Income tax Consultancy

Income tax Consultancy Income tax consultancy provides valuable advice and assistance to individuals & corporations.

15/09/2023

১) যদি আয় ৫০০,০০০ টাকার কম হয়
২) সম্পদ ৪০,০০,০০০ টাকার কম থাকে
৩) সিটি করপোরেশন বা ক্যানটনমেন্ট এলাকায় গৃহসম্পত্তি বা এপ্যার্টমেন্ট যদি না থাকে
৪) মোটরযানের মালিক না হন
৫) কোন কোম্পানির ডিরেক্টর না হন
৬) যদি আপনি সরকারি কর্মচারী না হন

তবে এক পাতার রিটার্ন দিতে পারবেন।

যারা (TIN) টিন সার্টিফিকেট করছেন ট্যাক্সেবল ইনকাম থাকুক বা না থাকুক ২০২৩-২০২৪ রিটার্ন জমা দিন, সরকার ট্যাক্স রিটার্ন দেও...
04/08/2023

যারা (TIN) টিন সার্টিফিকেট করছেন ট্যাক্সেবল ইনকাম থাকুক বা না থাকুক ২০২৩-২০২৪ রিটার্ন জমা দিন, সরকার ট্যাক্স রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে, না হলে জরিমানার সমমুখীন হবেন!

বিঃদ্রঃ - ৩০ নভেম্বর ২০২৩ , Income Tax Filing -এর শেষ সময়।

সম্মানিত করদাতা,
আপনার আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে নিচের ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করে জমা দিন।

চাকরি/বেতন খাতে আয়ের তথ্য :-
1. সেলারি সার্টিফিকেট ;
2. সেলারির বিপরীতে কর্তনকৃত টিডিএস -এর প্রত্যয়নপত্র;
3. ব্যাংক স্টেটমেন্ট (from 01-07-2022 to 30-06-2023);
4. Provident Fund info/GPF Balance Sheet. (if any)

ব্যবসা/পেশা খাতে আয়ের তথ্য:
5. ট্রেড লাইসেন্স;
6. ব্যবসার নামীয় ব্যাংক স্টেটমেন্ট;
7. ব্যবসার নামে লোন থাকলে- লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট;
8. ব্যবসা আয়ের উপর অগ্রীম আয়কর (AIT) বা উৎসে কর কর্তন (TDS) থাকলে অগ্রীম আয়কর বা উৎসে করের প্রত্যয়নপত্র ও চালানের কপি;
9. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী;
10. মূল্যসহ ব্যবসার সম্পদের তালিকা (Fixture, Furniture, Equipment & Machinarie etc.);

বিনিয়োগ ও ব্যাংক ইন্টারেস্ট তথ্য:
11. জীবন বীমা করা থাকলে প্রিমিয়াম প্রদানের রসিদ;
12. ডিপিএস করা থাকলে ডিপিএস স্টেটমেন্ট;
13. পূর্বের কোন ডিপিএস এনক্যাশ বা নগদায়ন করে থাকলে নগদায়ন প্রত্যয়নপত্র বা এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট ;
14. এফডিআর করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ও ইন্টারেস্ট প্রাপ্তির প্রত্যয়নপত্র;
15. শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ থাকলে ব্রোকার হাউস থেকে বিনিয়োগ প্রত্যয়নপত্র ও পোর্টফলিও -র কপি;
16. সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ;
17. সঞ্চয়পত্রের ইন্টারেস্ট প্রাপ্তি ও তার বিপরীতে টিডিএস কর্তনের প্রত্যয়নপত্র;

গৃহ-সম্পত্তি হতে আয়ের তথ্য:
18. আপনার বাড়ি/ফ্ল্যাট/দোকান ভাড়া দিয়ে আয় থাকলে ভাড়ার চুক্তিপত্রের কপি ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিন;
19. আপনার বাড়ি/ফ্ল্যাট/দোকান এর পৌর কর বা সিটি কর্পোরেশন কর প্রদানের রসিদ;
20. হাউজ লোন থাকলে- লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট;
বৈদেশিক/রেমিট্যান্স আয়ের তথ্য:
21. বৈদেশিক/রেমিট্যান্স আয়ের সপক্ষে ব্যাংক সার্টিফিকেট বা এফএমজে ফরম/বৈদেশিক মুদ্রা ঘোষণা ফরম এর কপি; (মনে রাখবেন, বৈদেশিক আয় করমুক্ত হতে হলে তা আপনার নিজের আয় হতে হবে এবং প্রপার চ্যানেলে আসতে হবে);

