Sikder & Associates

Sikder & Associates Legal Services -Civil & Criminal Cases, Trade Mark, VAT & Tax, Land Registration, Mutation, RAJUK & PWD Land & Flat Registry, Mutation, Permission.

বাংলাদেশে নতুন বিডিএস জরিপ শুরু হয়েছে এখন জমির মালিকদের করনীয় কি?নতুন বিডিএস (ডিজিটাল) ভূমি জরিপে সাধারণ মানুষকে তাদের...
25/01/2026

বাংলাদেশে নতুন বিডিএস জরিপ শুরু হয়েছে এখন জমির মালিকদের করনীয় কি?
নতুন বিডিএস (ডিজিটাল) ভূমি জরিপে সাধারণ মানুষকে তাদের জমির সব কাগজপত্র, যেমন - দলিল, খতিয়ান, নামজারি, খাজনা রশিদ এবং উত্তরাধিকার সনদ প্রস্তুত রাখতে হবে। এছাড়াও, জমিতে নিজের প্রকৃত দখল নিশ্চিত করতে হবে, কারণ জরিপ টিম তথ্য যাচাইয়ের সময় এ বিষয়গুলোও দেখবে। যদি পুরানো রেকর্ডে (যেমন CS, SA, RS) কোনো ভুল থাকে, তবে এই জরিপ সেই ভুল সংশোধনের শেষ সুযোগ।
করণীয় কাজগুলো:

কাগজপত্র সংগ্রহ ও গুছিয়ে রাখা:
জমির দলিল
খতিয়ান (পর্চা)
নামজারি (মিউটেশন) এর কাগজ খাজনা পরিশোধের রশিদ উত্তরাধিকার সনদ (যদি প্রযোজ্য হয়)
এই সব কাগজপত্র একত্রে গুছিয়ে রাখুন, কারণ জরিপ দল তথ্য যাচাইয়ের জন্য এগুলো চাইতে পারে।

জমির দখল নিশ্চিত করা:
শুধু কাগজপত্র থাকাই যথেষ্ট নয়, জরিপ দল আপনার জমির বাস্তব দখল আছে কি না, তাও যাচাই করবে।
যদি সম্ভব হয়, ভালো কোনো সার্ভে কোম্পানি দিয়ে নিজের জমির সীমানা ও আইল (জমির সীমানার পথ) সঠিকভাবে নির্ধারণ করুন।
সতর্ক থাকা:
এই জরিপটি পুরানো সিএস, এসএ, আরএস রেকর্ডে থাকা ভুল সংশোধনের শেষ সুযোগ। তাই এই সুযোগে নিজের জমির সব কাগজপত্র ও তথ্য সঠিক করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

নতুন বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে (BDS Survey) একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতি যার মাধ্যমে জিপিএস ও টোটাল স্টেশন মেশিন ব্যবহার করে জমির সঠিক পরিমাপ করা হয়, নতুন প্লট বা দাগ নম্বর চিহ্নিত করা হয় এবং মালিকানা যাচাই করে খতিয়ান তৈরি ও অনলাইনে সংরক্ষণ করা হয়। এই জরিপের উদ্দেশ্য হলো ভূমি রেকর্ডে স্বচ্ছতা আনা, দখল বা মাপজোক নিয়ে বিরোধ কমানো এবং জমির মালিকদের জন্য দলিল, নামজারি ও অন্যান্য ভূমি সংক্রান্ত কাজ সহজ করা।

নতুন BDS জরিপ প্রক্রিয়াঃ-
ডিজিটাল মেশিন ব্যবহার: জিপিএস ও টোটাল স্টেশন মেশিন ব্যবহার করে জমির ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

নতুন দাগ নম্বর: প্রতিটি প্লট বা দাগ নম্বর নতুন করে চিহ্নিত করা হয়।
মালিকানা যাচাই: জমির মালিকানা যাচাই করে খতিয়ান তৈরি করা হয়।

