Income Tax Lawyer Iftekher U. Bhuiyan

Income Tax Lawyer Iftekher U. Bhuiyan It’s me Iftekher who is identify as an income tax practitioner

09/07/2026
🚨 সম্পত্তি কেনাবেচা ও হেবা/দান নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ স্পষ্টীকরণ! সম্প্রতি সম্পত্তি বা জমি ...
09/07/2026

🚨 সম্পত্তি কেনাবেচা ও হেবা/দান নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ স্পষ্টীকরণ!
সম্প্রতি সম্পত্তি বা জমি জমার দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে 'দানকর' এবং 'উৎস কর' নিয়ে অনেকের মনেই নানা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। এই বিভ্রান্তি দূর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) গত ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে একটি স্পষ্টীকরণ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
সহজ ভাষায় নতুন নিয়মটি নিচে উদাহরণসহ বুঝিয়ে দেওয়া হলো:
📑 মূল বিষয়: দানকর নাকি উৎস কর?
হেবা বা দানের (Gift) মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে:
আপনি যদি কাউকে জমি বা সম্পত্তি দান বা হেবা করেন, তবে এখন থেকে দলিল নিবন্ধনের সময় *দানকর আইন, ১৯৯০'অনুযায়ী প্রযোজ্য হারে দানকর দিতে হবে।
এই করটি দিতে হবে এ-চালানের (e-Challan)মাধ্যমে।
হেবা বা দানের ক্ষেত্রে আলাদা করে কোনো উৎস কর (TDS)দিতে হবে না।
💡 **উদাহরণ:** মনে করুন, আপনি আপনার ছেলেকে বা কোনো আত্মীয়কে ১ বিঘা জমি ‘হেবা’ বা দান দলিল করে দিচ্ছেন। এক্ষেত্রে আপনাকে জমি বিক্রির মতো কোনো 'উৎস কর' দিতে হবে না, তবে নিয়মানুযায়ী চালানের মাধ্যমে শুধু দানকরপরিশোধ করতে হবে।
জমি বা সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ের (Sale) ক্ষেত্রে
নিয়ম:স্বাভাবিক কেনা-বেচার ক্ষেত্রে এই নতুন দানকরের নিয়মটি একেবারেই প্রযোজ্য নয়l
জমি কেনাবেচার সময় আগের নিয়মেই সাব-রেজিস্ট্রার শুধুমাত্র নির্ধারিত হারে উৎস কর (TDS)সংগ্রহ করবেন।
উদাহরণ:আপনি যদি আপনার এক কাঠা জমি অন্য কারো কাছে টাকা নিয়ে বিক্রি করেন, তবে সেখানে দানকরের কোনো সম্পর্ক নেই। আপনি আগের নিয়মেই শুধু **উৎস কর** দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করবেন।
📌 এক নজরে সারসংক্ষেপ:
* **হেবা বা দান দলিল= শুধু দানকর লাগবে (উৎস কর লাগবে না)।
* **ক্রয়-বিক্রয় দলিল= শুধু উৎস কর লাগবে (দানকর লাগবে না)।
সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করার আগে এই বিষয়টি মাথায় রাখুন যাতে কোনো বাড়তি ঝামেলায় পড়তে না হয়। তথ্যটি দরকারী মনে হলে শেয়ার করে অন্যদেরও জানার সুযোগ করে দিন!

Tax Attorny Iftekher Bhuiyan ゚

ট্যাক্স এর নতুন নিয়মের কারণে যে পদক্ষেপ না নিলে ট্যাক্স আসবে বেশি 🛑মনে করেন আপনার করযোগ্য আয় ১০ লাখ টাকা। ট্যাক্স হিসাব ...
24/06/2026

ট্যাক্স এর নতুন নিয়মের কারণে যে পদক্ষেপ না নিলে ট্যাক্স আসবে বেশি 🛑

মনে করেন আপনার করযোগ্য আয় ১০ লাখ টাকা।

ট্যাক্স হিসাব করার নতুন নিয়ম অনুযায়ী আপনার গ্রস ট্যাক্স হবে ৭৮,৭৫০ টাকা। (গত বছরের নিয়ম অনুযায়ী ৬৭,৫০০ টাকা)