সম্পদ ও দায় সংক্রান্ত তথ্য:
22. এ বছর আপনার নামে কোন জমি/ফ্ল্যাট/বাড়ি/গাড়ি ক্রয় করে থাকলে তার দলিলের কপি;
23. এ বছর আপনার কোন জমি/ফ্ল্যাট/বাড়ি/গাড়ি বিক্রি করে থাকলে বিক্রয় দলিলের কপি ও উৎসে কর্তনের কপি;
24. বাড়ি/ফ্ল্যাট নির্মাণাধীন থাকলে নির্মাণ বিনিয়োগের পরিমাণ;
25. আপনার নামে গাড়ি থাকলে পারসোনাল ট্যাক্স টোকেনের কপি;
26. আপনার ব্যাংক লোন থাকলে লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট ;
27. ডেভেলপার কোম্পানিকে দিয়ে বাড়ি নির্মাণকালে সাইনিং মানি পেয়ে থাকলে তার ডকুমেন্ট;
28. ব্যক্তিগত লোন ৫ লাখ টাকার বেশি হলে এর সপক্ষে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ;
29. পরিবারের কারো কাছ থেকে কোন দান গ্রহণ করলে বা কাউকে দান করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ; আর টাকা দান হলে তার সপক্ষে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ;
30. এছাড়াও আপনার অন্য কোন আয় থাকলে তার ডকুমেন্ট দিন;

বি:দ্র: সকল স্টেটমেন্ট/প্রত্যয়নপত্রের সময়কাল হবে ০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩ ইং পর্যন্ত।

অন্যান্য তথ্যাবলি:
31. আপনি এ বছর নতুন করদাতা হলে আপনার এনআইডি-র ফটোকপি, টিআইএন সার্টিফিকেট, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল এড্রেস ও এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি;
32. আপনি পুরাতন করদাতা হলে গত বছরে দাখিলকৃত রিটার্ন এর কপি লাগবে; (গত বছর আমরা কাজ করে থাকলে আমাদের কাছে রিটার্নের কপি আছে) ;
33. আপনার আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্য সংখ্যা ও তাদের বয়স।

দৃষ্টি আকর্ষণ: যথাযথ কর পরিগণনার জন্য আপনার সকল কাগজপত্র একত্রে দিন। ১৫ নভেম্বরের পরে দিলে আপনার রিটার্ন দাখিলের জন্য সময় নেয়া লাগতে পারে।

মনে রাখবেন, এবার ৩০ নভেম্বরের পরে রিটার্ন দাখিল
করলে আইনানুযায়ী পূর্ণ কর রেয়াত পাবেন না। অর্ধেক রেয়াত পাবেন এবং ২% বিলম্ব ফি দিতে হবে।

যোগাযোগ : ০১৩১৫-০২২২৯৪

টিন সার্টিফিকেট কী, কেন ও কীভাবে করতে হয়?অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের আয়কর নিবন্ধন বা টিন সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে ব্য...
04/08/2023

টিন সার্টিফিকেট কী, কেন ও কীভাবে করতে হয়?

অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের আয়কর নিবন্ধন বা টিন সার্টিফিকেট প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে ব্যাংক থেকে লোন কিংবা সরকারি বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা নিতে কিংবা কর পরিশোধ করতে প্রয়োজন হয় আয়কর নিবন্ধন সনদ বা টিন সার্টিফিকেট। বর্তমান সময়ে এখন অনলাইনেই সব করা যায়। আপনি অনলাইনে কয়েক মিনিটেই ই-টিন সার্টিফিকেট করে নিতে পারেন। এর জন্য কোনো ফি প্রয়োজন হবে না।
একজন ব্যক্তি মাত্র একবারই টিন সার্টিফিকেট করতে পারবেন। কোনোভাবেই আপনি ডুপ্লিকেট আয়কর নিবন্ধন বা টিন করতে পারবেন না। একবার টিন সার্টিফিকেট করা হলে আয়কর নিবন্ধন ওয়েবসাইটে লগইন করে টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে পারবেন। আপনি নিজের নামে কিংবা আপনার কোম্পানির নামে কীভাবে টিন সার্টিফিকেট করবেন, তা বিস্তারিত আলোকপাত করছি।

মনে রাখবেন, ডাউনলোড করা টিন সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে কিংবা নষ্ট হয়ে গেলে আয়কর নিবন্ধন ওয়েবসাইট থেকে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে আবার টিন সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে পারবেন। তাই ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড যত্নসহকারে সংরক্ষণ করুন।

টিন সার্টিফিকেট কী?

টিন বা টিআইএন-এর পূর্ণরূপ হলো, ট্যাক্সপেয়ার আইডেনটিফিকেশন নাম্বার। এটি একটি বিশেষ নাম্বার, যার সাহায্যে বাংলাদেশে করদাতাদের শনাক্ত করা হয়। টিন সার্টিফিকেট মূলত করদাতাদের নাম্বারটিই বহন করে থাকে। অর্থাৎ, টিআইএন বা টিন সার্টিফিকেট একজন করদাতার পরিচয়পত্রের মতোই কাজ করে।


টিন সার্টিফিকেট কেন করবেন?

করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড চালু করেছে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে কয়েকটি সহজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার মাধ্যমে আপনি একটি ডিজিটাল টিন সার্টিফিকেট পাবেন। এখানে আপনাকে ১২ ডিজিটের একটি টিন নাম্বার প্রদান করা হবে।

যারা আগে টিন সার্টিফিকেট করেছেন কিংবা যাদের টিন নাম্বার ১২ সংখ্যার কম, তাদের নতুন টিন সার্টিফিকেট করতে হবে। অর্থাৎ, তারা রি-রেজিস্ট্রেশন করে ১২ ডিজিটের টিন নাম্বার গ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন: ঘরে বসে সার্টিফিকেট সংশোধন করবেন যেভাবে

কখন টিন সার্টিফিকেট করবেন?

