18/10/2025
E-RETURN - INCOME TAX, VAT, RJSC RETURN, AUDIT & ACCOUNTS
FEEL FREE TO CALL FORM 7.30 PM. TO 10 PM.
সময় মতো ট্যাক্স রিটার্ন জমা না দেওয়া সংক্রান্ত, আইনি জটিলতা এবং জরিমানা এড়াতে, সময়মতো আপনার ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন সাবমিট করুন!
মাত্র ২০০০ টাকা থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ ঝামেলাবিহীনভাবে জিরো ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিন ।
ইমেইল বা হোয়াটসঅ্যাপ করে ডকুমেন্টস পাঠাবেন, ঘরে বসে পেয়ে যাবেন সম্পূর্ণ অনলাইন ভেরিফিকেশন সহ ট্যাক্স সার্টিফিকেট।
ট্যাক্স রিটার্ন জমা না দিলে কি হয় -
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী যাদের ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা টিআইএন রয়েছে তাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক। তবে রিটার্ন দাখিল করলেই যে আয়কর দিতে হবে তা নয়। কারো আয় যদি করযোগ্য না হয় তাহলে কর দেওয়ার প্রয়োজন নেই, শুধু রিটার্ন জমা দিলেই হবে।
একজন ব্যক্তি রিটার্ন জমা না দিয়ে নিজের জন্য বড় ধরনের ঝামেলার পথ তৈরি করছেন।
জরিমানা কিভাবে হতে পারে-
# আইন অনুযায়ী যদি কোনো ব্যক্তি সময়মতো আয়কর রিটার্ন দিতে ব্যর্থ হন, এক্ষেত্রে অধ্যাদেশ অনুযায়ী এক হাজার টাকা অথবা আগের বছরের ট্যাক্সের ১০% জরিমানা করা যাবে। এ দুটির ভেতরে যেটি পরিমাণে বেশি সেই অঙ্কটি পেনাল্টি হতে পারে।
# কয়েক বছর ধরে যদি কেউ রিটার্ন দাখিল না করেন তাহলে ওই জরিমানা ছাড়াও যতদিন ধরে তিনি রিটার্ন দেননি ওই পুরো সময়ের দিন প্রতি ৫০ টাকা করে জরিমানা হতে পারে।
# পুরোনো করদাতা হলে আগের বছর যে পরিমাণ অর্থ আয়কর হয়েছে সেটিসহ ওই অর্থের ৫০% পর্যন্ত বাড়তি দিতে হতে পারে।
# যারা করযোগ্য হওয়ার পরও একেবারেই কর দেন না, তাদের ক্ষেত্রে, তিন ধরনের জরিমানা করা হয়। একটি হলো যে পরিমাণ কর বকেয়া হয়েছে সেটি ছাড়া আরও ২৫% বাড়তি জরিমানা করার বিধান রয়েছে।
# দ্বিতীয়টি যে পরিমাণ কর বকেয়া হয়েছে তার ওপর ২% হারে মাসিক সরল সুদ। যে পরিমাণ কর বকেয়া হয়েছে তার সমপরিমাণ জরিমানা।
যেসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন
# কর অব্যাহতির সুবিধা প্রাপ্ত হবেন না অর্থাৎ তার যেকোনো ধরনের কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয় করযোগ্য আয় হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
# কর মুক্ত আয়ের সুবিধা প্রাপ্ত হবেন না অর্থাৎ তার যেকোনো ধরনের কর মুক্ত আয় করযোগ্য আয় হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
# হ্রাসকৃত হারে কর প্রদানের সুবিধা প্রাপ্ত হবেন না।
# কোনো ধরনের বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা প্রাপ্ত হবে না।
# আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৪ অনুযায়ী তাকে অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে।
# আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৬৬ অনুযায়ী তাকে নির্ধারিত হারে জরিমানা পরিশোধ করতে হবে
আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে আরও যেসব সমস্যায় পড়তে পারেন-
# আয়কর রিটার্ন ঠিক সময়ে জমা দেন না তারা পরবর্তীতে কোনো ট্রেড লাইসেন্স করতে ঝামেলা হবে।
# ধরুন, আয়কর ফাঁকি দিচ্ছেন দীর্ঘদিন। হঠাৎ প্রয়োজন হলো বিদেশ যাওয়ার। ভিসা সহজে মিলবে না আপনার। কেননা আয়কর জমা দেওয়ার সব তথ্যই আপনাকে সেখানে দাখিল করতে হবে।
রিটার্ন জমা না দিলে জরিমানা এবং অন্যান্য ঝামেলায় পড়তে হয়, তা থেকে মুক্তির অবশ্যই সবচেয়ে বড় উপায় হচ্ছে প্রতি বছর সময় মতো রিটার্ন জমা দেয়া।
আয়বর্ষ ২০২৪-২০২৫ অথবা করবর্ষ ২০২৫-২০২৬ এ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে আপনার যা যা প্রয়োজন -
ব্যক্তিগত তথ্য :
1. Photocopy of E-TIN certificate.
2. Photocopy of NID.
3. 1 copy Passport size photo
চাকুরির তথ্য :
1. Salary certificate.
2. Bank statement from 01-07-2024 to 30-06-2025. 3. Provident fund info. (if any)
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক স্টেটমেন্ট
বিনিয়োগের তথ্য:
1. D.P.S (যদি থাকে)
2. Insurance certificate (যদি থাকে).
3. Share Market Investment (যদি থাকে)
4. (সঞ্চয় পত্র - যদি থাকে)
সম্পদ ও দায় বিবরনীঃ
1. House, Apartment (যদি নিজ নামে থাকে)
2. Land, Car , Furniture , Electronics, etc. (যদি নিজের নামে থাকে)
3. Bank Loan info. (যদি নিজ নামে হয়)
4. Others Loan (যদি নিজ নামে হয়)।
বি দ্রঃ যদি আপনি আগে রিটার্ন জমা দিয়ে থাকেন তাহলে অবস্য ই ঐ রিটানের একটি ফটো কপি লাগবে।
Company Tax -return