29/05/2026
বিদেশে সম্পদ আছে, কিন্তু আয়কর রিটার্নে নেই — কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?
▪️ আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ২১ অনুযায়ী, বিদেশে থাকা অপ্রদর্শিত সম্পদ গুরুতর কর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
▪️ বিদেশে ব্যাংক ব্যালেন্স, ফ্ল্যাট, জমি, শেয়ার, নগদ অর্থ বা অন্য সম্পদ রাখা নিজে অপরাধ নয়; তবে তা রিটার্নে উল্লেখ না করলে সমস্যা হতে পারে।
▪️ “অপ্রদর্শিত বিদেশস্থ সম্পত্তি” বলতে এমন সম্পদ বোঝায়, যা আয়কর রিটার্ন বা সম্পদ বিবরণীতে দেখানো হয়নি।
▪️ করদাতা যদি সম্পদের উৎস, বৈধতা, মালিকানা, বা অর্থ বিদেশে যাওয়ার বৈধ পদ্ধতির ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে DCT ব্যবস্থা নিতে পারেন।
▪️ আইন অনুযায়ী, অপ্রদর্শিত বিদেশস্থ সম্পদের Fair Market Value (বাজারমূল্য) এর সমপরিমাণ জরিমানা আরোপ করা হতে পারে।
▪️ জরিমানার আগে করদাতাকে শুনানির সুযোগ দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় নথি উপস্থাপনের সুযোগ থাকবে।
▪️ কর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে ব্যাংক রেকর্ড, রেমিট্যান্স ট্রেইল, আয় উৎস ও মালিকানার তথ্য যাচাই করতে পারে।
▪️ একই ঘটনায় কর ফাঁকি, অঘোষিত আয় বা মানি লন্ডারিংয়ের প্রশ্নও উঠতে পারে।
▪️ তাই বিদেশে সম্পদ থাকলে সবসময়—
✔️ Source of Fund
✔️ Banking Trail
✔️ Remittance Trail
✔️ Ownership Proof
✔️ Return Disclosure
সঠিক ও প্রমাণযোগ্য রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
📢 সচেতন হোন, ঝামেলা এড়ান।