আপনার বছরে উপার্জন যদি ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকার ওপরে হয়, তাহলেই আপনি ইনকাম ট্যাক্স দেবেন। তার আগে আপনাকে অবশ্যই ইনকাম ট্যাক্স ফাইল/ফরম পূরণ করার আগে টিন সার্টিফিকেট করে নিতে হবে।

কীভাবে আপনি ইনকাম ট্যাক্স ফরম বা ফাইল পূরণ করবেন?

আপনি নিজেই অনলাইনে http://nbr.gov.bd/form/income-tax/eng লিংকের মাধ্যমে আপনার ইনকাম ট্যাক্স-এর আবেদন করতে পারবেন। এখানেই ফরম বা ফাইল পাওয়া যাবে।

অনলাইনে টিন সার্টিফিকেট করতে কী কী লাগবে?

টিন সার্টিফিকেট করার জন্য প্রয়োজন হবে:

১. জাতীয় পরিচয়পত্র
২. মোবাইল নাম্বার ও
৩. কোম্পানীর ক্ষেত্রে আরজেএসসি নাম্বার ইত্যাদি।
অনলাইনে আয়কর নিবন্ধন করার জন্য এই তথ্যগুলো লাগবে।

টিন কীভাবে করবেন?

নতুন নিয়ম অনুসারে আয়কর নিবন্ধনধারীকে প্রথমেই আয়কর ওয়েবসাইটে একটি অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে হবে। আয়কর ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে আয়কর সাইটে লগইন করে টিন সার্টিফিকেটের জন্য আবেদনপূর্বক টিন সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে হবে।

আবেদন সম্পন্ন হলে এখান থেকে ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে পারবেন। এ জন্য নিচের কাজগুলো করুন।

প্রথমে https://www.incometax.gov.bd/ প্রবেশ করুন। আয়কর ওয়েবসাইটের হোম পেজ ওপেন হবে। এখানে মেনু থেকে রেজিস্টার বাটন ক্লিক করুন। ডিসপ্লেতে রেজিস্টার ফরম ওপেন হলে শূন্য ঘরগুলো পূরণ করে শেষে রেজিস্টার বাটন ক্লিক করুন। রেজিস্টার ফরমে দেয়া আপনার মোবাইল নাম্বারে তাৎক্ষণিকভাবে একটি কোড চলে যাবে এবং পর্দায় প্রদর্শিত ডায়ালগ বক্সে মোবাইলে পাঠানো কোডটি প্রদান করুন। এরপর রেজিস্টার বাটন ক্লিক করলেই টিন আবেদন করার ফরম দেখতে পাবেন এবং পর্দায় ‘ওয়েলকাম টু ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার রেজিস্ট্রেশন/ রি-রেজিস্ট্রেশন’ মেসেজ দেখা যাবে।

অর্থাৎ, আয়কর সাইটে আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেছে। এখন লগইন অবস্থায় টিন সার্টিফিকেট আবেদন করে তাৎক্ষণিকভাবে আয়কর সনদ ডাউনলোড করতে পারবেন।

নাগরিকের ক্ষেত্রে টিন সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

আপনি যদি ব্যক্তিগতভাবে টিন সার্টিফিকেট করেন অর্থাৎ আপনার যদি কোনো কোম্পানি না থাকে, তাহলে ওপরের নিয়মে আয়কর ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করুন। এপর লগইন করে বাম পাশের মেনুতে দেখুন টিন অ্যাপ্লিকেশন একটি মেনু রয়েছে। এখানেই ক্লিক করুন।

টিন করার জন্য রেজিস্ট্রেশন/রি-রেজিস্ট্রেশন ফরম ওপেন হবে। ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রবেশ করে গো টু নেক্সট বাটন ক্লিক করুন। মনে রাখবেন, আপনার বেসিক ইনফরমেশন ভুল দিলে ফরম সাবমিট না-ও হতে পারে। তাই সঠিকভাবে তথ্য পূরণ করুন।

এবার আপনার সামনে ফাইনাল প্রিভিউ পেজ ওপেন হবে। এখানে সব তথ্য ভালোভাবে চেক করে নিন। যদি সব তথ্য সঠিক থাকে, তাহলে ফাইনাল প্রিভিউর নিচে চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিন।

এরপর সাবমিট অ্যাপ্লিকেশন বাটন ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার টিন সার্টিফিকেট তৈরি হয়ে গেছে। এখন তা ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন।

আরও পড়ুন: পণ্যে ‘হালাল সার্টিফিকেট’ দিচ্ছে বিএসটিআই

টিন সার্টিফিকেটের ন্যূনতম ট্যাক্স কত?

