এখলাসুর রহমান এহিয়া

এখলাসুর রহমান এহিয়া For better service we are with you.

 #শুভ_সকাল যদি সকালে উঠে লাল আকাশ দেখতেন। সারাদিন লাল। রাতেও লাল। কেমন লাগত?হয়তো মাথা ধরত। চোখ জ্বলত। মন অস্থির হতো।কিন...
18/08/2026

#শুভ_সকাল

যদি সকালে উঠে লাল আকাশ দেখতেন। সারাদিন লাল। রাতেও লাল। কেমন লাগত?

হয়তো মাথা ধরত। চোখ জ্বলত। মন অস্থির হতো।

কিন্তু আকাশ নীল। কেন?

বিজ্ঞান বলে, সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ার সময় নীল আলো তুলনামূলক বেশি ছড়িয়ে পড়ে। তাই আমাদের চোখে আকাশ নীল দেখায়।

কিন্তু কে ঠিক করলেন আলো এভাবে ছড়াবে? কে ঠিক করলেন বায়ুমণ্ডল এমন হবে? কে মানুষের চোখকে এমনভাবে সৃষ্টি করলেন, যাতে এই নীল আকাশ আমাদের কাছে এত প্রশান্ত লাগে?

আল্লাহ চোখও বানিয়েছেন। আকাশও বানিয়েছেন।

আল্লাহ বলেন,
"তিনি আকাশকে সুউচ্চ করেছেন এবং ভারসাম্য স্থাপন করেছেন।" *সূরা আর-রহমান ৭*

আকাশের দিকে তাকান। এই নীলটা কাকতালীয় নয়। হয়তো আল্লাহ আপনার চোখের জন্যই এই সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছেন।
Courtesy:
প্রাত্যহিক কুরআন পাঠ।
Photo : Tanguar Haor

13/07/2026

#রবের_অমোঘ_স্মরণ

কয়েক দিন আগে ইমিগ্রেশন-সংক্রান্ত একটি বিষয় জানতে একটি এআই প্ল্যাটফর্মে খোঁজ করেছিলাম। গতকাল একই ধরনের আরেকটি বিষয় জানতে আবার সার্চ করলাম। অবাক হয়ে দেখলাম, নতুন উত্তরের সঙ্গে আগের অনুসন্ধানের তথ্যও মিলিয়ে প্রাসঙ্গিক উত্তর দিচ্ছে।

তখন মনে হলো—মানুষের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিই যদি পুরোনো তথ্য সংরক্ষণ করে সময়মতো স্মরণ করতে পারে, তবে যিনি মানুষকে এই জ্ঞান দান করেছেন, সেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার কাছে আমাদের কোনো আমল, কোনো দোয়া বা কোনো অশ্রুই কি হারিয়ে যেতে পারে?

আল্লাহ তাআলা বলেন, "আমার রব ভুল করেন না এবং বিস্মৃতও হন না।" (সূরা ত্বা-হা, ২০:৫২)

তিনি আরও বলেন, "যে ব্যক্তি অণু পরিমাণ সৎকাজ করবে, সে তা দেখতে পাবে।" (সূরা আয-যিলযাল, ৯৯:৭)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "তোমাদের দোয়া কবুল করা হয়, যতক্ষণ না কেউ তাড়াহুড়া করে বলে—'আমি দোয়া করেছি, কিন্তু কবুল হলো না।'" (সহিহ আল-বুখারী ও সহিহ মুসলিম)

তাই ঈমানদারের বিশ্বাস—আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া, কোনো নেক আমল বা কোনো আশা হারিয়ে যায় না। তিনি যথাসময়ে, তাঁর সর্বোত্তম হিকমত অনুযায়ী বান্দার প্রার্থনার জবাব দেন। প্রযুক্তির এই ছোট্ট অভিজ্ঞতা আমাকে আবারও সেই চিরন্তন সত্যটিই স্মরণ করিয়ে দিল।

#পাদটীকা: এখানে এআই-এর উদাহরণটি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার সঙ্গে তুলনা করার জন্য নয়; বরং মানুষের সীমিত প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে উপলক্ষ করে আল্লাহর অসীম জ্ঞান ও সর্বজ্ঞতার কথা স্মরণ করার জন্য।