যদি আপনি NBR কর্তৃক নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ করেন তাহলে সেই ৭৮,৭৫০ টাকা আপনাকে ট্যাক্স দিতে হবে না।

নির্ধারিত খাতগুলো হলো সঞ্চয়পত্র, ট্রেজারি বিল বন্ড, সুকুক, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ, ব্যাংকে বা ফাইন্যান্স কোম্পানিতে DPS, লাইফ ইনসুরেন্স পলিসিতে বিনিয়োগ, সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রভিডেন্ট ফান্ডে বিনিয়োগ ইত্যাদি।

এখন প্রশ্ন হলো কত টাকা বিনিয়োগ করলে কত টাকা কর ছাড় (ট্যাক্স রিবেট) পাওয়া যাবে.? 🤷‍♂️

কত বিনিয়োগ করবেন সেটা একান্তই আপনার ইচ্ছে।

কিন্তু কত টাকা ছাড় পাবেন সেটা নির্ভর করছে নিচের ৩টা বিষয়ের উপর।

১. করযোগ্য আয়ের ৩% মানে হলো ১০ লাখ টাকার ৩% এ হয় ৩০,০০০ টাকা।
২. বিনিয়োগের পরিমাণের ১০% এবং
৩. ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এই ৩টা এমাউন্টের মধ্যে যাহা কম, তাহা আপনি গ্রস ট্যাক্স থেকে ছাড় পাবেন মানে কর রেয়াত পাবেন।

এইবার নতুন বাজেটে এখানেও সরকার একটা নিয়ম চেঞ্জ করার প্রস্তাব করেছে। যেমন: ২ নাম্বার পয়েন্টে বলা হয়েছে বিনিয়োগের পরিমাণের ১০%, এটা গতবছর পর্যন্ত ১৫% ছিল। সাড়ে ৭ লাখের যে লিমিট সেটা ছিল ১০ লাখ।

তার মানে হলো ৩০,০০০ টাকা ট্যাক্স রিবেট পাওয়ার জন্য যেখানে গত বছর আপনাকে ২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলেই হতো সেখানে এবার ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

আর কেউ যদি ২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে তাহলে গতবার যেখানে ৩০ হাজার টাকা ছাড় পেয়েছিল, এবার সেখানে ২০ হাজার টাকা ছাড় পাবে। মানে, ১০ হাজার টাকা অধিক ট্যাক্স তাকে দিতে হবে।

যাইহোক, সরকার নিয়ম করলে সেটা আইন। সেই আইনের বাইরে আমাদের যাওয়ার সুযোগ নাই। ❌

শুধু একটা ছোট্ট টেকনিক মনে রাইখেন, নতুন নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ ট্যাক্স রিবেট পেতে হলে করযোগ্য আয়ের ৩০% টাকা আপনাকে সেই নির্ধারিত জায়গায় বিনিয়োগ করতে হবে।

এই বিনিয়োগের শেষ টাইম ৩০শে জুন, আর মাত্র ৬/৭ দিন বাকি আছে।

যদি ৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন তাহলে আপনাকে ট্যাক্স পরিশোধ করতে হবে (৭৮,৭৫০-৩০,০০০) = ৪৮,৭৫০ টাকা।

আর যদি গতবারের মতো ২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন তাহলে আপনাকে ট্যাক্স পরিশোধ করতে হবে (৭৮,৭৫০-২০,০০০) = ৫৮,৭৫০ টাকা। (১০ হাজার বেশি ট্যাক্স)

আর যদি এক টাকাও বিনিয়োগ না করেন তাহলে আপনাকে পুরো ৭৮,৭৫০ টাকাই ট্যাক্স দিতে হবে 🛑

করযোগ্য আয় কিভাবে হিসাব করবেন তা জানতে পরবর্তী পর্বে চোখ রাখুন…..