ন্যূনতম ট্যাক্স ৫০০০ টাকা (ঢাকা ও চট্টগ্রাম), ৪০০০ টাকা (অন্যান্য সিটি করপোরেশন), ৩০০০ টাকা সিটি করপোরেশন ব্যতীত। আর ২০২৪ সাল পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সিং ইনকামের কোনো ট্যাক্স দিতে হবে না।

ই-টিন সার্টিফিকেট হেল্পলাইন

e-TIN সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা বা পরামর্শের জন্য টিন হট-লাইনে যোগাযোগ করতে পারেন। টিন হট-লাইন নাম্বার হচ্ছে 09611-777111 কিংবা 333 কল করেও যোগাযোগ করতে পারেন।

ই-মেইলও করতে পারেন [email protected]

01/08/2023

নতুন আইনে যা যা থাকছে সঞ্চয়পত্র নিয়ে

• রপ্তানির নগদ সহায়তায় উৎসে কর
• কর কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাক্ষমতা কমছে
• কাগজপত্র জমার সংখ্যাও কমছে

নতুন আইনের ধারা 102 (3) এ বলা হয়েছে নাবালকের অভিভাবক হিসেবে তার (পিতা-মাতা) রির্টান দাখিলের প্রমান পত্র নাবালকের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে।

নতুন আইনের ধারা 105 (2) এ সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করলে কোনো কর দিতে হবে না। আপনি যখন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা তুলতে যাবেন, তখন আপনার মুনাফা থেকে উৎসে কর কেটে রাখা হবে না।

বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাকা বা না থাকা সাপেক্ষে সঞ্চয়পত্রে ভেদে ৫ থেকে ১৫ শতাংশ হারে উৎসে আয়কর কাটার বিধান আছে। বছর দুই আগে প্রজ্ঞাপন জারি করে পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে উৎসে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়। নতুন আইনে এই সুবিধা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

নায়ক-নায়িকার আয়ের উপর 10% হারে কর

সিনেমা, নাটক, বিজ্ঞাপনে অভিনয় করার জন্য অভিনয়শিল্পীরা সম্মানী পান। মন্ত্রিসভার অনুমোদন করা নতুন আইনে নায়ক-নায়িকাদের সম্মানীর ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর আরোপ করা হয়েছে। এমনকি রেডিও-টিভিতে টক শো, অনুষ্ঠানের সম্মানীর ওপরও এই কর বসবে। প্রযোজক প্রতিষ্ঠান তাদের সম্মানী দেওয়ার সময় এই অর্থ কেটে রেখে বিল পরিশোধ করবে। তবে কারও সম্মানী ১০ হাজার টাকা কম হলে উৎসে কর কাটা হবে না।