২০১৮ সালের বিশ্বকাপ চলাকালীন লেখা এই ছড়াটি আজ ফেসবুকের স্মৃতি (Memory) হয়ে আবার সামনে চলে এলো। #ফুটবল_ক্যারিয়ার জাম্বুরা...
06/07/2026

২০১৮ সালের বিশ্বকাপ চলাকালীন লেখা এই ছড়াটি আজ ফেসবুকের স্মৃতি (Memory) হয়ে আবার সামনে চলে এলো।

#ফুটবল_ক্যারিয়ার

জাম্বুরা ফুটবল দিয়ে শুরু ক্যারিয়ার,
উদোল গায়ে আমরা সব প্লেয়ার।
গাঁয়ের কোণে ছোট্ট খেলার মাঠ,
নিত্য হাজির চুকিয়ে স্কুলের পাঠ।

চাঁদা করে মাঠে নামাই নতুন বল,
খেলার নেশায় গড়ে উঠত বিশাল দল।
ম্যাচ হত প্রায় এপাড়া বনাম ওপাড়া,
ছোট-বড় সবার মাঝে পড়ে যেত সাড়া।

কখনো বা ম্যাচে আসত ত্রিপুরার দাদারা,
হায়ার করে দল ভারী করতাম আমরা।
বলে রাখি, মাঠটি ছিল সীমান্তিক—
বিনা বাধায় ম্যাচ হত, তাই আন্তর্জাতিক!

পড়ার তরে গ্রাম ছেড়ে যাই শহরে,
সুযোগ পেলেই মাঠে যেতাম তিন প্রহরে।
খেলার আড্ডায় চলে আসে বিশ্বকাপ,
রঙিন টিভিওয়ালা বাসায় বাড়াই উত্তাপ।

ম্যাথিউস, জিকো, ম্যারাডোনা—সুপারস্টার,
কে জিতবে কাপ—চলত দেনদরবার।
এখন তো খেলি না, খেলাই ওদের,
তাই বলেও বিশ্রাম কই মোদের!

নামী-দামী দলও হয় কুপোকাত,
চেয়ে থাকি—কে জিতে যায় অকস্মাৎ।
দল বদলে অনেক এখন ভগ্নদিল,
কোয়ার্টারে এসে বিদায় নিল ব্রাজিল।

ফেসবুক স্মৃতি ফিরিয়ে দিল সেই দিন,
আট বছর পরও অমলিন তার রঙিন ঋণ।
মাঠ বদলেছে, সময় বদলেছে, বদলেছে খেলার ঢঙ—
তবু ফুটবল এলেই জেগে ওঠে শৈশব, হৃদয়ে বাজে সেই পুরোনো সুর-রঙ।

আজ একটি দৃশ্য দেখে হঠাৎ শৈশবের একটি স্মৃতি মনে পড়ে গেল।আজ বাংলাদেশের মাননীয় স্পিকার ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কফিনে শ্রদ্ধ...
03/07/2026

আজ একটি দৃশ্য দেখে হঠাৎ শৈশবের একটি স্মৃতি মনে পড়ে গেল।

আজ বাংলাদেশের মাননীয় স্পিকার ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কফিনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন। সামরিক বিউগলের সুরে তাঁর পদচারণা ছিল অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সৈনিকসুলভ। তখনই মনে পড়ল—তিনি তো একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা।

কেন জানি, সেই মুহূর্তে শৈশবে মক্তবে শেখা একটি ফারসি ছড়াও মনে ভেসে উঠল।

একসময় উপমহাদেশে রাজকার্যে ফারসি ভাষার ব্যাপক ব্যবহার ছিল। ইসলামী জ্ঞানচর্চার অনেক ধারাও আরবি থেকে ফারসি ও পরে উর্দুর মাধ্যমে আমাদের কাছে পৌঁছেছে। তাই সে সময় মক্তবের শিক্ষায় ফারসিরও একটি বিশেষ স্থান ছিল।

বর্তমানে অধিকাংশ মাদ্রাসায় আরবি থেকে সরাসরি বাংলায় পাঠদান হয়। ফলে নতুন প্রজন্মের অনেকেই হয়তো এ ধরনের ফারসি ছড়ার সঙ্গে আর পরিচিত নয়।

