15/05/2026
ইনকাম ট্যাক্স টিপস -
আপনার ট্যাক্সের পরিমাণ যদি ন্যূনতম এমাউন্ট অর্থাৎ ৫,০০০, ৪,০০০ বা ৩,০০০ টাকা অতিক্রম করে, তবে এই টিপসটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ!
আপনি যদি বাড়তি ট্যাক্স দিতে না চান, তাহলে চলতি অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত ইনভেস্টমেন্ট কোঠা দ্রুত পূর্ণ করুন। তাহলেই আইনের আওতায় থেকে আপনার ট্যাক্সের পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারবেন।
আপনি কীভাবে বুঝবেন, কত টাকা ইনভেস্ট করবেন?
আপনার মোট আয় থেকে—
কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয়,
হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য এমন আয় এবং
ন্যূনতম কর প্রযোজ্য এমন আয় থাকলে তা বাদ দিয়ে যে পরিমাণ আয় থাকে, সেটিই আপনার বিনিয়োগযোগ্য মোট আয়।
আপনি যদি এই বিষয়গুলো বুঝে না উঠতে পারেন, তাহলে করযোগ্য আয়ের ২০% ধরে ইনভেস্ট করুন—একটু বেশি ইনভেস্ট হলেও কোনো সমস্যা নেই, তবে ইনভেস্ট কম হলে আনুপাতিক হারে রেয়াতও কম পাবেন।
এখন প্রশ্ন হলো, কোথায় ইনভেস্ট করলে এই কর রেয়াত পাওয়া যাবে?
নিম্নোক্ত খাতে ইনভেস্ট করলে আপনি অর্থমূল্যে ফেরত পাবেন:
জীবন বিমার প্রিমিয়াম;
প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা;
কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠী বিমা তহবিলে চাঁদা;
সুপার এনুয়েশন ফান্ডে প্রদত্ত চাঁদা;
তফসিলভুক্ত ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ডিপোজিট পেনশন স্কিমে বার্ষিক সর্বোচ্চ ১,২০,০০০ টাকা বিনিয়োগ;
সার্বজনীন স্কিমে প্রদেয় যেকোনো পরিমাণ চাঁদা;
যেকোনো সিকিউরিটিজ ক্রয়ে (যেমন সঞ্চয়পত্র, বন্ড) সর্বোচ্চ ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ;
বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার, স্টক, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বা ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ।
যেমন:
একজন স্বাভাবিক করদাতার বছরে করযোগ্য আয় যদি ৮,০০,০০০ টাকা হয়, তবে তার ইনভেস্টএবল এমাউন্ট হবে:
৮,০০,০০০ × ২০% = ১,৬০,০০০ টাকা
এই টাকার ওপর কর রেয়াত হবে:
১,৬০,০০০ × ১৫% = ২৪,০০০ টাকা
এই ৮ লাখ টাকার উপর তার ট্যাক্স আসে ৪০,০০০ টাকা।
রেয়াতের পর তাকে দিতে হবে মাত্র:
৪০,০০০ – ২৪,০০০ = ১৬,০০০ টাকা
অর্থাৎ, ২৪,০০০ টাকা সাশ্রয়, যা ৬০% ট্যাক্স সেভিংস।
এখন সিদ্ধান্ত আপনার—আপনি কি ট্যাক্স বাঁচাতে চান?
সবাইকে ধন্যবাদ।
সঞ্জয় মালাকার
আয়কর আইনজীবী
📞 01911-239407