30/07/2023

**আয়কর বিষয়ে বেসিক কিছু ধারণা **
প্রশ্ন - টি, আই, এন কি?
উত্তর - টি, আই, এন হচ্ছে একজন করদাতার পরিচিতি। যিনি একজন করদাতা তার একটি টি, আই, এন নম্বর থাকে।
প্রশ্ন - আয়কর কি?
উত্তর - আয়কর বা ইনকাম ট্যাক্স হচ্ছে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক আয়ের উপর প্রদত্ত কর।
প্রশ্ন - আয়কর কি ভাবে দিবেন ?
উত্তর - আয়কর বিবরণী বা রির্টানে মাধ্যমে আয়কর প্রদান করতে হবে।
প্রশ্ন - আয়কর বিবরণী বা রির্টানের সাথে কি আয়কর ও ট্যাক্স এর টাকা ও অফিসে জমা দিতে হবে।?
উত্তর - না, টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে আর রশিদ রির্টানের সাথে সংযুক্ত করে ট্যাক্স অফিসে জমা দিতে হবে।
প্রশ্ন - আয়কর রির্টাণ কেন দিবেন?
উত্তর - কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের যদি করযোগ্য আয় থাকে তাবে তাকে আয়কর রির্টাণ সাবমিট করতে হয়। যেহেতু আয়কর রির্টানের মাধ্যমে একজন করদাতা সামগ্রিম অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ও অবস্থা বোঝা যায় তাই সরকার আয়কর রির্টাণ সাবমিট বাধ্যতামূলক করেছে। আর কেউ যদি তা না করে তবে জরিমানার বিধান রয়েছে।
প্রশ্ন - আয়কর রির্টাণ কখন দেবেন ?
উত্তর - সাধারনত ই-টি, আই, এন নম্বর নেওয়ার একবছর পর আয়কর রির্টাণ দিতে হয়। তবে কারো যদি করযোগ্য আয় থাকে তবে ই-টি, আই, এন নেওয়ার সাথে সাথে আয়কর রির্টাণ ও জমা দিবেন।
প্রশ্ন - আয়কর রির্টাণ জমা দেওয়ার সময়সীমা কখন?
উত্তর - সাধারনত ১লা জুলাই থেকে আয়কর রির্টাণ জমা নেওয়া শুরু হয়। গত ২০১৮-২০১৯ কার বর্ষে ১লা জুলাই হতে ২রা জানুয়ারী পর্যন্ত আয়কর রির্টাণ জমা নেওয়া হয়েছিল।
প্রশ্ন - কর মুক্ত আয় কিন্তু ই-টি, আই, এন আছে এমন ক্ষেত্রে কি আয়কর রির্টাণ জমা দিতে হবে?
উত্তর - হ্যা, এক্ষেত্রে আয়কর রির্টাণ জমা দিতে হবে।
প্রশ্ন - স্বর্বনিম্ন কর কত টাকা?
উত্তর - পুরুষ ও মহিলা ওভয়েরে ক্ষেতে স্বর্বনিম্ন কর ৫,০০০/- টাকা।
প্রশ্ন - আমি চাকুরীজীবী। ঢাকা উত্তরা থাকি। অফিস ও উত্তরায়। আমার বেতন যা আসে তা হতে কর বাবদ ৩,০০০/- টাকা কেটে রেথেছে। আমর কি আর কর দিতে হবে ?
উত্তর - র্স্ববনিম্ন কর যেহেতু ৫,০০০/- টাকা তাই আবশিষ্ট ২,০০০/- টাকা জমা দিতে হবে।
প্রশ্ন - আমি আয়কর রির্টাণ পূর্বে একবার জমা দিয়েছি। কিন্তু বিগত তিন বছর ধরে আয়কর রির্টাণ জমা দিচ্ছি না। এখন কি করতে হবে?
উত্তর - আপনার পূর্বের জমাকৃত রির্টানের পরিপেক্ষিতে পরবর্তী বছর গুলোর রির্টাণ জমা করতে হবে। এতে তেমন জটিলতা নেই।
প্রশ্ন - আমি একটা এফ, ডি, আর করব। এতে ব্যাংক ই-টি, আই, এন চাচ্ছে। আমি যদি ই-টি, আই, এন বের করি তবে কি আয়কর রিটার্ণ জমা দিতে হবে।
উত্তর - হ্যা, এক্ষেত্রে আয়কর রির্টাণ জমা দিতে হবে।
প্রশ্ন - মহিলাদের করমুক্ত আয়সীমা কত?
উত্তর - মহিলাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩,০০,০০০/- টাকা। অর্থাৎ এক বৎসরের আয় যদি ৩,০০,০০০/- টাকার উর্দ্ধে হয় তবে আয়কর দিতে হবে।
প্রশ্ন - আমার করযোগ্য আয় আছে। আমি এখন ট্যাক্স দিতে চাই। কি করতে হবে।
উত্তর - আপনাকে একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিতে হবে যে কিনা এটা ভালো বোঝে।
প্রশ্ন - ট্যাক্স কি ভাবে জমা দেওয়া যায় ?
উত্তর - সাধারনত সোনালী ব্যাংকে চালানের মাধ্যমে ট্যাক্স জমা দিতে হয়। এছাড়াও পে-অর্ডার ও চেক মাধ্যমেও ট্যাক্স জমা দেওয়া যায়।
প্রশ্ন - ট্যাক্স ও ভ্যাট কি একই জিনিসঃ
উত্তর - না, ট্যাক্স ও ভ্যাট সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বিষয়। ট্যাক্স আরোপিত হয় ব্যক্তির আয়ের উপর আর ভ্যাট আরোপিত হয় পন্য বা সেবার উপর। বাৎসরিক আয়ের উপর কর ধার্য হতে তাকে আয়কর বলে আর পন্য বা সেবার উপর কর ধার্য হলে তাকে ভ্যাট বলে।

30/07/2023

➡️শুরু হয়ে গেল ‍আয়কর রির্টান ২০২৩-২০২৪
➡️অনেকে না বুঝে ভুল রিটার্ন দাখিল করেন। বুঝে শুনে সঠিক ভাবে রিটার্ন দাখিল করুন। ভুল রিটার্ন দাখিলের জন্য আপনার রিটার্ন অডিটে পরতে পারে। অযথা বাড়তি ঝামেলা ও জরিমানা থেকে দূরে থাকুন। তাই আপনার রিটার্ন নির্ভূল ভাবে দাখিল করুন।
➡️করবর্ষ ২০২৩-২০২৪ এর আয়কর রির্টান দাখিল করার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ (০১.০৭.২২--৩০.০৬.২৩)
1. E-TIN Certificate
2. NID
3. Bank Statements
4. Salary Certificate/ Statement
5. Business Income Details with Trade License
6. Last Year Income Tax Return Copy
7. TAX Challan and AIT Documents
8. D.P.S/FDR
9. Insurance Certificate
10. Share Market Investment
11. Sanchaypatro
12. Land/Flat
13. Motor Vehicle
14. Gold
15. Furniture
16. Electric Equipment
17. Bank Loan
18. Others Loan
এগুলার মধ্যে যা যা আছে তাই দিবেন। এগুলো ছাড়াও যদি কিছু থাকে তবে তা অবশ্যই দিবেন।
আপনি আমাদের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে চাইলে উপরের তথ্য গুলোর মধ্যে আপনার যা যা আছে তা আমাদের ইনবক্সে করুন