আমাদের মক্তবের হুজুর এভাবেই মুখস্থ করিয়েছিলেন—

চার কুরছি, চার মাজহাব, দর উযু ফরজ ওয়াস্তে চার।
শশ গোসল, শশ তায়াম্মুম, পাঞ্জ চীজে ইসলাম দার।
শানজদাহ আহকাম ও আরকান।
হাফত আমর দর সিফাত।
শশ রোজা, শশ নিয়ত।
হাফদাহ রাকাত নামাজ ফরজ।
ইয়েক সদ ও সি মাসায়েল আয়াদ দর শুমার।

অর্থ (ভাবানুবাদ):

চার খলিফা ও চার মাজহাবের কথা স্মরণ করিয়ে অজুর চারটি ফরজের কথা বলা হয়েছে। এরপর গোসল ও তায়াম্মুমের প্রয়োজনীয় বিধান এবং ইসলামের পাঁচটি মৌলিক ভিত্তির উল্লেখ রয়েছে। তারপর নামাজের শর্ত (আহকাম) ও রুকন (আরকান), নামাজের অপরিহার্য কিছু বিধান, রোজা ও নিয়তের বিষয় এবং পাঁচ ওয়াক্তে মোট সতেরো রাকাত ফরজ নামাজের কথা স্মরণ করানো হয়েছে। সবশেষে বলা হয়েছে—এসব মাসআলা মিলিয়ে মোট সংখ্যা একশ ত্রিশ।

আজ এত বছর পরও ছড়াটির অধিকাংশই মনে আছে। সেই সঙ্গে মনে পড়ে গেল মক্তবের হুজুর, সুর করে পড়ানোর দিনগুলো, আর শৈশবের নির্মল সময।

পুনশ্চঃ

ফারসি ছড়াটি সম্পূর্ণই আমার শৈশবের স্মৃতি থেকে লেখা। বহু বছর আগে মক্তবের হুজুরের মুখে শুনে মুখস্থ করেছিলাম। তাই শব্দ বা উচ্চারণে সামান্য ভিন্নতা কিংবা ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে। কারও কাছে যদি আরও শুদ্ধ বা পূর্ণাঙ্গ পাঠ থাকে, জানালে আনন্দের সঙ্গেই সংশোধন করে নেব। কারণ উদ্দেশ্য কোনো ফিকহি মাসআলা বর্ণনা নয়; বরং শৈশবের এক টুকরো স্মৃতি, যা আজ হঠাৎ করেই মনে জেগে উঠেছিল।

15/06/2026

নাগিনীরা দিকে দিকে ফেলিতেছে বিষাক্ত নিঃশ্বাস
শান্তির ললিত বাণী শোনাইবে ব্যার্থ পরিহাস পরিহাস।

একজন বিশ্ববরেণ্য আলেমে দ্বীন দেশের প্রধান নির্বাহীকে সুন্নাহ অনুসরণের প্রতি উৎসাহিত করেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক...
01/06/2026

একজন বিশ্ববরেণ্য আলেমে দ্বীন দেশের প্রধান নির্বাহীকে সুন্নাহ অনুসরণের প্রতি উৎসাহিত করেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের দাবি রাখে।

বিদায় হজের ভাষণে রাসূলুল্লাহ ﷺ উম্মাহকে কুরআন ও সুন্নাহ আঁকড়ে ধরার আহ্বান জানিয়েছিলেন। একইসঙ্গে কুরআন নির্দেশ দেয় মানুষকে প্রজ্ঞা, উত্তম উপদেশ ও সুন্দর পন্থায় সত্যের দিকে আহ্বান করতে।

একজন আলেম যখন কোনো ব্যক্তি—তিনি সাধারণ মানুষ হোন বা রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তি—কে সুন্নাহ অনুসরণের কথা বলেন, তখন তিনি মূলত নববী দায়িত্বেরই একটি অংশ পালন করেন।

তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, কেন শরিয়াহভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা বা আইন বাস্তবায়নের বিষয়টি উত্থাপন করা হয়নি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, রাজনৈতিক অঙ্গনে অংশগ্রহণকারী অনেক ইসলামপন্থী দলও বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনী ইশতেহারে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নকে প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবে উপস্থাপন করেনি। ফলে একজন অরাজনৈতিক আলেমের উপদেশকে সেই মানদণ্ডে বিচার করা কতটা যৌক্তিক, সেটিও ভেবে দেখা প্রয়োজন।