Income Tax Lawyer Iftekher U. Bhuiyan Tax Attorny Iftekher Bhuiyan

📣জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক প্রস্তাবিত  নতুন আয়কর আইন অনুযায়ী,ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনো সময় রিটার্ন জ...
18/06/2026

📣জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক প্রস্তাবিত নতুন আয়কর আইন অনুযায়ী,ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনো সময় রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।(ধারা ১৭০ এর পরিবর্তন)

পুরো বছরকে ৪টি ত্রৈমাসিকে (Quarter) ভাগ করে এই করছাড় ও জরিমানার নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে:

■ জুলাই – সেপ্টেম্বর: এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত করছাড় পাওয়া যাবে।

■ অক্টোবর – ডিসেম্বর: এই সময়ে জমা দিলে কোনো জরিমানা নেই, তবে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা বাতিল হবে।

■ জানুয়ারি – মার্চ: এই সময়ে রিটার্ন দাখিল করলে ২ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৩,০০০ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।

■ এপ্রিল – জুন: এই সময়ের মধ্যে জমা দিলে ৫ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৫,০০০ টাকা বিলম্ব ফি বা জরিমানা প্রযোজ্য হবে।

📌 আয়কর, ভ্যাট ও ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত নিয়মিত আপডেট পেতে এখনই আমাদের পেজটি Like & Follow করে রাখুন।

#আয়কর #ভ্যাট Tax Attorny Iftekher Bhuiyan

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক প্রণীত নতুন আয়কর নীতি অনুযায়ী,ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনো সময় রিটার্ন জমা দি...
09/06/2026

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক প্রণীত নতুন আয়কর নীতি অনুযায়ী,ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের যেকোনো সময় রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।

পুরো বছরকে ৪টি ত্রৈমাসিকে (Quarter) ভাগ করে এই করছাড় ও জরিমানার নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে:

■ জুলাই – সেপ্টেম্বর: এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধিত করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত করছাড় পাওয়া যাবে।

■ অক্টোবর – ডিসেম্বর: এই সময়ে জমা দিলে কোনো জরিমানা নেই, তবে বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত সুবিধা বাতিল হবে।

■ জানুয়ারি – মার্চ: এই সময়ে রিটার্ন দাখিল করলে ২ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৩,০০০ টাকা জরিমানা গুণতে হবে।

■ এপ্রিল – জুন: এই সময়ের মধ্যে জমা দিলে ৫ শতাংশ হারে বা সর্বনিম্ন ৫,০০০ টাকা বিলম্ব ফি বা জরিমানা প্রযোজ্য হবে।

゚viralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚ #আয়কর

ব্যাংকে ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট খোলায় বাধ্যতামূলক হচ্ছে
08/06/2026

ব্যাংকে ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্ট খোলায় বাধ্যতামূলক হচ্ছে

📢 ঢাকা ট্যাক্সেস বার-এর নতুন সদস্যদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যযারা নতুনভাবে ঢাকা ট্যাক্সেস বার-এর সদস্যপদ গ্রহণ করতে যাচ্ছ...
11/05/2026

📢 ঢাকা ট্যাক্সেস বার-এর নতুন সদস্যদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

যারা নতুনভাবে ঢাকা ট্যাক্সেস বার-এর সদস্যপদ গ্রহণ করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ফি সংক্রান্ত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো। অনেকেই ইতোমধ্যে মেসেজ পেয়েছেন, আবার অনেকে এখনো পাননি। তাই সকলের সুবিধার্থে বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করা হলো—

💰 সদস্যপদ গ্রহণের জন্য সম্ভাব্য ফি সমূহঃ

🔹 এডমিশন ফি — ১৫,০০০ টাকা
🔹 বার্ষিক চাঁদা — ১,২০০ টাকা
🔹 বার্ষিক ন্যাশনাল বার ফি — ১০০ টাকা
🔹 ওয়েলফেয়ার ফান্ড — ৫০০ টাকা
🔹 বার্ষিক একোমোডেশন — ৫০০ টাকা
🔹 স্টাফ ওয়েলফেয়ার ফান্ড — ১০০ টাকা
🔹 প্রশিক্ষণ ফি — ৭০০ টাকা

🔸 যাদের বয়স ৪০ বছর বা তার কম, তাদের জন্য অতিরিক্ত
➡️ বেনোভোলেন্ট ফান্ড ফি — ৮,১২৫ টাকা