Income tax Consultancy
মোবাইল নাম্বার : 01315022294

30/07/2023

আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে অত্যাবশ্যকীয় কাগজপত্র
যারা প্রথমবার ২০২৩-২০২৪ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন, তারা অবশ্যই ডকুমেন্টস সমূহ রিটার্নের সাথে জমা দিবেনঃ
১। টিআইএন সনদের ফটোকপি।
২। জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।
৩। ০১ জুলাই' ২০২২ হতে ৩০ জুন ২০২৩ পর্যন্ত আপনার বেতনের প্রত্যয়ণপত্র/সার্টিফিকেট।
৪। ০১ জুলাই' ২০২২ হতে ৩০ জুন' ২০২৩ পর্যন্ত ব্যাংক হিসাবের বিবরণী (যদি আপনার ব্যাংক হিসাবে লেনদেন হয়; যেমন- সঞ্চয়পত্রের মুনাফা গ্রহণ অথবা ব্যাংক হিসাবে টাকা বিদ্যমান থাকে)
৫। প্রভিডেন্ট ফান্ড/ভবিষ্য তহবিলে জমাকৃত অর্থ এবং প্রাপ্ত সুদের বিবরণী।
৬। ব্যাংকে এফডিআর বা ডিপিএস থাকলে সেটির বিবরণী।
৭। শেয়ারে বিনিয়োগ অথবা বীমার প্রিমিয়াম দেওয়া হলে তার সার্টিফিকেট।
৮। সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা থাকলে তার মুনাফা আয় এবং উৎসকর কর্তনের সার্টিফিকেট।
৯। নিজের নামে কোন সম্পত্তি (ফ্ল্যাট, বাড়ি বা গাড়ি ইত্যাদি) থাকলে তার দলিলের কপি।
১০। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স, ব্যবসায় বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরণী এবং ব্যবসার সম্পদ ও দায় বিবরণী।
১১। ব্যাংক কোন উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করলে তার বিবরণী।
12।যেকোনো উৎস থেকে আয় থাকলে অথবা কর কর্তন করা হলে তার প্রমাণপত্র।
১৩। ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ব্যাংক থেকে নেওয়া রেমিট্যান্স সার্টিফিকেট।
ব্যক্তি শ্রেণির কর সম্পর্কিত যেকোনো সেবা পেতে অথবা ঘরে বসেই অনলাইনে বা অফলাইনে নির্ভুল রিটার্ন ফাইল তৈরি করতে হলে

ইনবক্সে লিখুন অথবা মোবাইল বা হোয়াটসঅ্যাপ যোগাযোগ করুন
সার্বিক সহযোগিতায়,
Income tax Consultancy
মোবাইল নাম্বার : 01315022294

09/06/2023

৫ টি শর্তে TIN বাতিল করতে পারবেন। শর্ত গুলো নিম্নরূপ:

১। কোনো করদাতা মারা গেলে।

২। যদি কোনো করযোগ্য আয় না থাকে।

৩। বিশেষ কোনো কারণে TIN গ্রহণ করে থাকলে এবং বর্তমানে করযোগ্য কোনো আয় না থাকলেও বাতিল করা যাবে।

৪। নন-রেসিডেন্ট বিদেশী নাগরিক, যার বাংলাদেশে কোন স্থায়ী ভিত্তি নেই।

৫। ৬৫ বছরের উর্ধ্বে মহিলা ও পুরুষগণ যদি তার করযোগ্য আয় না থাকে (পূর্বে করযোগ্য আয় ছিল বর্তমানে নেই) চাইলেই তারা TIN বাতিল করতে পারবেন।

TIN বাতিলের জন্য এপ্লিকেশন নমুনাঃ

বরাবর,
উপ কর কমিশনার/কমিশনার
সার্কেল-......, কর অঞ্চল-.........
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা।

বিষয়: TIN বাতিল করার জন্য আবেদন।

মহোদয়,
যথাবিহীত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে বিগত বছর তিনেক আগে টিন সার্টিফিকেট করেছিলাম। আমি আমার একটি ইলেকট্রনিক ব্যবসা পরিচালনার জন্য টিন খুলেছিলাম। কিন্তু ব্যবসাতে আর্থিক ভাবে ক্ষতি হওয়ায় আমার ব্যবসাটি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে আমার আয় না থাকা সত্ত্বেও গত তিন বছর ধরে শূন্য রিটার্ণ দাখিল করে আসছি যাহার কপি সংযুক্ত করা হলো। বর্তমানে আমার করযোগ্য আয় না থাকায় আমি আমার TIN, যাহার নাম্বার ............ বন্ধ করতে ইচ্ছুক।

অতএব, আমার করযোগ্য আয় না থাকায় আমার টিন সার্টিফিকেট বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সদয় মর্জি হয়।

সংযুক্তি:
১। বিগত তিন বছরের বা পূর্ববর্তী রিটার্নের কপি।

২। TIN সার্টিফিকেট এর কপি।

৩. পূর্ববর্তী আয়কর রিটার্ণের প্রাপ্তিস্বীকারপত্র বা প্রত্যয়ণপত্র।

৪। জাতীয় পরিচপত্রের ফটোকপি।

বিনীত নিবেদক,
মো:............
ঠিকানা:..........
TIN নম্বর:.............
মোবাইল নম্বর:...........