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক মতভেদের কারণে অনেকেই পুরো কওমি আলেম সমাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর চেষ্টা করছেন। অথচ কওমি অঙ্গন কোনো একক ব্যক্তি বা একক রাজনৈতিক অবস্থানের নাম নয়; সেখানে মত ও পদ্ধতির বৈচিত্র্য রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বক্তব্যের দায় পুরো আলেম সমাজের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ন্যায়সঙ্গত নয়।

বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় প্রয়োজন পরস্পরকে দোষারোপ নয়, বরং দ্বীনের মৌলিক মূল্যবোধ—কুরআন, সুন্নাহ, প্রজ্ঞা, ন্যায়বিচার ও উত্তম চরিত্র—নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা। ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীকেন্দ্রিক আবেগের ঊর্ধ্বে উঠে আমরা যদি মূল নীতির দিকে ফিরে তাকাই, তাহলে বিতর্কের অনেকটাই প্রশমিত হতে পারে।

কুরআনের ভাষায়:
"তুমি তোমার প্রতিপালকের পথে আহ্বান কর প্রজ্ঞা ও উত্তম উপদেশের মাধ্যমে।" (সূরা আন-নাহল: ১২৫)
এই নীতিই সম্ভবত আজ আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

31/05/2026

"এদেশে মহিষেও দুধ দেয়, মহিষেও চাষ করে, কিন্তু তার কাটামুন্ডু মাথায় নিয়ে সর্বাঙ্গে রক্ত মেখে যখন উঠোনময় নৃত্য করে বেড়াই, তখন ধর্মের দোহাই দিয়ে মুসলমানের সঙ্গে ঝগড়া করলে ধর্ম মনে মনে হাসেন, কেবল ঝগড়াটাই প্রবল হয়ে ওঠে। কেবল গরুই যদি অবধ্য হয় আর মোষ যদি অবধ্য না হয়, তবে ওটা ধর্ম নয়, ওটা অন্ধ সংস্কার।"

____ ঘরে বাইরে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এই রবিঠাকুর লোকটাকে নিয়ে হয়েছে যত জ্বালা। মুখে দাড়ি, পরণে আফগানি মার্কা জোব্বা, আর যেসব কথাবার্তা লিখে গেছেন শুনলেই বোঝা যায় সেকু, মাকু, মোল্লাদের দালাল।

লোকটাকে কত করে বোঝালুম দেখুন মশাই এই ভারত হচ্ছে "মোদী"ফায়েড ইন্ডিয়া, এখানে হিন্দুরা আর আপনাদের মত ঘুমিয়ে থাকেনা, সব একদম রীতিমতো জেগে উঠেছে। এখানে শুধু সনাতন ধর্মের জয়জয়কার হবে।
বলে কিনা, "হিন্দুরা যখন ঘুমিয়ে ছিল তখনই দেশকে জ্ঞানবিজ্ঞানে, শিক্ষা-সংস্কৃতিতে আন্তর্জাতিক স্তরে শক্তিশালী করেছিল, ব্রিটিশকে দেশছাড়া করেছিল। এখন জেগে উঠে মসজিদের সামনে বাঁদর নাচ নেচে বেড়ানোকে দেশোদ্ধার ভাবছে।
ওসব হচ্ছে কর্পোরেটের মুনাফার জন্য ধর্মের মুখোশ, তাতে মানবতারই অপমান হচ্ছে।"

এই না বলে নিজের সাইড ব্যাগ থেকে একগাদা কিসব রিপোর্টের প্রিন্ট আউট বের করল।
আমি বললাম, "কী হে ঠাকুর, তোমার যুগে তো ইন্টারনেট, কম্পিউটার কিছুই ছিলনা, এসব প্রিন্ট আউট পেলে কোথায়?"
দাদু বললে, "দেখো বাপু, আমি হলাম নতুন যৌবনেরই দূত, চিরনতুনের প্রতিই যে আমার আগ্রহ। সব শিখে নিয়েছি"।

এরপরেই তিনি তার হাতের প্রিন্ট আউট থেকে গড়গড় করে পড়তে শুরু করে দিলেন। আপনারাও শুনুন তিনি কী বলছেন।