📌 মোট সম্ভাব্য জমার পরিমাণঃ
✅ বয়স ৪০ বছর বা কম হলে — ২৬,২২৫ টাকা
✅ বয়স ৪০ বছরের বেশি হলে — ১৮,১০০ টাকা

⏳ জমা দেওয়ার শেষ তারিখ: ১১ জুন, ২০২৬

📚 সকল নতুন সদস্যকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফি জমা সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

১. আয়কর (Income Tax)আপনি আয় করলে সেই আয়ের উপর যে কর দেন।👉 যেমন চাকরি, ব্যবসা, ভাড়া, পেশা থেকে আয় হলে আয়কর লাগতে পারে।২. ...
21/04/2026

১. আয়কর (Income Tax)
আপনি আয় করলে সেই আয়ের উপর যে কর দেন।
👉 যেমন চাকরি, ব্যবসা, ভাড়া, পেশা থেকে আয় হলে আয়কর লাগতে পারে।

২. ভ্যাট (VAT)
কোনো পণ্য বা সেবা কিনলে দামের সাথে যে কর যুক্ত থাকে।
👉 যেমন রেস্টুরেন্টে খাওয়া, মোবাইল বিল, কাপড় কেনা।

৩. উৎসে কর (Tax Deducted at Source)
টাকা পাওয়ার আগেই কিছু কর কেটে রাখা হয়।
👉 যেমন ব্যাংকের মুনাফা, ঠিকাদারি বিল, চাকরির বেতন থেকে আগেই কেটে নেয়।

৪. কাস্টমস ডিউটি (Customs Duty)
বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি করলে সীমান্তে যে কর দিতে হয়।
👉 যেমন বিদেশি গাড়ি, মোবাইল, প্রসাধনী আনলে।

৫. এক্সাইস ডিউটি (Excise Duty)
নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বা সেবার উপর বিশেষ কর।
👉 যেমন ব্যাংক হিসাবের নির্দিষ্ট ব্যালেন্সে, বিলাসপণ্যে বা বিশেষ খাতে।

৬. সারচার্জ (Surcharge)
মূল করের উপর অতিরিক্ত কর।
👉 যেমন বেশি আয় বা সম্পদ থাকলে আয়করের সাথে বাড়তি সারচার্জ দিতে হতে পারে।

৭. AIT (Advance Income Tax)
আগাম আয়কর। পরে মূল আয়করের সাথে সমন্বয় হয়।
👉 যেমন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন, আমদানি, ব্যবসায় কিছু ক্ষেত্রে আগে কর দিতে হয়।

৮. রোড ট্যাক্স
রাস্তা ব্যবহার ও গাড়ি চালানোর জন্য গাড়ির উপর দেওয়া কর/ফি।
👉 সাধারণত গাড়ির ফিটনেস বা নবায়নের সময় লাগে।

৯. টোল (Toll)
নির্দিষ্ট রাস্তা, সেতু, টানেল ব্যবহার করলে যে টাকা দিতে হয়।
👉 যেমন পদ্মা সেতু পার হতে টোল।

১০. স্ট্যাম্প ফি
আইনি কাগজপত্র, চুক্তিপত্র, দলিল ইত্যাদিতে সরকারকে দেওয়া ফি।
👉 যেমন এফিডেভিট, চুক্তিনামা, দলিল।

১১. রেজিস্ট্রেশন ফি
কোনো সম্পদ, গাড়ি, ব্যবসা বা দলিল সরকারি রেকর্ডে নিবন্ধন করতে যে ফি লাগে।
👉 যেমন জমি রেজিস্ট্রি, গাড়ি রেজিস্ট্রেশন।

১২. সম্পূরক শুল্ক (Supplementary Duty)
কিছু পণ্যে অতিরিক্ত কর।
👉 যেমন সিগারেট, কোমল পানীয়, বিলাসপণ্য।

১৩. হোল্ডিং ট্যাক্স / পৌরকর
বাড়ি বা দোকানের উপর স্থানীয় কর।
👉 যেমন পৌরসভা এলাকায় বাড়ির মালিককে বছরে কর দিতে হয়।

১৪. ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা)
জমির উপর বার্ষিক কর।
👉 যেমন কৃষি জমি বা অন্যান্য জমির খাজনা।