বিঃদ্রঃ- TIN বাতিল না করে যদি রাখা যায় তবে ভালো। কারণ যেকোনো প্রয়োজনে আপনার TIN নাম্বার প্রয়োজন হতে পারে।

03/06/2023

জিরো রিটার্ন দেওয়া বন্দ্ব করে দিচ্ছে সরকার। এখন থেকে রিটার্ন জমা দিলেই দুই হাজার টাকা জমা দিতে হবে!!

03/06/2023

যেসব সেবা পেতে ন্যূনতম দুই হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আছে এমন করদাতার মোট আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম না করলেও আয়ের পরিমাণ নির্বিশেষে ন্যূনতম করের পরিমাণ দুই হাজার টাকা হবে।

সে ক্ষেত্রে প্রস্তাব অনুযায়ী, ৩৮ ধরনের সেবা নিতে হলে করদাতাকে দুই হাজার টাকা ন্যূনতম আয়কর দিয়ে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে তাঁর যদি আয়কর দেওয়ার মতো আয় না-ও থাকে, তারপরও তাঁকে দুই হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে।

জানা গেছে, প্রস্তাবিত নতুন আয়কর আইনে এ ক্ষেত্রে আরও ৬টি সেবা যুক্ত করা হচ্ছে। ফলে আরও ছয় ধরনের সেবা পাওয়ার জন্য দুই হাজার টাকার ন্যূনতম আয়কর রিটার্নের প্রমাণ দাখিল করতে হবে।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে অবশ্য অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন। এখন একজন ব্যক্তির তিন লাখ টাকা আয়ের ওপর তাঁকে কোনো কর দিতে হয় না। আগামী বছরে এটা বাড়িয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

দেশের প্রায় ৮৮ লাখ মানুষ আছেন, যাঁদের কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন আছে। নানা কারণে তাঁরা এটি নিয়েছেন। এঁদের মধ্যে ৩০ লাখের কিছু বেশি মানুষ তাঁদের রিটার্ন জমা দেন। তাঁদের অনেকেই শূন্য কর দেখিয়ে রিটার্ন জমা দেন, অর্থাৎ আয়কর দেওয়ার মতো আয় তাঁদের নেই।

বর্তমানে যে ৩৮ ধরনের সেবা নেওয়ার জন্য আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়, জেনে নেওয়া যাক সেগুলো কী কী।

১. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাঁচ লাখ টাকা বা তার বেশি অঙ্কের ঋণের আবেদন করলে;
২. কোম্পানির পরিচালক বা উদ্যোক্তা পরিচালক হলে;
৩. আমদানি ও রপ্তানি নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র পেতে;
৪. সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার অধীনে ট্রেড লাইসেন্স লাভ বা নবায়ন, সমবায় সমিতির নিবন্ধন লাভ;
৫. সমবায় সমিতির নিবন্ধন লাভের ক্ষেত্রে;
৬. সাধারণ বিমা কোম্পানির সার্ভেয়ার হিসেবে লাইসেন্স পেতে বা তালিকাভুক্ত হতে;
৭. নিবন্ধন, স্থানান্তর চুক্তি, বায়নানামা, আমমোক্তারনামা, জমি বিক্রয়, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা সদরে অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ, যেখানে চুক্তিমূল্য ১০ লাখ টাকার বেশি;
৮. ক্রেডিট কার্ড নেওয়া বা ধারাবাহিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে (শিক্ষার্থীদের জন্য দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ছাড়);
৯. চিকিৎসক, ডেন্টিস্ট, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউনট্যান্ট, প্রকৌশলী, স্থপতি, সার্ভেয়ার বা অন্যান্য সমজাতীয় পেশাদারদের পেশাদার সংগঠনের সদস্যপদ লাভ বা টিকিয়ে রাখতে;
১০. মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইনের অধীনে লাইসেন্স লাভ ও টিকিয়ে রাখতে;

১১. বাণিজ্য ও পেশাদার সংগঠনের সদস্যপদ লাভ ও টিকিয়ে রাখতে;
১২. ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স পাওয়া ও টিকিয়ে রাখা, ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশগত ছাড়পত্র, বিএসটিআই লাইসেন্স ও ক্লিয়ারেন্স পেতে;
১৩. যেকোনো এলাকায় গ্যাসের বাণিজ্যিক ও শিল্প সংযোগ এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় গ্যাসের আবাসিক সংযোগ;
১৪. ভাড়ায় চালিত লঞ্চ, স্টিমার, ফিশিং ট্রলার, কার্গো, কোস্টার, ডাম্ব বার্জ ইত্যাদিসহ যেকোনো জলযানের জরিপ সার্টিফিকেট লাভ বা তার মেয়াদ অব্যাহত রাখার চালিয়ে যাওয়া;
১৫. জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বা পরিবেশ অধিদপ্তরের দ্বারা ইট তৈরির অনুমতি প্রাপ্তি বা অনুমতি নবায়ন করা, যেখানে যেটা প্রযোজ্য;
১৬. সিটি করপোরেশন, জেলা সদর দপ্তর ও পৌরসভা এলাকায় আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রম বা জাতীয় পাঠ্যক্রমের ইংরেজি সংস্করণের অধীনে ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ে সন্তান বা পোষ্যের ভর্তির ক্ষেত্রে;
১৭. সিটি করপোরেশন বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় বিদ্যুৎ–সংযোগ পাওয়া;
১৮. কোম্পানির এজেন্সি বা ডিস্ট্রিবিউটরশিপ পাওয়া ও অব্যাহত রাখা;
১৯. অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়া বা অব্যাহত রাখা;
২০. আমদানির উদ্দেশ্যে একটি ঋণপত্র খোলা;
২১. পাঁচ লাখ টাকার বেশি অঙ্কের পোস্টাল সঞ্চয়ী হিসাব খোলা;
২২. ১০ লাখ টাকার বেশি ক্রেডিট ব্যালান্সসহ যেকোনো ধরনের ব্যাংক হিসাব খোলা ও অব্যাহত রাখা;