আল্লানা গ্রুপ (Allana Group) — ভারতের বৃহত্তম মোষের মাংস রপ্তানিকারক।
ভারতের সবচেয়ে বড় মোষের মাংস রপ্তানিকারক আল্লানা গ্রুপ ২০২৪-২৫ বছরে BJP-কে সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা রাজনৈতিক ডোনেশন দিয়েছে।
যে চারটি ফার্মের মাধ্যমে ডোনেশন দেওয়া হয়েছে:
* Allanasons Private Limited
* Frigerio Conserva Allana Private Limited
* Frigorifico Allana Private Limited
* Indagro Foods Private Limited
মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই আল্লানা গ্রুপ BJP-কে সরাসরি ডোনেশন দিয়েছে। ২০১৩-১৪ সালে ২ কোটি এবং পরের বছর ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। ২০১৯ সালে Electoral Bond-এর মাধ্যমে আবার ২ কোটি দেওয়া হয়। ২০২৩-২৪ সালে Frigerio Conserva Allana-র মাধ্যমে আরও ২ কোটি দেওয়া হয় এবং ২০২৪-২৫ সালে তা ১৫ গুণ বেড়ে হয় ৩০ কোটি।

২০১৯ সালে আয়কর বিভাগ আল্লানা গ্রুপের ১০০-এরও বেশি জায়গায় অভিযান চালায় এবং প্রায় ২,০০০ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়। সেই অভিযোগের পরপরই কোম্পানি Electoral Bond কেনা শুরু করে।

ভারত ঘোষিত ভাবে সরাসরি গোমাংস নয়, বাফেলো (মহিষ) মাংস রপ্তানি করে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে "Carabeef" নামে পরিচিত।
২০২৩-২৪ এ বিফ এক্সপোর্ট হয় ৩.৭৪ বিলিয়ন ডলার, ২০২৪-২৫ এ বেড়ে হয় ৩.৯২ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৫ সালে ভারতের বিফ এক্সপোর্ট ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়।
ভারতের প্রধান বাজার হল ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, মিসর, ইরাক, UAE ও সৌদি আরব। বর্তমানে আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চাহিদা বাড়ছে।
ভারতে বিফ এক্সপোর্টের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র (৪৩%) হল সনাতনী যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ।

ভারতের বৃহত্তম বিফ রপ্তানি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটির মালিক হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত। তেলেঙ্গানার রুদ্রক গ্রামে প্রায় ৪০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত ভারতের বৃহত্তম কসাইখানাটি চালায় Al Kabeer Exports Pvt. Ltd. — যার মালিক হিসেবে Satish Saberwal-এর নাম পাওয়া যায়।
হিন্দু মালিকানাধীন উল্লেখযোগ্য কোম্পানিগুলো হলো:
Arabian Exports Pvt. Ltd. — মালিক Sunil Kapoor (হিন্দু)
MKR Frozen Food Exports Pvt. Ltd. — মালিক Madan Abbott (হিন্দু)
Al Noor Exports Pvt. Ltd. — মালিক Sunil Sood (হিন্দু), কসাইখানা UP-তে
AOB Exports Pvt. Ltd. — মালিক O.P. Arora (হিন্দু), UP-তে
Standard Frozen Foods Exports Pvt. Ltd. — মালিক Kamal Verma (হিন্দু), UP-তে
Maharashtra Food Processing and Cold Storage — মালিক Sunny Khattar (হিন্দু)
লক্ষণীয়: হিন্দু ব্যবসায়ীরা তাদের কোম্পানিগুলোর নাম ইচ্ছাকৃতভাবে আরবি বা মুসলিম-শোনানো রেখেছেন — Al-Kabeer, Arabian Exports, Al-Noor ইত্যাদি।

BJP বিধায়ক সংগীত সিং সোম, যিনি Dadri লিঞ্চিং-কাণ্ডের পর গো-রক্ষা আন্দোলনের সামনের সারিতে ছিলেন, তিনি নিজেই Al-Dua Food Processing Private Ltd নামক একটি হালাল মাংস রপ্তানি কোম্পানির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। কোম্পানিটির নিজস্ব ওয়েবসাইট অনুযায়ী এটি ভারত থেকে "হালাল মাংসের শীর্ষস্থানীয় উৎপাদক ও রপ্তানিকারক"।
সোম কোম্পানিটিতে ২০০৫ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত পরিচালক ছিলেন এবং ভূমি ক্রয়ে বিনিয়োগ করেছিলেন। এছাড়া তিনি আরও একটি মাংস প্রক্রিয়াকরণ কোম্পানি Al-Anam Agro Foods-এর সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
প্রমাণ সামনে আসলে সোম দাবি করেন, "আমি ডিমও খাই না, মাংস ব্যবসা তো প্রশ্নই ওঠে না।" কিন্তু কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন নথিতে তার নাম স্পষ্ট।

