেলা এড়াতে পরবর্তী অন্তত ৬ বছরের আয়কর সংক্রান্ত সব নথি (ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ইউটিলিটি বিল, খরচের রসিদ) নিজ হেফাজতে রাখুন।
#যেহেতু অডিট প্রক্রিয়াটি এখন সম্পূর্ণ ডাটা ও রিস্ক-বেসড তাই,তথ্য গোপন করা বা ভুল তথ্য দেওয়ার চেয়ে সঠিক তথ্য ও সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নিলে অডিট আপনার জন্য সহজ ও ভীতিমুক্ত হবে।