২৩. পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র ক্রয়;
২৪. যেকোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা যেমন, উপজেলা, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন বা জাতীয় সংসদ;
২৫. মোটর গাড়ি, স্থান, বাসস্থান বা অন্য কোনো সম্পদ দিয়ে অভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা;
২৬. ব্যবস্থাপক বা প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিযুক্ত বা উৎপাদন কার্যক্রমের তত্ত্বাবধায়ক পদে নিযুক্ত যেকোনো ব্যক্তির ‘বেতন’ হিসেবে অর্থ গ্রহণ;
২৭. বছরের যেকোনো সময় ১৬ হাজার টাকা বা তার বেশি মূল বেতন গ্রহণ করলে, সরকারি বা কর্তৃপক্ষের, করপোরেশনের, আইন দ্বারা সৃষ্ট সরকারি সংস্থার কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য;
২৮. মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর বা মোবাইল ফোন অ্যাকাউন্টের রিচার্জের ক্ষেত্রে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কোনো কমিশন, ফি বা অন্য ন্যূনতম প্রাপ্তির ক্ষেত্রে;

২৯. কোনো উপদেষ্টা বা পরামর্শ পরিষেবা, ক্যাটারিং পরিষেবা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট পরিষেবা, জনবল সরবরাহ বা নিরাপত্তা পরিষেবা প্রদানের জন্য কোনো সংস্থার কাছ থেকে কোনো নিবাসীর অর্থ গ্রহণ;

৩০. মাসিক পেমেন্ট অর্ডারের (এমপিও) অধীনে সরকারের কাছ থেকে কোনো পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করা, যদি তার পরিমাণ প্রতি মাসে ১৬ হাজার টাকার বেশি হয়;
৩১. বিমা কোম্পানির এজেন্সি প্রত্যয়নপত্রের নিবন্ধন বা নবায়ন;
৩২. দুই-তিন চাকার গাড়ি ব্যতীত যেকোনো ধরনের মোটর গাড়ির ফিটনেস নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা নবায়নের ক্ষেত্রে;
৩৩. এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোতে নিবন্ধিত বেসরকারি সংস্থাকে বা মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির লাইসেন্সধারী ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী সংস্থার বিদেশি অনুদান দেওয়া;
৩৪. বাংলাদেশের ভোক্তাদের কাছে যেকোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রি করা;
৩৫. কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ (১৯৯৪ সনের ১৮ নং আইন) ও সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট, ১৮৬০ (১৮৬০ সালের আইন নং XXI) এর অধীনে নিবন্ধিত ক্লাবের সদস্যপদ লাভের জন্য আবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে;
৩৬. পণ্য সরবরাহ, চুক্তি সম্পাদন বা পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে একজন নির্বাহীর দরপত্র নথি জমা দেওয়া;
৩৭. আমদানি বা রপ্তানির জন্য বিল অব এন্ট্রি জমা দেওয়া;
৩৮. রাজউক, সিডিএ, কেডিএ, আরডিএ বা সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় যেকোনো ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা জমা দেওয়া।

20/05/2023

ঋণ গ্রহীতা ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে গ্যারান্টরের সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ঋণের টাকা আদায় করা হবে।
তাই গ্যারান্টার হওয়ার আগে ভালো ভাবে চিন্তা করে, দেখে শুনে গ্যারান্টার হউন।

20/05/2023

বাংলাদেশ সরকারী আইন অনুযায়ী- টিন সার্টিফিকেট থাকলেই আয়কর রিটার্ণ জমা দিতে হবে।
সেক্ষেত্রে আয় করযোগ্য হোক বা না হোক, তাতে কিছু যায় আসে না-আয়কর রিটার্ণ জমা দিতেই হবে।
৩০-০৬-২০২২ এর আগে টিন নিয়েছেন, একবারও রিটার্ন জমা দেন নাই। সরকারের দেওয়া সুযোগ গ্রহণ করুন, ৩০ শে জুন, ২০২৩ পর্যন্ত জরিমানা ছাড়াই রিটার্ন জমা করতে পারবে
তাই জরিমানা এড়াতে ৩০/৬/২০২৩ এর আগে রিটার্ন জমা দিয়ে দিন।
যেকোনো পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন।

Address

Bashundhara R/A
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Income tax Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share