আমি এতক্ষণ হাঁ করে রবিঠাকুরের কথা শুনছিলাম।
তাকে প্রশ্ন করলাম, তাহলে আপনি বলতে যান বিজেপি যদি সত্যিই সনাতনী হিন্দুদের পার্টি হয়ে থাকে তাহলে সারাদেশে এইসব স্লটার হাউস বন্ধ করে দেওয়া উচিত।
তিনি 'দেওয়া নেওয়া' সিনেমার কমল মিত্রের স্টাইলে বললেন, "বলতে চাই নয়, বলছি"।
Prabir Ghosh প্রবীর ঘোষ মহাশয়ের ওয়াল থেকে নেওয়া।।

28/05/2026
23/05/2026

#আত্মশুদ্ধি

সক্রেটিস বলেছিলেন— “Know thyself”, নিজেকে জানো।

মানবসভ্যতার দীর্ঘ চিন্তাযাত্রায় এই সংক্ষিপ্ত বাক্যটি এক গভীর আত্মজিজ্ঞাসার দরজা খুলে দেয়। মানুষ বাইরে পৃথিবী জয় করতে চেয়েছে, কিন্তু নিজের ভেতরের জগতকে জানা সবসময়ই সবচেয়ে কঠিন কাজ হয়ে থেকেছে।

ইসলামও মানুষকে সেই অন্তর্জগতের দিকেই ফিরিয়ে নেয়— তবে শুধু জানার জন্য নয়, শুদ্ধ হওয়ার জন্য।

কুরআন মানুষকে তার নফসের দিকে তাকাতে শেখায়। কারণ মানুষের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ বাইরের নয়; ভেতরের। অহংকার, লোভ, হিংসা, রিয়া, ক্রোধ কিংবা কামনা— এদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত সংগ্রামই তাযকিয়ায়ে নফসের পথ। মানুষ যখন নিজের দুর্বলতাগুলো চিনতে শেখে, তখনই তার মাঝে বিনয় জন্মায়। সে বুঝতে পারে— সে পরিপূর্ণ নয়, বরং এক অবিরাম সংশোধনের যাত্রী।

আত্মশুদ্ধি মানে নিজেকে ঘৃণা করা নয়; বরং নিজের ভেতরের অন্ধকারকে চিনে আলোর দিকে এগিয়ে যাওয়া। যে ব্যক্তি নিজের নফসকে প্রশ্ন করতে পারে, সে অন্যের দোষ খোঁজায় ব্যস্ত থাকে না। তার চোখে পৃথিবী বদলানোর আগে নিজেকে বদলানো জরুরি হয়ে ওঠে।

তাযকিয়ায়ে নফসের এই পথ নিছক দার্শনিক অনুশীলন নয়; এটি ইবাদতেরও অংশ। নামাজ, সিয়াম, তিলাওয়াত, জিকির— সবকিছুর লক্ষ্য মানুষের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করা। কারণ হৃদয় শুদ্ধ হলে দৃষ্টি শুদ্ধ হয়, দৃষ্টি শুদ্ধ হলে আচরণও সুন্দর হয়।
নিজেকে জানা তাই শেষ পর্যন্ত নিজের সীমাবদ্ধতা জানা। আর সেই সীমাবদ্ধতার গভীরে দাঁড়িয়েই মানুষ তার রবের অসীমতা অনুভব করে।

হয়তো এ কারণেই আত্মজিজ্ঞাসার প্রকৃত পরিণতি আত্মশুদ্ধি, আর আত্মশুদ্ধির প্রকৃত পরিণতি আল্লাহর নৈকট্য।

Address

Bonobithi R/A
Moulvibazar

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+88086152726

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এখলাসুর রহমান এহিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to এখলাসুর রহমান এহিয়া:

Shortcuts

Share