বাস্তব সত্য কথা:
আপনি যদি আয় না-ও করেন, তবুও বাজারে কিছু কিনলেই ভ্যাট দেন। মোবাইল ব্যবহার করলে কর দেন। রাস্তা পার হলে টোল দেন। অর্থাৎ প্রায় সবাই কোনো না কোনোভাবে সরকারকে টাকা দেয়।

এই চৌদ্দ জাতের ট্যাক্স এর মধ্যে কোনটা কোনটা আপনি দেন.? 🤷‍♂️


Tax Attorny Iftekher Bhuiyan

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘গেম চেঞ্জার’ উদ্যোগ 🔥আশা করি QR কোড চিনেন।বিকাশ, রকেট বা বিভিন্ন ব্যাংকের এপ থেকে কেনাকাটার পেমেন্ট ক...
14/04/2026

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘গেম চেঞ্জার’ উদ্যোগ 🔥

আশা করি QR কোড চিনেন।

বিকাশ, রকেট বা বিভিন্ন ব্যাংকের এপ থেকে কেনাকাটার পেমেন্ট করার জন্য দোকানে এরকম QR কোড হয়তো দেখেছেন।

কিন্তু এত এত ব্যাংক, এত এত MFS (বিকাশ,নগদ) থাকায় এত ভিন্ন ভিন্ন কোড ব্যবহার করা খুবই ঝামেলার বিষয়!

তাই বাংলাদেশ ব্যাংক একটা চমৎকার কাজ করে ফেলেছে। সবার জন্য একটা কোড বানাই ফেলেছে। ইহার নাম দিয়েছে Bangla QR ✅

এই কোড ব্যবহার করে সব ব্যাংক, সব MFS এর গ্রাহকেরা কেনাকাটার পেমেন্ট করতে পারবে।

দোকানদারকেও আলাদা-আলাদা বার কোড রাখার দরকার হবে না।

আগামী জুনের মধ্যে সব ব্যাংক, এমএফএসের জন্য অভিন্ন বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন চালু বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

কোনো ব্যাংক বা এমএফএস এই নির্দেশনা পরিপালনে ব্যর্থ হলে জরিমানা, শাস্তিসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মূলত ক্যাশলেস বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য ২০২৩ সালেই আন্তঃব্যাংক কোডভিত্তিক লেনদেন নিষ্পত্তির এ ব্যবস্থা চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

২০২৭ সালের মধ্যে ৭৫ শতাংশ লেনদেন ক্যাশলেস করার লক্ষ্যে এখন মুদি দোকান থেকে শুরু করে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের নতুন ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া বা নবায়নের জন্য কিউআর পরিশোধের ব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সব প্রতিষ্ঠানে এ ব্যবস্থা রয়েছে কিনা তা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিশ্চিত করবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৯ লাখ ৬৩ হাজার মার্চেন্ট ডিজিটাল পরিশোধ নিচ্ছে।

দেশে বর্তমানে নগদ টাকা ছাপানো, সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনায় প্রতিবছর ২০ হাজার কোটি টাকার মতো খরচ হচ্ছে।

এটার চেয়ে বড় সমস্যা হলো ঘুষ, দূর্নীতি, চাদাবাজীসহ যে কোন অবৈধ কাজে নগদ টাকা ব্যবহার হচ্ছে। ডিজিটাল মাধ্যমে এসব অপকর্মের টাকা লেনদেন করলে সব রেকর্ড থেকে যাবে 😜

এছাড়া নগদ টাকা বহন করা ঝুঁকিপূর্ণ, সময় সাপেক্ষ, জালনোটসহ নানান প্রতারণা জড়িত।

নগদ টাকার ব্যবহার কমানো গেলে মানি লন্ডারিং, কাল টাকা, ট্যাক্স ফাঁকি কমানো যাবে!

তো Bangla QR পুরোপুরি চালু হলে আর কি নতুন টাকার প্রয়োজন হবে আপনাদের.? 😁

Tax Attorny Iftekher Bhuiyan

Address

83/3 Sabujbag
Dhaka
1214

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Income Tax Lawyer Iftekher U. Bhuiyan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share