অনলাইন সংরক্ষণ: তৈরি করা খতিয়ান অনলাইনে সংরক্ষণ করা হয়, যা ভূমি মালিকরা সহজেই দেখতে ও ডাউনলোড করতে পারবেন।
ভুল সংশোধন: পূর্বের CS, SA ও RS জরিপের ভুলগুলো সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়।
জরিপের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
স্বচ্ছতা: ভূমি রেকর্ডে স্বচ্ছতা আসে।
বিরোধ নিরসন: দখল বা মাপজোক নিয়ে বিরোধ কমে আসে।
কাজের সুবিধা: জমির দলিল, নামজারি, মিউটেশনসহ অন্যান্য ভূমি সংক্রান্ত কাজ সহজ হয়। ডিজিটালাইজেশন: ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও ডিজিটালাইজ করা হয়
BDS জরিপে জমির মালিকদের জন্য জরুরী সতর্কবার্তা

বাংলাদেশে শুরু হয়েছে BDS জরিপ (Bangladesh Digital Survey)
এবারের জরিপ হচ্ছে একেবারে আধুনিক ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে।
আগে CS, SA, RS রেকর্ডে যত ভুল হয়েছে, তা ঠিক করার শেষ সুযোগ এটা।

জমির মালিকদের জন্য ৬টি সতর্কবার্তা

* সব কাগজপত্র গুছিয়ে রাখুন
আপনার দলিল, খতিয়ান, নামজারি (মিউটেশন), কর রশিদ, উত্তরাধিকার সনদ – সব কিছু একত্রে রাখুন। জরিপ টিম প্রমাণ চাইবে, তখন যেন হাতড়াতে না হয়।
* জমির দখল নিশ্চিত করুন
জরিপে শুধু কাগজ নয়, জমিতে বাস্তব দখলও গুরুত্বপূর্ণ। জমি ফাঁকা থাকলে বা অন্যের দখলে থাকলে নাম ওঠাতে সমস্যা হবে।
* প্রতিবেশীর সীমানা মেলান
পাশের জমির মালিকদের সাথে সীমানা ঠিক করুন। সীমানা নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলে জরিপে ভুল হবে, পরে মামলা-মোকদ্দমা শুরু হবে।ভুল দেখলে সঙ্গে সঙ্গে আপত্তি জানান। আপনার নাম বাদ পড়লে বা জমির পরিমাণ কম-বেশি হলে চুপ থাকবেন না। সঙ্গে সঙ্গে লিখিত আপত্তি আবেদন জমা দিন।

আইন অনুযায়ী, জমি ফিরে পাওয়ার জন্য দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়: মালিকানা প্রমাণ করা এবং দখল পুনরুদ্ধার করা। যদি আপনার কাছে দ...
13/01/2026

আইন অনুযায়ী, জমি ফিরে পাওয়ার জন্য দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়: মালিকানা প্রমাণ করা এবং দখল পুনরুদ্ধার করা। যদি আপনার কাছে দলিল থাকে কিন্তু নামজারি হয়নি এবং রেকর্ডে অন্য কারোর নাম থাকে, তাহলে আদালতের মাধ্যমে মালিকানা প্রমাণ করতে হবে।

যেখানে মামলা করবেন তা নির্ভর করে সময়সীমার ওপর। সরকারি খতিয়ান প্রকাশের দুই বছরের মধ্যে রেকর্ড সংশোধন করতে চাইলে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে (LST) আবেদন করতে হবে। দুই বছরের বেশি সময় হয়ে গেলে বা বিষয়টি তখন জানা না থাকলে সহকারী জজ আদালতে ‘ঘোষণামূলক মামলা’ করতে হয়। এখানে আদালতের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রমাণ করা যে আপনি প্রকৃত মালিক, যদিও রেকর্ডে আপনার নাম নেই।

মালিকানা প্রমাণ হওয়ার পর দখল পুনরুদ্ধারের জন্য ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ অনুসারে জেলা প্রশাসকের অফিসে গঠিত ভূমি প্রতিকার আদালতে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় আদালতের আদেশ ও প্রয়োজনীয় দলিলসহ নির্ধারিত ফরম জমা দিতে হয়। ম্যাজিস্ট্রেট যাচাই ও তদন্ত শেষে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।

গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন  নিবন্ধন আইন ১৯০৮১.আইনগত অস্পষ্টতা দূর করে ডিজিটাল মাধ্যমে দলিল দস্তাবেজ নিবন্ধন করা। ২ নতুন ভূমি অপ...
03/01/2026

গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন নিবন্ধন আইন ১৯০৮
১.আইনগত অস্পষ্টতা দূর করে
ডিজিটাল মাধ্যমে দলিল দস্তাবেজ নিবন্ধন করা।
২ নতুন ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ফলে সৃষ্ট অচলাবস্থা দূর করে ধারা ৫২ক সংশোধন।
নিজ নামে অথবা পৈতৃক জমি হলে পিতার নামে খতিয়ান থাকলে বিক্রি/দান/হেবা করার শব্দ যুক্ত করন(যদি হস্তান্তর লিখলে ভালো হতো।
৩ সাব রেজিস্ট্রার এর অবহেলায় কোন ফি আদায় না হলে সাব রেজিস্ট্রার নিজে থেকে প্রদানের বাধ্যবাধকতা।
৪ বায়না দলিল সম্পাদনের ৩০ দিনের বদলে ৬০ দিনে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক
৫ বিদেশে থেকে আগত দলিল ৪ মাসের বদলে ৬ মাসে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক
৬ দলিল নিবন্ধনে বিরোধ আপীল ৪৫ দিনে নিস্পত্তি।

ফৌজদারী কার্যবিধি (২য় সংশোধনী) অধ্যাদেশ-২০২৫
11/08/2025

ফৌজদারী কার্যবিধি (২য় সংশোধনী) অধ্যাদেশ-২০২৫

10/08/2025
ভূমি আপীল বোর্ড বিধিমালা ২০২৫।
18/04/2025

ভূমি আপীল বোর্ড বিধিমালা ২০২৫।

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারণাঃ ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার১ কাঠা = ১.৬৫ শ...
03/03/2025

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারণাঃ
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের

ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত জমি নামজারি এবং জমাভাগ বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা :
19/02/2025

ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত জমি নামজারি এবং জমাভাগ বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা :

10/07/2024

বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ডিজিটাল ভূমি জরিপের পাশাপাশি ভূমি মূল্যায়ন নিয়ে কাজ করার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন দক্ষি...

04/07/2024

✅নামজারি ও জমাখারিজ এর সুবিধাঃ

১। সাবেক মালিকের নামের পরিবর্তে নতুন মালিকের নাম রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত থাকে বলে সাবেক মালিক একই ভূমি একাধিক বার বিক্রিয় করতে পারেন না।

২। নতুন মালিকের নিজ নামে সতন্ত্র খতিয়ান সৃষ্টি হওয়ার ফলে উহা জমির মালিকানার প্রমাণ হিসাবে সর্বক্ষেত্রে গ্রহনযোগ্য হয়।

৩। খারিজ খতিয়ানের উপর ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা যায়। উক্ত দাখিলা ভূমির মালিকানা ও দখল প্রমাণ করে।

৪। গৃহনির্মাণ, ব্যাংকে ঋণ, জমি বিক্রয় প্রভূতি কালের জন্য ও জমাখারিজ আবশ্যক।

✅যথাসময়ে নামজারি না করার অসুবিধাঃ

১। অসাধু বিক্রেতা/ পূর্বের মালিক একই জমি একাধিক স্থানে বিক্রয় করতে পারে। পরবর্তী ক্রেতা পূর্বে খারিজ করে নিতে পারে, ফলে অহেতুক মামলা মোকদ্দমায় জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

২। যৌথ খতিয়ানের জমির দলিল নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করে হতে পারে। ৩। নিজ নামে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা যায় না।

29/04/2024

বাংলাদেশে ভূমি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ডিজিটাল জরিপ (বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে বা বিডিএস) চলছে। এই জরিপ শেষ হলে দেশে...

Address

Nahar Complex, Level-4, Room-21, Kotwali
Dhaka
1212

Telephone

+8801738999386

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sikder & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sikder & Associates:

Share